channel 24

সর্বশেষ

  • জেলে থাকার ঘটনা সন্তানদের কাছে লুকিয়েছিলেন সঞ্জয়

  • এবার কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তির একাধিক ডোজ টিকার নেয়ার ঘটনা

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়লো ৩১ আগস্ট পর্যন্ত

  • জেনে নিন অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

  • স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য টাকা পেলেন মেসি

  • রাজ আমাকে জোর করে চুমু খেয়েছিল: শার্লিন চোপড়া

  • হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব

  • অলিম্পিক ভিলেজে ৩ অ্যাথলেটসহ করোনা আক্রান্ত ২৪

  • ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা

  • ইংল্যান্ডে সিরিজ হারায় বোর্ড কর্তাদের ধুয়ে দিলেন ওয়াসিম

  • রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা

  • সাগর পাড়ে আগুন ধরালেন বাঙ্গালী ললনা

  • কিউকমে পাওয়া যাবে রানারের মোটরসাইকেল

  • নিবন্ধনের পর আড়াই কোটি টাকা ভ্যাট দিল ফেসবুক

  • খাগড়াছড়িতে অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় সেনাবাহিনীর সহায়তা

স্থায়ী বাঁধেই মিলবে বন্যা থেকে দীর্ঘমেয়াদে মুক্তি

স্থায়ী বাঁধেই মিলবে বন্যা থেকে দীর্ঘমেয়াদে মুক্তি

একেকটি বর্ষাকাল মানেই দেশজুড়ে ভয়াবহ বন্যার পরিনতি। নদীপাড়ের মানুষের এ যেনো অনিবার্য নিয়তি। কিন্তু কেন? পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞের মতে, বাঁধ রক্ষণাবেক্ষনে চরম অবহেলার মাধ্যমে, মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতকে পরিনত করা হয় বন্যায়। দেখভাল ঠিকমতো না হওয়ার জন্য কম টাকা বরাদ্দকে দায়ি করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। যদিও এখাতে দেয়া হয় ৮০০ কোটি টাকা। বন্যাব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানে কংক্রিটের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিকল্প নেই।

প্রতি বছর বর্ষাকালে প্লাবিত হয় দেশের এক থেকে দুই তৃতীয়াংশ এলাকা। বন্যার এই জল ও বয়ে আসা পলিমাটি পরিবেশ এবং জীবিকার জন্য আশির্বাদ। কিন্তু, বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে তখনই, যখন নদীর বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। পানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আইনুন নিশাত মনে করেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিকভাবে বড় কোনো বন্যা হয় না। ত্রুটিপূর্ণ বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ না করায় বন্যার মাশুল দিতে হয় নদীপাড়ের মানুষকে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, নদ-নদীতে বাঁধ আছে সাড়ে ১৬ হাজার কিলোমিটার। যার রক্ষণাবেক্ষণে চলতি বছর বরাদ্দ হয়েছে ৮০০ কোটি টাকা। আর প্রতি বছর এর পরিমাণ বাড়ে ১০ শতাংশ হারে। বোর্ডের মহাপরিচালক বলছেন, বরাদ্দ করা অর্থে কুলায় না তাদের।  

বন্যা ব্যবস্থাপনায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে গবেষণা করছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর নূরুল ইসলাম। তার মতে, যতই মেরামত করা হোক, কংক্রিটের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণই বন্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান।  

স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পথে হাটছে পানি উন্নয়ন বোর্ডও। পুরোপুরি না হলেও, ধারাবাহিকভাবে অন্তত বাঁধের ঢাল পাকা করতে চান তারা। 

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত উদ্যোগ এখনও কার্যকর নয়। তাই, ২০১২ সালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ও ২০১৩ সালের পানি আইনে গঠিত জেলা, থানা ও ইউনিয়ন কমিটিকে সক্রিয় করার পরামর্শ পানি বিশেষজ্ঞদের। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর