channel 24

সর্বশেষ

  • ফরিদপুর এমএ আজিজ হাই স্কুলে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কম্পিউটার বিতরন

  • ফাইনালের মঞ্চে প্রতিশোধ নিলো মাহমুদউল্লাহ'র দল

  • সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না আলু

  • মণ্ডপে-মণ্ডপে বাজছে বিষাদের সুর

  • বিমা শিল্পের ওপর আস্থা বাড়াতে স্বচ্ছতা জরুরি: শেখ কবির হোসেন

  • নোয়াখালীতে কিশোরী ধর্ষণ মামলার মূল আসামি সুমন গ্রেপ্তার

  • প্রচারে রাত-দিন এক করে ফেলছেন ট্রাম্প ও বাইডেন

  • ঢাবি অধ্যাপক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

  • ড্রাম সিডার পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট দূরত্বে ও সঠিক হারে বীজ বপন

  • খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে রায়হানের মায়ের অনশন

  • নাটোরে একই জমিতে বিভিন্ন ফসলের মিশ্র চাষ

  • বিগ ম্যাচে রাতে লেস্টার সিটিকে আতিথ্য দেবে আর্সেনাল

  • দুগ্ধ ও মাংস শিল্প রক্ষার্থে ডেইরি ফার্মারস এসোসিয়েশনের ১০ দফা দাবি

  • ফের শুরু ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, আশুলিয়ায় মাদকসহ আটক ২১

  • শেরপুরে দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের জীবন বদলে দিচ্ছেন শাহীন মিয়া

দেশে কওমি শিক্ষার প্রসারে অবদান রাখেন আল্লামা শফি

দেশে কওমি শিক্ষার প্রসারে অবদান রাখেন আল্লামা শফি

আল্লামা শাহ আহমদ শফি। দীর্ঘ সময় কওমি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলেও হঠাৎ আলোচনায় আসেন দশবছর আগে। যার অন্যতম কারণ হেফাজতের মতো ধর্মভিত্তিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা, নারী নীতির বিরোধীতা, ঢাকার শাপলা চত্বরে অবস্থান। সবশেষ হাটহাজারি মাদ্রাসা পরিচালনার কর্তৃত্ব নিয়ে সৃষ্ট অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে মারা গেলেন এই শীর্ষ আলেম।

দেশে কওমি শিক্ষায় শীর্ষ আলেম আল্লামা আহমদ শফির জন্ম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পাখিরাটিলা এলাকায়। পড়ালেখা করেন ভারতের দারুল ইলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায়। দেশে ফিরে শিক্ষকতায় যোগ দেন, হাটহাজারি মাদ্রাসায়।

তবে দশবছর আগেও তেমন আলোচনায় ছিলেননা আহমদ শফি। পাদপ্রদীপে আসেন ২০১০ সালে, নারী নীতির বিরুদ্ধে মাঠে নেমে। গঠন করেন কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম।

দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধীতা করে ২০১৩ সালের ৫ মে, ঢাকার শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি দেয় হেফাজত। সেই কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক সহিংসতার পর রাজনীতির মাঠে বড় পরিসরে আলোচনায় আসেন আহমদ শফি ও তার সংগঠন।

রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা নেই- বারবার এমন দাবি করলেও নানা ইস্যুতে বক্তব্য দিয়ে বরাবরই আলোচনায় ছিলেন এই ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তার হাটহাজারি মাদ্রাসাটি হয়ে ওঠে হেফাজতের প্রধান কেন্দ্র। যেখানে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

বলা হয়ে থাকে, নানা সমীকরণে সরকারের অনেকটাই ঘনিষ্ট হয়ে ওঠেছিলেন আহমদ শফি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক অনুষ্ঠানে উপাধি দেন কওমি জননী হিসেবে। তবে সংগঠনটির মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর সাথে মতবিরোধে হেফাজতের ভেতরে তৈরি হয় ফাটল। যার সবশেষ পরিণতি আহমদ শফি ও তার ছেলে আনাস মাদানিকে সরাতে ছাত্র আন্দোলন।

আহমদ শফি ১৯৮৬ সাল থেকে টানা মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাটহাজারি মাদ্রাসার। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার সেই দায়িত্ব ছাড়েন। দুদিন অবরুদ্ধ অবস্থায় থেকে অসুস্থ হয়ে পড়লে নেয়া হয় হাসপাতালে। যেখানে জীবনাবসান ঘটে তার। জীবদ্দশায় ছিলেন বেফাকুল মাদরিসিলি আরাবিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর