channel 24

সর্বশেষ

  • ফিক্সিং অভিযোগ তদন্তে সাঙ্গাকারা ও জয়াবর্ধনকে তলব

  • প্রস্তুত হচ্ছে মিরপুর সহ দেশের আট ক্রিকেট ভেন্যু

  • করোনা পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ পেসারদের: রুবেল

  • টয়োটাকে পেছনে ফেলে পুঁজিবাজারে শীর্ষস্থানে টেসলা

  • রোহিঙ্গাদের ৩০৪ কোটি টাকা দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

  • স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড

  • রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • বাজেটের কপি ছিঁড়ে সংসদের চরম অবমাননা করেছেন: কাদের

  • যেকোনো দুর্যোগে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • আবারও ক্রিকেটে ফিরতে মরিয়া পেসার আল আমিন

  • স্বাস্থ্য বিভাগ শতভাগ ভূমিকা পালন করতে পারছে না: সচিব

  • অপহরণের ৩ মাস পর ড্রামে মিললো ব্যবসায়ীর মরদেহ

  • বৈধ ভিসা নিয়ে যাওয়ার পরও ভারতে দুই মাস ধরে বন্দি ২৫ বাংলাদেশি

  • বরিশাল মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসককে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দুই কর্মচারীকে মারধর

  • লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু

দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে করোনা আক্রান্তের হার প্রায় ৫ শতাংশ

দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে করোনা আক্রান্তের হার প্রায় ৫ শতাংশ

দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার প্রায় ৫ শতাংশ। আর এখন বিদেশ ফেরত নয় এমন মানুষদের মাঝেও মিলছে কোডিভ-19। ফলে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে ভাইরাসটি বিস্তার। তাই আর বিলম্ব না করে দেশজুড়ে ব্যাপক চিকিৎসা প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

বলছেন, আলাদা হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি, সামরিক বাহিনীর পরিচালনায় স্থাপন করতে হবে ফিল্ড হসপিটাল। আর জেলা পর্যায়ে প্রস্তুত রাখতে হবে প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল টিম ও করোনা ইউনিট।

করোনা ভাইরাস। যার বিস্তৃতি ঘটে জ্যামিতিক হারে। পরিসংখ্যান বলছে, ইতালিতে ১ ফেব্রুয়ারিতে যখন আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো মাত্র ২ জন, তখন ৫০ দিনের ব্যবধানে তা ছাড়িয়ে যায় ৫৩ হাজারে।

বাংলাদেশেও কম নয়। ২৬ মার্চ পর্যন্ত ৯২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাস মিলেছে ৪৪ জনের শরীরে। এই হিসেবে সন্দেহভাজনদের মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশই কোভিড-১৯ আক্রান্ত। আর এখন এলাকা ভিত্তিক নমুনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইইডিসিআর।

এই যখন পরিস্থিতি, তখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন আর দেরি নয়, এখনই নিতে হবে ব্যাপক চিকিৎসা প্রস্তুতি।

আইইডিসিআর-এর তথ্য মতে ঢাকায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬টি হাসপাতাল। সংযুক্ত হয়েছে নতুন ২ হাজার বেড। তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সেনাবাহিনীর পরিচালনায় তাবু খাটিয়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিধি বাড়াতে হবে। আর প্রতিটি জেলায় স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আলাদা করোনা ইউনিট খুলতে হবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ালেও সেবা নিশ্চিত করতে হলে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর