channel 24

সর্বশেষ

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়লো ৩১ জুলাই পর্যন্ত

  • জেনে নিন অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

  • স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য টাকা পেলেন মেসি

  • রাজ আমাকে জোর করে চুমু খেয়েছিল: শার্লিন চোপড়া

  • হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব

  • অলিম্পিক ভিলেজে ৩ অ্যাথলেটসহ করোনা আক্রান্ত ২৪

  • ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা

  • ইংল্যান্ডে সিরিজ হারায় বোর্ড কর্তাদের ধুয়ে দিলেন ওয়াসিম

  • রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা

  • সাগর পাড়ে আগুন ধরালেন বাঙ্গালী ললনা

  • কিউকমে পাওয়া যাবে রানারের মোটরসাইকেল

  • নিবন্ধনের পর আড়াই কোটি টাকা ভ্যাট দিল ফেসবুক

  • খাগড়াছড়িতে অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় সেনাবাহিনীর সহায়তা

  • কঠোরতম লকডাউনের পঞ্চম দিনে রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৫৬৮

  • করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৯ জনের মৃত্যু

ঢাবির জিয়া হলে 'হ্যান্ডেলিং চার্জ' নামে অদ্ভুত ফি আদায়

ঢাবির জিয়া হলে 'হ্যান্ডেলিং চার্জ' নামে অদ্ভুত ফি আদায়

হ্যান্ডেলিং চার্জ নামে এক অদ্ভূত চার্জ নেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়া হলে। যার প্রবক্তা এই হলের প্রভোস্ট ড. জিয়া রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাধ্যক্ষের বাংলো ঠিক করতেও হলের ফান্ড থেকে তোলা হতো টাকা। যদিও এসব জানা নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ ড. জিয়া রহমান।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ হিসেবে গণমাধ্যমে পরিচিত মুখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান। একই সাথে দুই মেয়াদে জিয়াউর রহমান হলেরও প্রভোস্টের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এই হলেরই দাপ্তরিক কিছু কাগজ এসেছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কাছে। এতে দেখা যায় প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েই ২০১৫ আবাসিক ছাত্রদের জন্য এক অভিনব ফি নির্ধারণ করেন। নাম হ্যান্ডেলিং চার্জ। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে নানান কাগজপত্র হল প্রভোস্টকে সই করতে হয়। সে কারণেই এই চার্জ।

২০১৫-১৬ এবং ১৬-১৭ সালে হ্যান্ডেলিং চার্জ বাবদ আদায় করা হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ১৬-১৭ এবং ১৭-১৮ সেশনে আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫০ টাকা। ১৭-১৮ ও ১৮-১৯ সেশনে চারশ বদলে ফি বাড়িয়ে করা হয় ৬০০। সে হিসেবে আদায় হয় ২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫৫ টাকা।

এই টাকার খরচের খাতে দেখা যায়, প্রতিবছরই আদায় করা টাকার অর্ধেকটা প্রভোস্ট নিজেই নিয়েছেন। বাকি অর্ধেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, অফিস সহকারি ও ক্লিনারদের দেয়া হলেও, হাউজ টিউটর হিসেবে দায়িত্বে থাকা কোন শিক্ষক কানাকড়িও পাননি। শুধুমাত্র প্রথম বছরে মাত্র ১৫ শতাংশ হলের কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়া হয়েছিল। তবে এধরণের টাকা আর কোন হলে নেয়া হয় না বলে জানিয়েছেন, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহবায়ক।

এখানেই শেষ নয়, হলে শূণ্য পদে ব্যক্তিগত গাড়িচালককে বিশেষ বদলী ডিউটি করানোরও অভিযোগ আছে। আবার প্রতিবছরই নানা অযুহাতে প্রভোস্ট বাংলো সারানোর নামে টাকা তুলতেন ড. জিয়া। ২০১৬ সালে এই এই বাবদ নিয়েছেন ৪ লাখ ৪ হাজার ১৯০ টাকা। পরের বছর তুলেছেন প্রায় ৩০ হাজার। ২০১৮ তে ফের বাংলো সংস্কারের নামে প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা নিয়েছেন। তারপরের বছর নেন আরও প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নিউজ না করতে বলেন এই অধ্যাপক।

উপাচার্য জানিয়েছেন, তিনি এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর