channel 24

সর্বশেষ

  • তামিম-সাকিব-মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে চ্যালেঞ্জিং স্কোর

  • গল টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কা

  • বাগেরহাটে সাদা মাছির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্থ নারিকেল চাষ

  • গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ৩শ' ফুট দৈর্ঘ্যের কাঠের সেতু

  • ভারি তুষারপাতে বিপর্যস্ত জম্মু-কাশ্মিরের জনজীবন

  • শেরপুর ও টাঙ্গাইলে পৌর ভোটে প্রার্থীদের নানা প্রতিশ্রুতি, বাস্তবায়ন চান ভোটাররা

  • তামিম-সাকিবের ব্যাটে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিকরা

  • নিরাপত্তায় স্থাপিত আড়াইশো সিসি ক্যামেরা বছর না ঘুরতেই বিকল

  • ফরিদপুরে বিএনসিসি'র উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

  • খুবিতে অনশনরত আরেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

  • ভিক্ষুক বেশে নারীদের শ্লীলতাহানীর ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার ১

  • করোনায় বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় ঘটলেও উল্টো চিত্র চীনে

  • ব্যাংকখাতের তারল্য বেশি হওয়ায় সুদ নেমে এসেছে মূল্যস্ফীতির নিচে

  • এক বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

  • শেষ ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করছে বাংলাদেশ

হাজী সেলিমের লোভের থাবা থেকে নিস্তার পাননি আপনজনও

হাজী সেলিমের লোভের থাবা থেকে নিস্তার পাননি আপনজনও

ভাগনির সম্পদের লোভও ছাড়েননি তিনি। ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের কাছে তার দূর সম্পর্কের এক ভাগনি গিয়েছিলেন, নিজের জমি জটিলতা নিরসনে। সমাধান তো করেনইনি, উল্টো ভাগনির অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে পুরো জমিই দখলের চেষ্টা করেন। দুদিন আটকে রেখে, শ্লীলতাহানির ভয় দেখিয়ে সই নেন খালি স্ট্যাম্প ও চেকে।

ভাগনির সমস্যায় মামা এগিয়ে আসবেন এটাই প্রত্যাশিত। কিন্ত এমনটা হয়নি লাকিয়া ইসলামের বেলায়। 

রাজধানীর গোলাপবাগে শ্বশুরের দেয়া ১ কাঠা জমি নিয়ে জটিলতা। তা সমাধানে লাকিয়া ইসলাম, যিনি হাজী সেলিমের দূর সম্পর্কের ভাগনি শরণাপন্ন হয়েছিলেন মামার। ২০১৫ সালে এই জমি দেখতে সদলবলে উপস্থিত হন হাজী সেলিম।

কিন্তু সমাধানতো দূরের কথা উল্টো হাজী সেলিমকে ডেকে বিরাট বিপদে পড়েছেন তিনি। মামার কথা মতো পরিবার নিয়ে ওঠেন লালবাগের পোস্তায় মদিনা টাওয়ারে। চাকুরিও পান মদিনা গ্রুপে। দিন যায় মাস যায়, জমির সমস্যা নিরসন না করায় হাজী সেলিমকে বলেন চাকুরি ছেড়ে চলে যাবেন গোলাপবাগের বাসায়। তারপরই সংসদ সদস্যের ভিন্ন রূপ সামনে আসে লাকিয়া ইসলামের কাছে। দুইদিন আটকে রেখে জোর করে ৩শ' টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প ও ৬টি ফাঁকা চেকে সই নেয় তার।

ওই ঘটনায় থানায় মামলা না নেয়ায় আদালতে মামলা করেন লাকিয়া ইসলাম। আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। যেখানে লাকিয়া ইসলামের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

যদিও মামলার ১ নম্বর আসামি ফরহাদ বাধন মৌ অস্বীকার করেন নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে।

লাকিয়া ইসলামের মামলায় তার পক্ষে আদালতে সাক্ষী দেন মদিনা গ্রুপের সেসময়ে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ফারজানা রেজা। এই ঘটনার রেশে চাকুরি থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাকে।

এই বিষয়ে জানতে হাজী সেলিম কিংবা মদিনা গ্রুপের একাধিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেও কারো মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর