channel 24

সর্বশেষ

  • সাকিবের প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাল সতীর্থরা ও কোচ খালেদ মাহমুদ

  • রংপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ডিবির এএসআই রাহেনুল গ্রেপ্তার

  • সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা উঠলো

  • ভ্যাট ফাঁকির অপরাধে ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে মামলা

  • বছর ব্যবধানে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ১৯ শতাংশ

  • জাতীয় দলের অনুশীলনে ফিরেছেন বসুন্ধরা কিংস ফুটবলাররা

  • 'যুবতী রাধে' গানের সমাধান মিলছে না

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড

  • রুটিফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ

  • কিশোরগঞ্জে শিশু গৃহকর্মীকে হত্যার অভিযোগে দম্পতি আটক

  • আঁখ চাষীদের দুর্ভোগ কমাতে সুগারক্যান প্ল্যানটার

  • মাশরুম চাষের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

  • ইসিতে আ.লীগ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ

  • পাবনায় আগাম জাতের শিম চাষে ভাগ্য ফিরেছে কৃষকের

  • ভোলার এসপি হলেন দশম শ্রেণির ছাত্রী তাসনিম!

বুয়েটের আবরার হত্যা মামলার সাক্ষ্য শুরু

বুয়েটের আবরার হত্যা মামলার সাক্ষ্য শুরু

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে সোমবার (৫ অক্টোবর) সাক্ষ্য দিচ্ছেন মামলার বাদী ও নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ।

গত ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওই দিন মামলার বাদী আবরারের বাবা জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

গ্রেপ্তার ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু। মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর