channel 24

সর্বশেষ

  • চীনের টিকা প্রয়োগ শুরু চট্টগ্রামে

  • টানা বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধ চট্টগ্রাম

  • করোনায় চলে গেলেন 'ফ্লাইং শিখ' মিলখা সিং

  • জিম্বাবুয়ে সফরে কোয়ারেন্টিন জটিলতা পোহাতে হচ্ছে না টাইগারদের

  • ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেটের সুপার লিগেও বৃষ্টির বাধা

  • করোনায় খুলনা বিভাগে রেকর্ড ২৫ জনের মৃত্যু

  • পাওয়া গেল আওয়ামী লীগ- বিএনপি উভয়ের কাছে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য!

  • আজ মুখোমুখি দুই চির প্রতিদ্বন্দী আবাহনী-মোহামেডান

  • পেরুতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ১৩০০ ফুট গভীর খাদে, নিহত ২৭

  • ইউরো কাপে রাতে মুখোমুখি পর্তুগাল-জার্মানি, স্পেন-পোল্যান্ড, ফ্রান্স-হাঙ্গেরি

  • ঋণ সহায়তা পেতে এসএমই উদ্যোক্তাদের আবেদনের হিড়িক

  • কদমতলীতে ঘুমের ওষধ খাইয়ে বাবা-মা ও বোনকে হত্যা

  • ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ইব্রাহিম রায়েসি

  • সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৬ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে

  • ১৬ কোটি টাকার ভাতা ফিরিয়ে দিলেন রাজকন্যা আমালিয়া

ঢাবির জিয়া হলে 'হ্যান্ডেলিং চার্জ' নামে অদ্ভুত ফি আদায়

ঢাবির জিয়া হলে 'হ্যান্ডেলিং চার্জ' নামে অদ্ভুত ফি আদায়

হ্যান্ডেলিং চার্জ নামে এক অদ্ভূত চার্জ নেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়া হলে। যার প্রবক্তা এই হলের প্রভোস্ট ড. জিয়া রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাধ্যক্ষের বাংলো ঠিক করতেও হলের ফান্ড থেকে তোলা হতো টাকা। যদিও এসব জানা নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ ড. জিয়া রহমান।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ হিসেবে গণমাধ্যমে পরিচিত মুখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান। একই সাথে দুই মেয়াদে জিয়াউর রহমান হলেরও প্রভোস্টের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এই হলেরই দাপ্তরিক কিছু কাগজ এসেছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কাছে। এতে দেখা যায় প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েই ২০১৫ আবাসিক ছাত্রদের জন্য এক অভিনব ফি নির্ধারণ করেন। নাম হ্যান্ডেলিং চার্জ। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে নানান কাগজপত্র হল প্রভোস্টকে সই করতে হয়। সে কারণেই এই চার্জ।

২০১৫-১৬ এবং ১৬-১৭ সালে হ্যান্ডেলিং চার্জ বাবদ আদায় করা হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ১৬-১৭ এবং ১৭-১৮ সেশনে আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫০ টাকা। ১৭-১৮ ও ১৮-১৯ সেশনে চারশ বদলে ফি বাড়িয়ে করা হয় ৬০০। সে হিসেবে আদায় হয় ২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫৫ টাকা।

এই টাকার খরচের খাতে দেখা যায়, প্রতিবছরই আদায় করা টাকার অর্ধেকটা প্রভোস্ট নিজেই নিয়েছেন। বাকি অর্ধেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, অফিস সহকারি ও ক্লিনারদের দেয়া হলেও, হাউজ টিউটর হিসেবে দায়িত্বে থাকা কোন শিক্ষক কানাকড়িও পাননি। শুধুমাত্র প্রথম বছরে মাত্র ১৫ শতাংশ হলের কল্যাণ তহবিলে জমা দেয়া হয়েছিল। তবে এধরণের টাকা আর কোন হলে নেয়া হয় না বলে জানিয়েছেন, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহবায়ক।

এখানেই শেষ নয়, হলে শূণ্য পদে ব্যক্তিগত গাড়িচালককে বিশেষ বদলী ডিউটি করানোরও অভিযোগ আছে। আবার প্রতিবছরই নানা অযুহাতে প্রভোস্ট বাংলো সারানোর নামে টাকা তুলতেন ড. জিয়া। ২০১৬ সালে এই এই বাবদ নিয়েছেন ৪ লাখ ৪ হাজার ১৯০ টাকা। পরের বছর তুলেছেন প্রায় ৩০ হাজার। ২০১৮ তে ফের বাংলো সংস্কারের নামে প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা নিয়েছেন। তারপরের বছর নেন আরও প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নিউজ না করতে বলেন এই অধ্যাপক।

উপাচার্য জানিয়েছেন, তিনি এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর