channel 24

সর্বশেষ

  • শেষ হলো বাইডেন-পুতিনের ঐতিহাসিক বৈঠক

  • রোহিঙ্গাদের ভোটার করার ঘটনায় দুদকের আরও দুই মামলা

  • ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসি দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান’

  • ‘দেশ-বিদেশে যে অপপ্রচার হয়েছিল তার জবাব দেয়ার প্রয়োজন নেই’

  • বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ সাব্বিরের বিরুদ্ধে

  • সুপার লিগ নিশ্চিত করেছে চার দল

  • 'বাংলাদেশ টাইগার্স' নামে আসছে নতুন ক্রিকেট দল

  • ব্যাংকিং খাতে খেলাপির হার বেড়েছে কয়েক গুণ

  • স্বামীর খোঁজে সংবাদ সম্মেলনে ধর্মীয় বক্তা ত্ব-হার স্ত্রী

  • অজিদের নানান জটিল শর্তে চিন্তায় বিসিবি

  • পরীমণি-কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া তিন নারী কারা?

  • ‘ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই’ সংসদে শাহজাদা

  • বোটক্লাবের আগের রাতে গুলশানের অভিজাত ক্লাবে পরীমণির তুলকালাম কাণ্ড

  • কুষ্টিয়ায় নৃশংসতার পর এবার সিলেটেও তিন খুন

  • অবশেষে মুক্তি পেলেন অন্যের সাজা ভোগ করা মিনু

বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বিবেচনা করে আইনের সংশোধনী চেয়ে আইনি নোটিশ

বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বিবেচনা করে আইনের সংশোধনী চেয়ে আইনি নোটিশ

বৈবাহিক ধর্ষণ অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইনের সংশোধনী চেয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ল কমিশনের চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের ডিজি এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের ডিজিকে এ নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

দেশে আইনের স্বচ্ছতা ও সার্বজনিনতা নিশ্চিতর লক্ষ্যে রবিবার (১ নভেম্বর) একাত্তর টিভির সিনিয়র নিউজরুম এডিটর ওয়াহিদা আফসানার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জাহিদ চৌধুরী জনি এ নোটিশ প্রেরণ করেন। 

নোটিশে বল হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির কোথাও বৈবাহিক জীবনে স্বামী কর্তৃক ধর্ষিত হলে কোনো আইনি পদক্ষেপ নারীরা নিতে পারেন না। এছাড়াও সামাজিক বিবেচনায় ওই নারী কখনো এ বিষয়টা নিয়ে জনসম্মুখে আসতেও পারেন না। অথচ গবেষণায় এসেছে যে, এবছর ৬৪ জেলার মধ্যে ২৭ জেলাতেই বৈবাহিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

'জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস কমিশন ১৯৯৩ সালে বৈবাহিক ধর্ষণ অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে মানবাধিকার লংঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ টি দেশের বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইন রয়েছে। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বাংলাদেশে বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি বা শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।'

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, 'দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এমন কোন ব্যক্তি ধর্ষণ করলে তার শাস্তির বিধান রয়েছে। অথচ পারিবারিক নির্যাতনের মাধ্যমেও যে নারীরা ধর্ষিত হচ্ছে, তাদের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিতে আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবি।'

তাই নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর