channel 24

সর্বশেষ

  • ফেনীতে হঠাৎ বিস্ফোরণে মা-মেয়েসহ দগ্ধ ৩

  • ২০ ঘণ্টা পেরোলেও স্বাভাবিক হয়নি কুষ্টিয়ার রেল চলাচল

  • জয়পুরহাটে নিষিদ্ধ পপির আবাদে ঝুঁকছেন অনেকে

  • আসন্ন নির্বাচনে 'নন্দীগ্রাম' থেকে প্রার্থীতার ঘোষনা দিলেন মমতা

  • নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে চাপের মুখে মিয়ানমারের জান্তা সরকার

  • বিমান বাংলাদেশের বহরে যুক্ত হলো 'শ্বেতবলাকা'

  • ব্যর্থতা ঝেড়ে ধারাবাহিক সফল হতে চান নাজমুল শান্ত

  • ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরতে চান মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা

  • দ. এশিয়ার শক্তিশালী অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে বাংলাদেশ

  • আটতলা থেকে ঝাঁপ দিলেন কৃষি ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ চলছেই

  • করোনায় ২ অভিভাবক হারালো সিরাজগঞ্জ

  • মোংলায় চাকুরীর প্রলোভনে তরুনীকে ধর্ষণ, যুবক আটক

  • দেশের অন্যতম শীর্ষ করদাতা জর্দা ব্যবসায়ী কাউস মিয়া

  • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইনোভেশন ও গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

কাশিমপুর কারাগারে কয়েদির নারীসঙ্গ; কারা অধিদপ্তরে তোলপাড়

কাশিমপুর কারাগারে কয়েদির নারীসঙ্গ; কারা অধিদপ্তরে তোলপাড়

স্বাচ্ছন্দ চলাফেরা, বাইরে থেকে নারীকে এনে খুনসুটি, একান্তে সময় কাটানো। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-১ এমন আমুদে জীবনে আছেন এক কয়েদি। সিনিয়র জেল সুপারের উপস্থিতিতেই এতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করছেন ডেপুটি জেলার। যার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এসেছে চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের হাতে। পুরো ঘটনায় তোলপাড় চলছে, কারা অধিদপ্তরে। গঠিত হয়েছে, দুটি তদন্ত কমিটি।

জেলখানার সম্বল, থালা বাটি কম্বল। হালে অবশ্য এমন প্রবাদ ধোপে টেকে না। অন্তত কাশিমপুর কারাগারেতো নয়ই। কেন? সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে।

দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম কেলেংকারি হলমার্ক আর তার হোতা তানভীর। কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাটের সেই কেলেংকারিতে তানভীরের অন্যতম সহযোগী তুষার। হলমার্ক গ্রুপের জিএম সম্পর্কে তানভীরের ভায়রা।

গ্রেপ্তার হয়ে তুষার এখন কাশিমপুর কারাগারে অন্তরীণ। কিন্তু গত ৬ জানুয়ারি কারাগারের প্রধান ফটকের ভেতরের সিটিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেলো ভিন্ন তুষারকে। হাঁটাচলার ধরন আর মুখাবয়বে কে বলবে তিনি কয়েদি। ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে ঢোকেন প্রধান ফটকের বাম পাশের একটি কক্ষে। 

আট মিনিট পেছনে যাওয়া যাক। ১২টা ৫৬ মিনিট, কারাগারে দুই যুবকের সাথে ঢুকলো এক নারী। রিসিভ করেন খোদ ডেপুটি জেলার সাকলায়েন। ঢোকেন পাশের কক্ষে। বেরিয়ে যান সাকলায়েন। আট মিনিট পর ফেরেন তুষারকে নিয়ে।

প্রায় ১০ মিনিট পর অফিস ছাড়েন, বেরিয়ে যান সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায়। মিনিট না পেরুতেই রত্না রায়ের কক্ষের দিকে যান তুষার। দুই মিনিট পর বেরিয়ে এসে, এবার ফের সেদিকে যান। তবে এবার সাথে সেই নারী। যাতায়াতের সময় খানিক খুনসুটিও করেন দুজনায়। হাসি ঠাট্টায় বোঝার জো নেই, কয়েদি না ভ্রমনপিপাসু।

দুই মিনিট পর আবারো দুজন ফেরেন আগের কক্ষেই। এরপর ছিলেন টানা ৪৫ মিনিট। ভেতরকার ছবি অবশ্য ধরা পড়েনি ক্যামেরায়।

করোনাকালে যেখানে পরিদর্শন নিষেধ সেখানে ডেপুটি জেলার, সিনিয়র জেলা সুপারের উপস্থিতিতে এক কয়েদির নারী নিয়ে জেলের ভেতরেই সময় কাটানো  নিয়ে এখন তোলপাড় কারা অধিদপ্তর। গঠিত হয় দুটি তদন্ত কমিটি। 

জেলা প্রশাসক বলছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে এরই মধ্যে সত্যতা পেয়েছেন তারা। তবে সারাক্ষণ পাহারায় থাকায় ডেপুটি জেল সুপার সাকলায়েনের দাবি, সবই হয়েছে সুপারের নির্দেশনায়। 

অনেক চেষ্টাতেও মেলেনি সুপারের মন্তব্য। মুখে কুলুপ এঁটেছেন কারা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও। তদন্ত চালিয়ে গেলেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে নারাজ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর