channel 24

সর্বশেষ

  • সৌদিতে বাংলাদেশের বিমান চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নতুন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান

  • 'স্বাস্থের গাড়ি চালক মালেকের বিরুদ্ধে সব অভিযোগের দায় তার ব্যক্তিগত'

  • করোনার ২০০তম দিন স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ, বাড়ছে মৃত্যুর হার

  • সীমান্তে সংকট নিরসনে বিজিবি-বিএসএফ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে: রীভা গাঙ্গুলি

  • প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ ২৪ দিন বাড়ালো সৌদি সরকার

  • চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির দুর্নীতি বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, জানতে চান হাইকোর্ট

  • পুঁজিবাজারে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও'র অনুমোদন

  • কক্সবাজারে হাত ও পায়ের রগ কেটে মাকে হত্যা

  • কক্সবাজারে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া, ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

  • ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর অনিশ্চিত: বিসিবি

  • স্পেনেই থাকছেন লুইস সুয়ারেজ

  • আদার যত গুণ

  • করোনায় দেশে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬৬৬

  • শাপলা শুধু সৌন্দর্যই নয়, এখন রুটি-রুজির অংশ

বেঁচে থাকার অবলম্বনের খোঁজে লাখো মানুষ

বেঁচে থাকার অবলম্বনের খোঁজে লাখো মানুষ

নেই ঘর, নেই ঠাঁই নেয়ার মতো কোনো জায়গা। অনাহারি মানুষ খুঁজছে বেঁচে থাকার একটু অবলম্বন। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে যে সব জায়গা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তার মধ্যে খুলনার কয়রা উপজেলা অন্যতম। ঝড়ের তাণ্ডবে আর জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড সব। ভিটে মাটি হারিয়ে কেউ ভাসছেন নৌকায়, কারও আশ্রয় রাস্তার ওপর খোলা আকাশের নিচে। কেউ কেউ বলছেন, ত্রাণ নয় জলের তোড়ে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ নির্মাণের কথা।

করোনার অদৃশ্য ছোবলের দুঃসময়ে আম্পানের দৃশ্যমান তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড দেশের দক্ষিণাঞ্চল। ডুবেছে ফসলের মাঠ, ডুবেছে বসতভিটা, ভেসে গেছে তিল তিল করে জমানো সম্পদ।

১'শ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের আম্পান নিমিষেই যেনো জীবনকে করে তুলেছে ভাসমান। এই যেমন মধ্যবয়সী হুমায়ুন কবীর। প্রতিবার যে বাঁধ ভেঙে দেয় ঘর, দিয়েছে এবারও, ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙলেও একবুক হতাশা নিয়ে বসে আছেন সেই ভাঙা বাঁধেই।

শুধু একজন হুমায়ুন কবীর কিংবা একটি গ্রাম নয় জলে ডোবা দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি গ্রামের চিত্রই এখন চোখের নোনাজল কান্নায়। ঝড় যেখানে কেড়ে নিয়েছে মানুষের প্রাণ, কেড়ে নিয়েছে অর্থনীতি আর বেঁচে থাকার এক টুকরো অবলম্বনও। 

নৌকা নিয়ে যেতে চাই ভাসমান মানুষের কাছে জানতে চাই হারানোর এমন মিছিলে, হারাবার কি আছে কিছু বাকি ? চাওয়াটাইবা কি আর পাওয়ার সমীকরনইবা কতোটুকু?

অনাহারে অর্ধাহারে কাটানো জীবনে এখন ঠাঁই বলতে নৌকার পাটাতন নয়তো ভেঙে যাওয়া বাঁধ, আর ডুবতে ডুবতে জেগে থাকা একটিমাত্র সড়ক। তবে সেই পথ জুড়েও তো দেখা নেই কারো আসছে না কোনো সহায়তা।   

শূণ্যতা ছেঁয়ে থাকা হৃদয়ে স্লোগানটা তাই এসো নিজেরাই করি। এছাড়া আর উপায়ইবা কি?

তবে চলছে সেনাবাহিনীর রেকি, সাথে তৎপর জেলা পরিষদও। বলছেন দ্রুতই শুরু হবে বাঁধের সংস্কার কাজ। এই দুঃসময়ে ত্রাণ নয় সবারই চাওয়া একটি বাঁধ এর যাতে ভেসে যাবে না ঘর, বরং বাঁধবে আরও মজবুত করে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর