channel 24

সর্বশেষ

  • নির্দোষ আফগানকে ১৪ বছর কুখ্যাত গুয়ান্তানামোয় আটকে রাখে যুক্তরাষ্ট্র

  • পীরগঞ্জে সহিংসতায় সৈকত ও রবিউলের দায় স্বীকার

  • টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বে যেকোন সময় পরিবর্তন: পাপন

  • ইভ্যালির অর্থ পাচারের বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত নবগঠিত বোর্ড চেয়ারম্যান (ভিডিও)

  • দুঃসাহসিকতায় বাবাকে ছাড়িয়ে গেলেন ছেলে

  • আগামী বছর নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে ক রো না

  • সরকারের মদদেই সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

  • আম্পানের দেড় বছর পরও পানিবন্দী প্রতাপনগরবাসী (ভিডিও)

  • আগামীকাল থেকে এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু

  • কুমিল্লার ঘটনায় গ্রেপ্তার ইকবাল আদালতে

  • নামের মিল থাকায় কারাগারে শাজাহান (ভিডিও)

  • বিদ্যুৎলাইনে আইএসের বোমা হামলা, অন্ধকারে কাবুল

  • ওয়েব সিরিজ স্কুইড গেম থেকে বাচ্চাদের বিরত রাখার পরামর্শ

  • মাটি ছাড়াই সারা বছর ধরে সবজি চাষ (ভিডিও)

  • পীরগঞ্জে জেলে পল্লীতে আগুন: গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার ২

দুই শিশুকে মুক্তির ব্যবস্থা নিতে ডিসিকে হাইকোর্টের নির্দেশ

দুই শিশুকে মুক্তির ব্যবস্থা নিতে ডিসিকে হাইকোর্টের নির্দেশ

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দণ্ড পাওয়া দুই শিশুকে মুক্তির ব্যবস্থা নিতে ডিসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমানকে ডিসির সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এর আগে সকালে এক বিচারপতিকে চিঠি দেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

বুধবার (৪ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির হাইকোর্টের রিট বেঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমকে এ চিঠি দিয়েছিলেন।

বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথেই দ্রুত শিশুদের মুক্তিতে এমন উদ্যোগ নিলেন হাইকোর্ট।

চিঠিতে আইনজীবী লিখেছিলেন, '৪ আগস্ট দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে দুই শিশুকে দণ্ড’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে জানতে পারি, নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে দুই শিশুকে এক মাসের সাজা দিয়েছেন। এই রিপোর্ট পড়ে আমার কাছে মনে হয়েছে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। শিশু আইনের অধীন মোবাইল কোর্টের কোনো এখতিয়ার নেই। ফলে, অত্র সাজা এখতিয়ার বহির্ভূত।'

চিঠি পাঠানোর যৌক্তিকতা নিয়ে আইনজীবী বলেন, আমি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। আমার মনে আছে, ফতোয়ার মামলায় পত্রিকার রিপোর্ট দরখাস্ত হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। ছাত্রজীবনে পড়েছি, একটি টেলিফোন কল নাকি এফআইআর হিসেবে গণ্য হয়েছিল। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রধান বিচারপতি বরাবর চিঠি পাঠিয়েছিলেন এক সন্তানহারা মা নীলাবতি বেহারা। সেই চিঠির ভিত্তিতে তিনি ক্ষতিপূরণও পেয়েছিলেন। স্বচক্ষে দেখেছি, পত্রিকার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অনেক স্বপ্রণোদিত রুল জারি হয়েছে। বিচারও হয়েছে। জেল থেকে পাঠানো চিঠিগুলো জেল আপিল হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব উদাহরণ দেখে কিছুটা অতি উৎসাহী হয়ে এই পত্র লিখলাম। আশা করি, আমার এই পত্র বৃথা যাবে না।

চিঠিতে বলা হয়, আমার নিবেদন এই যে, সুপ্রিম কোর্ট রুলসের ১১ক অধ্যায়ের বিধি ১০ মোতাবেক অত্র চিঠিটি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আবেদন হিসেবে বিবেচনা করে সংযুক্ত প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে উল্লিখিত শিশুদের তাৎক্ষণিক মুক্তির আদেশ দিতে অথবা ক্ষেত্রমতে উপযুক্ত আদেশ প্রদানে আপনার একান্ত মর্জি হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর