channel 24

সর্বশেষ

  • উত্তাল মিয়ানমারে বেপরোয়া পুলিশ, নিহত আরও ১৩

  • প্রথম দফায় ভ্যাকসিন জুন-জুলাই পর্যন্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • ভারতে সাম্প্রদায়িকতা বাড়ায় উদ্বেগ

  • সালিশের মাধ্যমে বিয়ে দেয়া বেআইনী: হাইকোর্ট

  • শ্রদ্ধা-ভালবাসায় বুদ্ধিজীবী করবস্থানে শায়িত হলেন সাংবাদিক শাহীন রেজা নুর

  • নীলফামারীতে কলেজছাত্রী রিমুর মৃত্যু নিয়ে রহস্য, পরিবারের হত্যা মামলা

  • কারাগারে নির্যাতনের শিকার রুপম কান্তি নাথের জামিন মঞ্জুর

  • প্রথম দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ১১ এপ্রিল

  • সাতকানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হক হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মী জড়িত

  • চট্টগ্রামে ডাকাতির সময় নারীকে হত্যা মামলায় ৪ আসামীর মৃত্যুদণ্ড

  • সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা মোকাবিলায় সরকার সফল: প্রধানমন্ত্রী

  • রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে দ্রুত অপসারণ দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

  • সাত বছর বয়স থেকেই পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালান মরিয়ম

  • কক্সবাজারে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ইয়াবা বাণিজ্যের অভিযোগ

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলে নাগরিক সমাজের আল্টিমেটাম

ভোটের উত্তাপ গণনায়ও; বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা

ভোটের উত্তাপ গণনায়ও; বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা

দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভার ভোটের উত্তাপ ছড়িয়েছে, গণনাতেও। জয়ের পরই দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো সিরাজগঞ্জের সদর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তারিকুল ইসলামের। আর গাইবান্ধা সদর পৌরসভায় পুলিশের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে। এরআগে ভোটগ্রহণের সময়ও বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

দিনভর নিরুত্তাপ ভোটের পর রাতে হঠাৎই উত্তপ্ত সিরাজগঞ্জ শহর। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন ভাঙ্গাবাড়ি কেন্দ্র থেকে শহীদগঞ্জ কেন্দ্রে যান ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী তরিকুল ইসলাম। সেখানে তাকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। পরে হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি তাকে। তরিকুলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শহরের গুঁড়ের বাজার এলাকায় টায়ারে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ করেন সমর্থকরা। এসময় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। 

ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ হয়েছে গাইবান্ধা শহরেও। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ এনে হামলা চালায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার ইসলামের সমর্থকরা। এসময় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। পাল্টা জবাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও একটিতে আগুন দেয়া হয়।

বাগেরহাটের মোংলা বন্দর কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট শুরুর পরই দুই কাউন্সিলর সমর্থকদের মধ্যে বাঁধে সংঘর্ষ। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া আর লাঠিপেটায় আহত হন অন্তত ১০ জন। পরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থীসহ ১৮ কাউন্সিলর প্রার্থী।

ফেনীর দাগনভূঞায় একটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পাবনায় বিএনপির মেয়র প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। আর নানা অভিযোগ এনে গাজীপুর, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর ও রাজশাহীর ভবানীগঞ্জে নির্বাচন বর্জন করেন বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা। 

নওগাঁর নজিরপুর ও মেহেরপুরের গাংনী পৌরসাভায় একজনের ভোট আরেকজন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে ভোটের আগে বেশ উত্তাপ ছড়ালেও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার আলোচিত বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর