channel 24

সর্বশেষ

  • ১৮০ গ্রাম হিরোইনে যাবজ্জীবন সাজা ২ নারীর!

  • ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় রোমাঞ্চিত ৩ তরুণ

  • ফরিদপুরে উচ্চ ফলনশীল পাট বীজে ভালো ফলন হওয়ায় খুশি চাষিরা

  • ট্রাম্প সমর্থকদের স্বশস্ত্র বিক্ষোভের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার

  • আইসক্রিমেও করোনাভাইরাস!

  • ১১ বছরের শিশু ধর্ষক কিনা, তিন ধরনের রিপোর্ট; হাইকোর্টের ক্ষোভ

  • উত্তপ্ত সিরাজগঞ্জ, দোষীদের শনাক্তের দাবি পুলিশের

  • দিনাজপুরে ইউএনও'র ওপর হামলা মামলার চার্জ গঠন

  • মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে: সেনাপ্রধান

  • এমসি কলেজে ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ ২৪ জানুয়ারি

  • নোয়াখালীর হাতিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন

  • করোনার টিকা নিতে আগ্রহী নন বিশ্বের ৭২ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ

  • সৌদিতে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নতুন পাসপোর্ট দেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মহামারিতে এসেছে দেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

  • চট্টগ্রামে বিরামহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা

বেঁচে থাকার অবলম্বনের খোঁজে লাখো মানুষ

বেঁচে থাকার অবলম্বনের খোঁজে লাখো মানুষ

নেই ঘর, নেই ঠাঁই নেয়ার মতো কোনো জায়গা। অনাহারি মানুষ খুঁজছে বেঁচে থাকার একটু অবলম্বন। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে যে সব জায়গা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তার মধ্যে খুলনার কয়রা উপজেলা অন্যতম। ঝড়ের তাণ্ডবে আর জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড সব। ভিটে মাটি হারিয়ে কেউ ভাসছেন নৌকায়, কারও আশ্রয় রাস্তার ওপর খোলা আকাশের নিচে। কেউ কেউ বলছেন, ত্রাণ নয় জলের তোড়ে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ নির্মাণের কথা।

করোনার অদৃশ্য ছোবলের দুঃসময়ে আম্পানের দৃশ্যমান তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড দেশের দক্ষিণাঞ্চল। ডুবেছে ফসলের মাঠ, ডুবেছে বসতভিটা, ভেসে গেছে তিল তিল করে জমানো সম্পদ।

১'শ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের আম্পান নিমিষেই যেনো জীবনকে করে তুলেছে ভাসমান। এই যেমন মধ্যবয়সী হুমায়ুন কবীর। প্রতিবার যে বাঁধ ভেঙে দেয় ঘর, দিয়েছে এবারও, ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙলেও একবুক হতাশা নিয়ে বসে আছেন সেই ভাঙা বাঁধেই।

শুধু একজন হুমায়ুন কবীর কিংবা একটি গ্রাম নয় জলে ডোবা দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি গ্রামের চিত্রই এখন চোখের নোনাজল কান্নায়। ঝড় যেখানে কেড়ে নিয়েছে মানুষের প্রাণ, কেড়ে নিয়েছে অর্থনীতি আর বেঁচে থাকার এক টুকরো অবলম্বনও। 

নৌকা নিয়ে যেতে চাই ভাসমান মানুষের কাছে জানতে চাই হারানোর এমন মিছিলে, হারাবার কি আছে কিছু বাকি ? চাওয়াটাইবা কি আর পাওয়ার সমীকরনইবা কতোটুকু?

অনাহারে অর্ধাহারে কাটানো জীবনে এখন ঠাঁই বলতে নৌকার পাটাতন নয়তো ভেঙে যাওয়া বাঁধ, আর ডুবতে ডুবতে জেগে থাকা একটিমাত্র সড়ক। তবে সেই পথ জুড়েও তো দেখা নেই কারো আসছে না কোনো সহায়তা।   

শূণ্যতা ছেঁয়ে থাকা হৃদয়ে স্লোগানটা তাই এসো নিজেরাই করি। এছাড়া আর উপায়ইবা কি?

তবে চলছে সেনাবাহিনীর রেকি, সাথে তৎপর জেলা পরিষদও। বলছেন দ্রুতই শুরু হবে বাঁধের সংস্কার কাজ। এই দুঃসময়ে ত্রাণ নয় সবারই চাওয়া একটি বাঁধ এর যাতে ভেসে যাবে না ঘর, বরং বাঁধবে আরও মজবুত করে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর