channel 24

সর্বশেষ

  • তামিমকে ছাড়িয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না হাসানুজ্জামান

  • আগামীকাল থেকে আবারো ৭ জেলায় লকডাউন

  • এক মাসে ১১টি কিশোর গ্যাংয়ের ৬২ জন আটক

  • বন্ধ হচ্ছে না ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট

  • নখের কিছু সমস্যা, যা হতে পারে করোনার উপসর্গ

  • খুলনায় এক সপ্তাহ বাস-ট্রেন চলাচল বন্ধ

  • বাবার কাছে ক্ষমা চাইলেন রিয়া চক্রবর্তী

  • মেগা প্রকল্প নিয়ে মেগা মিথ্যাচারে নেমেছে বিএনপি: কাদের

  • আকস্মিক বন্ধ ইরানের একমাত্র পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

  • জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় দুঃখজনক: হাইকোর্ট

  • লোহার কাঁচামালের কন্টেইনারে এলো অজগর!

  • মালয়শিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়, ১০২ বাংলাদেশি আটক

  • ভোলার চর ফ্যাশনে হাজারীগঞ্জে সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১

  • আগামী তিন দিন সারাদেশে কমবে বৃষ্টি

  • কর্ণফুলীর পাড়ে স্থাপিত হলো দেশের সবচেয়ে বড় ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র

দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট

দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট

দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে, দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট বা ধরনের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে তারা দাবি করেন, গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে দুই শতাধিক জিনোম সিকোয়েন্সে ৭৭ শতাংশের শরীরেই মিলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরন। বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের ৬১ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এটি।

গেল বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর প্রায় ৭ মাস পর অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয় বিওয়ান-থ্রি ফাইভওয়ান নামে করোনা ভাইরাসের নতুন একটি ধরন। দেশে গত ৬ ফ্রেব্রুয়ারি এক নারীর শরীরে মেলে এটি।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণা নিবন্ধ বলছে, দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্টের। ঢাকার চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন-সিএইচআরএফের নেয়া নমুনা পরীক্ষার শনাক্ত হয় ১২ হাজার জন। তাদের মধ্য থেকে ২০৪টি নমুনার জেনম সিকায়েন্স করা হয়। ফ্রেব্রুয়ারিতে ৩৩ শতাংশ এবং মার্চে আক্রান্তদের ৭৭ শতাংশের নমুনায় মেলে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট। 

বাংলাদেশি রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্স-
ফেব্রুয়ারি: ৬ জনের ২ জন আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্ট (৩৩%)
মার্চ: ৩৬ জনের ২৮ জন আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্ট(৭৭%) 

সিএইচআরএফের করোনা আক্রান্ত ১০ স্বাস্থ্যকর্মীর ৪ জনেরও নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সবার নমুনায় মেলে, দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট। এর মধ্যে দুজন দ্বিতীয় দফায় করোনা আক্রান্ত হন। বাকি দুজন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার 'চ্যাডক্সওয়ান' টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত হয়েছেন।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল জানায়, দেশে মার্চে ১শ রোগীর জিনম সিকোয়েন্স করেছে, দুটি স্বাধীন সংস্থা। তাদের তথ্য বিশ্লেষণ কোরে জেনম সিকোয়েন্সের বৈশ্বিক ডাটা-'জি আই এস এ আই ডি' বলছে, ১শ জনের মধ্যে ৭২ জনের শরীরেই মিলেছে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট।

গত ৭ এপ্রিল, আইসিডিআরবি, আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ গবেষণা বলছে, দেশে শনাক্তের ৮১ শতাংশই দক্ষিণ আফ্রিকার নিউ ভ্যারিয়েন্ট বহন করছেন। বলা হচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের স্পাইক প্রোটিনে E484k এবং  k417n নামে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন দেখা যায়। এই মিউটেশনের কারণে করোনার এই ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে মূল ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি ঠিক মতো যুক্ত হতে পারে না। এর মানে হলো আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, এমন ব্যক্তি পুনরায় আক্রান্ত হতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর