channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রামে সমন্বয়হীনতার কারণে হ-য-ব-র-ল অবস্থা স্বাস্থ্যখাতে

  • বাড়ছে মোবাইল ফোনে কথা বলার খরচ

  • বজ্রপাতে সারা দেশে নিহত ২২

  • এ মাসেও শুরু হচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা

  • জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেলো ভূমি মন্ত্রণালয়

  • পুলিশ-চিকিৎসকসহ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল

  • করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা যাবে ১ মিনিটেই!

  • করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম: প্রধানমন্ত্রী

  • সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও রেল ও নৌপথে যাত্রী কম

  • বরিশালে ইমামকে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

  • করোনায় অনিশ্চিত এ বছরের হজযাত্রা

  • করোনায় মারা গেছেন রানা প্লাজার মালিক আব্দুল খালেক

  • যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ গঠন

  • অর্থ সহায়তায় ও চাল বিক্রিতে অনিয়ম: এ পর্যন্ত ৮৭ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য বরখাস্ত

  • করোনায় প্রাণ গেল আরও এক পুলিশ সদস্যের

মহামারি সংক্রমণ আইন প্রথমবারের মতো কার্যকর, তবে মানছেন না কেউ

মহামারি সংক্রমণ আইন প্রথমবারের মতো কার্যকর, তবে মানছেন না কেউ

দেশে সংক্রামক আইন প্রথমবারের মত কার্যকর হলেও তা মানছেন না কেউ। আইন অনুযায়ী কেউ সংক্রমিত হলে বা তথ্য গোপন করলে সাজার বিধান রয়েছে, কিন্তু এরপরও এটি কার্যকর হচ্ছে না। সংক্রামক আইন বলছে, মহামারীর সময় কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কেবল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

করোনায় সরকারের দেয়া ঘরে থাকার নির্দেশনা অনেকেই মানছেন না। কেউ আবার লক্ষণ থাকলেও; তথ্য গোপন করে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে নিয়েছেন, চিকিৎসা। এমন পরিস্থিতিতে আইনে কী বলা আছে।

২০১৮ সালে তৈরি সংক্রামক প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইনে বলা হয়েছে, সংক্রামক ব্যধির তথ্য গোপনের কারণে, আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে রোগের বিস্তার ঘটলে, ওই ব্যক্তির সর্বোচ্চ ছয় মাসের জেল বা এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। আর মিথ্যা তথ্য দিলে, সর্বোচ্চ দুই মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, আক্রান্ত ব্যক্তির তথ্য কোথায় জানাতে হবে? সংক্রামক প্রতিরোধ আইন বলছে, কোনো বোর্ডিং, আবাসিক হোটেল বা অস্থায়ী বাসস্থানের মালিক, সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানাবেন। ওই দুই কর্মকর্তা সেটি নজরে আনবেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, কোন এলাকায় মহামারি সংক্রমণের রোগী থাকলে ঐ এলাকার চিকিৎসক তাঁকে চিকিৎসা সেবা দিতে বাধ্য এবং সেই সাথে তিনি অই জেলার সিভিল সার্জেনকে বিষয়টি অবহিত করবেন। সরকার সেই এলাকায় লকডাউন সহ যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

মহামারির সময় সংক্রামক ব্যধি রোধে, প্রশাসনকে নির্দেশনা দেবেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, সিভিল সার্জেনের কাছে যদি মহামারি আক্রান্ত এমন কোন তথ্য আসে তবে তিনি সাথে সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানাবেন। মহাপরিচালক তখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, নিউইয়র্কে প্রথম ২৩ দিনে ২১ জন রোগী ছিল আর আমাদের বাংলাদেশে প্রথম ২৩ দিনে ৫৯ জন রোগী ছিলো। তো আল্লাহই জানেন যে আমরা যদি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করি তবে আমাদের অবস্থা কি হতে পারে। তাই এখনই এই আইন ফলো করা উচিত।

এছাড়া, ডিজাস্টার ম্যানেজম্যান্ট আইন-২০১২ এ বলা হয়েছে, মহামারির সময়, সংক্রমণ রোধ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় আলাদাভাবে কাজ করবে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর