channel 24

সর্বশেষ

  • রাজধানীতে গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • আফগানিস্তান ইস্যুতে বাতিল হল সার্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

  • নেতাকর্মীদের সাথে ৫ম দিনের মতো বৈঠকে বিএনপি

  • ১০ মাসেই রাজশাহী মেডিকেলের চেহারা বদলেছেন ব্রি. জে. শামীম ইয়াজদানী

  • খুলনায় যৌতুক মামলায় সিআইডি কর্মকর্তা কারাগারে

  • চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পদ্মার ইলিশ

  • আইনি কাঠামোতে আসছে ই-কমার্স খাত

  • মহেশখালিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ

  • সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশনকে সর্বাত্মক ক্ষমতা দেয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

  • ভোটার তালিকায় নেই লোকমান, অর্ধশতাধিক নতুন মুখ

  • একাধিকবার গর্ভপাত, মাতৃত্বের স্বাদ বঞ্চিত গৃহবধূর আদালতে মামলা

  • পরিবারে বাল্য বিয়ে থাকলে ভিজিডি নয়: সংসদীয় কমিটি

  • চ্যানেল 24 ও সমকাল কার্যালয়ে এমপি নিক্সন

সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ দিন দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ দিন দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

চলছে সাতদিনের সর্বাত্মক লকডাউন। যদিও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ১৪ দিনের লকডাউনের পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের মতে, লকডাউনের সুফল ২/১ দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে না। এজন্য ভাইরাসের সুপ্তিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিজ্ঞানীদের মতে, শহর-গ্রামে মাস্ক পরা নিশ্চিত করা গেলে লকডাউনের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হতো না।

ঘরবন্দী হওয়া মানুষের স্বভাবে নেই। যানবাহন, ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ থাকুক এটিও কেউ চায় না। কিন্তু গত দেড় বছরে এই অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত দফায় দফায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সরকারকে নিতে হচ্ছে।

ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা আছে। সেই সাথে আছে ভারতীয় ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের অতি সংক্রমণশীলতা। এ অবস্থায় লকডাউন দেয়া ছাড়া খুব বেশি বিকল্প নেই সরকারের হাতে। সংক্রমণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের লকডাউন স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষার মাশুলও বটে। অন্তত মাস্ক নিশ্চিত করা গেলে লকডাউনের মতো কঠোর পদক্ষেপ এড়ানো যেত।

লকডাউনে সব কঠোরতা আর কষ্টের অর্জন ধুলিস্যাৎ হবার আশঙ্কাও আছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। সঠিক পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে বিধিনিষেধ শিথিল করার পরামর্শ দিলেন তারা।

করোনা কোন বিশেষ জনগোষ্ঠীর জন্য নয় বরং সবাই সমান ঝুঁকির। এজন্যই যাদের ঘরে থাকার বাস্তবতা নেই তাদের সহায়তার দায় বিত্তবানদের ওপরই বর্তায় বলে মনে করেন আইডিসিআরের ড. মুশতাক হোসেন।
 
বাংলাদেশে ২০২০ সালে করোনা প্রথম ঢেউয়ে ২৬ শে মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষিত হয়। সেটি সাত দফা বেড়ে ৩০ মে পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর