channel 24

সর্বশেষ

  • ফ্যাভিপিরা ওষুধ ট্রায়ালে ৯৬ ভাগ রোগী সুস্থ, দাবি বিকন ফার্মার

  • চিকিৎসার নামে প্রতারণা: রিজেন্ট হাসপাতালের ৭ জন ৫ দিনের রিমান্ডে

  • রাতে ভিন্ন ম্যাচে নামছে লিভারপুল ও ম্যান সিটি

  • আগামী সপ্তাহে আদালতের স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম চালু করা হবে: আইনমন্ত্রী

  • লা লিগায় এস্পানিওলের বিপক্ষে মাঠে নামবে বার্সেলোনা

  • আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার বিল-২০২০ সংসদে পাশ

  • রিজেন্ট দুর্নীতি: গ্রেপ্তার ৮ আসামির ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন

  • সান্তোসের করা মামলা থেকে মুক্তি মিললো বার্সেলোনার

  • পূর্ব শত্রুতার জেরে ব্লেড দিয়ে শিশু সাদিয়াকে হত্যা করা হয়

  • মাস্ক-সুরক্ষাসামগ্রীর অনিয়মে জড়িত কেউই ছাড় পাবেন না: দুদক সচিব

  • করোনায় দেশে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪৮৯

  • ফাইনাল প্রফ পরীক্ষা দ্রুত আয়োজন করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

  • শেকলে বাঁধা জীবন

  • সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে বাঁধে ঠাঁই বহু পরিবারের

  • রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদকে খুঁজছে র‍্যাব

কোভিড-নাইনটিন মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রি কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

কোভিড-নাইনটিন মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রি কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

কোভিড-নাইনটিন মোকাবিলায় জরুরি সহায়তা ও প্রস্তুতি প্রকল্পে কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রকল্পের পরিচালক বলছেন, এর কোনো ভিত্তি নেই। কারণ সিডিসির গাইডলাইন অনুযায়ী পুরো কেনাকাটা করছে ঋণদাতা বিশ্বব্যাংক নিজেই।

কি যুক্তরাষ্ট্র কি বাংলাদেশ! করোনা মোকাবেলায় বিশ্বে আক্রান্ত প্রায় সব দেশই নাস্তানাবুদ। স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষায় নেই পর্যাপ্ত পিপিই বা পার্সনাল প্রটেকটিভ ইকুপমেন্ট, এন৯৫ মাস্ক, প্রপটেকটিভ শিল্ড, গাউন। বাংলাদেশে এমন পরিস্থিতি উত্তরনে একটি যৌথ প্রকল্প নেয় সরকার ও বিশ্বব্যাংক। যার মোট খরচ ১ হাজার ১২৭ কোটির ২৭৭ কোটি দেবে সরকার, ৮৫০ কোটি টাকা বিশ্বব্যাংকের। কিন্তু এমন প্রকল্পে কেনাকাটায় কতটা স্বচ্ছতা রয়েছে? এনিয়ে গণমাধ্যমে খবর  প্রকাশিত হলে যোগাযোগ করা হয় প্রকল্প পরিচালকের সাথে। তার দাবি, সবকিছুই কেনা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের মানদন্ড অনুযায়ী। আর সংস্থাটির দর অনুয়ায়ী ঠিক করা হয়েছে পণ্যের সম্ভাব্য দামও।

অনিয়মের সুযোগ নেই দাবি করে প্রকল্প পরিচালক জানান, বিশ্বব্যাংক নিজেই করবে কেনাকাটা। কেনা হতে পারে বাংলাদেশ কিংবা অন্যান্য দেশ থেকেও।

যেই কেনাকাটা করুক না কেন স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি টিআইবির।

আর পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, দামের বিষয়টি নিশ্চিত করা তার মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়।

এপ্রিল ২০২০ থেকে জুন ২০২৩ পর্যন্ত চলবে এই প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের দেয়া ঋণ ফেরত দিতে হবে ত্রিশ বছরের মধ্যে। যেখানে সুদের হার ১.২ শতাংশ।

 

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর