channel 24

সর্বশেষ

  • ইউরোয় রাতে পর্তুগাল-জার্মানির হাই ভোল্টেজ ম্যাচ

  • ইউরোয় সুইডেনের জয়, ক্রোয়েশিয়া ও ইংল্যান্ডের ড্র

  • চীনের টিকা প্রয়োগ শুরু চট্টগ্রামে

  • টানা বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধ চট্টগ্রাম

  • করোনায় চলে গেলেন 'ফ্লাইং শিখ' মিলখা সিং

  • জিম্বাবুয়ে সফরে কোয়ারেন্টিন জটিলতা পোহাতে হচ্ছে না টাইগারদের

  • ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেটের সুপার লিগেও বৃষ্টির বাধা

  • করোনায় খুলনা বিভাগে রেকর্ড ২৫ জনের মৃত্যু

  • পাওয়া গেল আওয়ামী লীগ- বিএনপি উভয়ের কাছে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য!

  • আজ মুখোমুখি দুই চির প্রতিদ্বন্দী আবাহনী-মোহামেডান

  • পেরুতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ১৩০০ ফুট গভীর খাদে, নিহত ২৭

  • ইউরো কাপে রাতে মুখোমুখি পর্তুগাল-জার্মানি, স্পেন-পোল্যান্ড, ফ্রান্স-হাঙ্গেরি

  • ঋণ সহায়তা পেতে এসএমই উদ্যোক্তাদের আবেদনের হিড়িক

  • কদমতলীতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবা-মা ও বোনকে হত্যা

  • ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ইব্রাহিম রায়েসি

করোনা প্রতিরোধে প্রায় নিষ্ক্রিয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা

করোনা প্রতিরোধে প্রায় নিষ্ক্রিয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা

আন্তর্জাতিক সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে, তেমন কোনো কাজই করেনি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা-সিডিসি। এরইমধ্যে পেরিয়ে গেছে, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সাড়ে ৪ বছর। বরাদ্দের পৌনে একশো কোটি টাকার সিংহভাগ অর্থই খরচ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ৬ মাস আগে সিডিসির কাছে চেয়েও মেলেনি কোনো তথ্য।

সংক্রামক ভাইরাস-করোনা। যাতে দুই বছর ধরে নাকাল গোটা বিশ্ব।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেমব্লি'র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক সংক্রামক রোগের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পরিকল্পনা নেয় সরকার। ৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় এই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায়। ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়নে একটি অপারেশন প্ল্যানও তৈরি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা-সিডিসি।

ওই পরিকল্পনা মোতাবেক ভারত, মিয়ানমারসহ প্রতিবেশি দেশের সীমান্ত এলাকায় শক্ত নজরদারি এবং সব বন্দরে থার্মাল স্ক্যানার স্থাপন করার কথা ছিল। সেইসাথে সীমান্তবর্তী জেলা ও বন্দরে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, জনবল ও পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংক্রামক রোগ বিষয়টি মেডিক্যাল কারিক্যুলামে অন্তর্ভূক্তি করার।

তৎকালীন সিডিসির লাইন ডিরেক্টরের সই করা চিঠিতে, বরাদ্দের ছাড়কৃত বেশিরভাগ অর্থই খরচ দেখানো হয়েছে।  

এখন সরেজমিন চিত্র বলছে, এই ৪ বছরে আন্তর্জাতিক সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বন্দরগুলোতে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, সিডিসি। এই যেমন লালমনিরহাট বুড়িমারি ও বেনাপোল স্থলবন্দর। থার্মাল ক্যানার স্থাপন দূরে থাক, ওই বরাদ্দের খবর জানে না সংশ্লিষ্ট কেউ। একই অবস্থা, মোংলা ও চট্টগ্রাম সমূদ্রবন্দর এবং বিমানবন্দরগুলোতে।  

স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হলে, দেশের করোনা পরিস্থিতি এতোটা খারাপ হতো না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর