channel 24

সর্বশেষ

  • মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে নিয়োগের দাবিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধন

  • সরকারি প্রণোদনা পেতে করোনার সনদ জালিয়াতি

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমি অফিসের দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ সেবা গ্রহিতারা

  • মৌলভীবাজারে অবৈধ মজুদকৃত ৭০ টন পলিথিন জব্দ

  • কুষ্টিয়ায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধেও থামানো যাচ্ছে না নদীভাঙন

  • মহাখালীতে হচ্ছে ১০০০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার

  • সরকারি চাকরি যেন আলাদিনের চেরাগ

  • গাইবান্ধায় ১৭৪ বস্তা সরকারি চালসহ আটক ২

  • ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন

  • দেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি গ্লোব বায়োটেকের

  • এন 95 মাস্ক সরবরাহে দুর্নীতি, ৫ জনকে দুদকে তলব

  • শতবর্ষে পদার্পণের দিনে বিশ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ফেরানোর আশা

  • শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে জমি দিয়ে ৫ বছরেও ক্ষতিপূরণ পায়নি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদ

  • 'হলি আর্টিজান হামলার পর হাজারের বেশি জঙ্গি আইনের আওতায়'

  • বিদায় বিজনেস টাইকুন লতিফুর রহমান

লিবিয়ায় নিহতদের স্বজনরা মুক্তিপণের টাকা হাজী কামালকে দিয়েছিলেন

লিবিয়ায় নিহতদের স্বজনরা মুক্তিপণের টাকা হাজী কামালকে দিয়েছিলেন

গত ২৮ মে পাচারকালে লিবিয়ায় নৃশংসভাবে গুলি করে ২৬ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়। এছাড়া আরও ১১ বাংলাদেশি আহত হয়। এ মানবপাচারকারী চক্রের মূলহোতা ছিলো হাজী কামাল।

লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর নির্যাতন করে পাচারকারী চক্র পরিবারের কাছ থেকে যে মুক্তিপণের অর্থ আদায় করেছিল, তার সব টাকাই গেছে হাজী কামালের মাধ্যমে। সোমবার (১ জুন) রাজধানীর টিকাটুলি র‍্যাব-৩ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল রকিবুল হাসান।

তিনি জানান, লিবিয়ায় হত্যাকাণ্ডের পর নিহত ও আহতদের পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, সবাই হাজী কামালকে মুক্তিপণের টাকা দিয়েছে। তবুও কেউ সন্তানদের ফেরত পাননি। হাজী কামালকে গ্রেপ্তারের সময় পাওয়া ডায়েরিতেও টাকা নেয়ার তথ্য রয়েছে। কামাল নিজেও স্বীকার করেছেন টাকা নেয়ার কথা। আর কামাল এসব টাকার একটি অংশ বিদেশে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাত।

তিনি আরও জানান, কামালের কাছে পাওয়া ডায়েরিতে অন্তত ৪০০ ভিকটিম ও তার পরিবারের মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা পাওয়া গেছে। যাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছেন। ওই ডায়েরিতে ১০ জন দালালের তথ্য পেয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব-৩ সিও জানান, এই দালালরা ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা, গোপালগঞ্জ, কলকাতা, মুম্বাই, দুবাই, মিশর ও লিবিয়াতে পাচারের কাজ করে থাকে। তাদের নাম ঠিকানা সব পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম বলা হচ্ছে না। হাজী কামাল প্রায় ১৫ বছর ধরে ঢাকায় বাস করছেন। এর মধ্যে প্রায় এক যুগ ধরেই তিনি মানবপাচারে জড়িত। তার কাছ থেকে বিভিন্ন মানুষের ৩১টি পাসপোর্ট ও একাধিক ব্যাংকের চেক বই উদ্ধার করা হয়েছে। তার সম্পদের খোঁজ করা হবে। ব্যাংকের মাধ্যমে কোথায় কোথায় টাকা গেছে, তা জানার পর মানি লন্ডারিংয়ের মামলাও হবে তার বিরুদ্ধে।

লে. কর্নেল রকিবুল হাসান বলেন, তার কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি নেই। তিনি মূলত একজন টাইলস কনট্রাক্টর। প্রচুর পরিমাণে টাইলস শ্রমিক তার সংস্পর্শে আসে। এ সুযোগে সে তাদেরকে প্রলুব্ধ করে যে, লিবিয়াতে টাইলস মিস্ত্রীদের অনেক চাহিদা। সেখানে গেলে দিনে ৫/৬ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব। ইচ্ছুকদের কাছ থেকে মাত্র এক লাখ টাকা নিতেন, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর বাকি ৪/৫ লাখ টাকা পরিবারের কাছ থেকে শর্ত মতো আদায় করতেন বলেও জানান র‍্যাবের এ কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, 'লিবিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে যাওয়াদের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ লোকই কামালের মাধ্যমে গেছেন। কামালকে মাদারীপুর রাজৈর থানা ও কিশোরগঞ্জের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।'

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর