channel 24

সর্বশেষ

  • অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

  • লকডাউনের পরও রাজধানীতে মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না

  • ব্যক্তিগত-প্রাতিষ্ঠানিক ত্রাণের তালিকায় নেই শিশু খাদ্য

  • নারায়ণগঞ্জে ডিসি, সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টিনে

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ৫ টাকায় সবজি বাজার

  • নাটোরের সিংড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পুরো গ্রাম লকডাউন

  • চট্টগ্রামে আরো তিনজন করোনারোগী সনাক্ত

  • বগুড়ায় গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী পলাতক

  • চাঁদপুর অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন

  • ঠাকুরগাঁওয়ে ওএমএস’র ৬৩০ বস্তা চাল জব্দ, আটক ১

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঠাকুরগাঁওয়ে আসায় ৯০ জন আটক

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু

  • ২৪ ঘন্টা সেবা দিতে প্রস্তুত ৬৪টি বেসরকারি হাসপাতাল

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ৮৮ হাজার ৫৬৭; আক্রান্ত প্রায় ১৫ লাখ

  • দেশে করোনায় ২৪ ঘন্টায় প্রাণহানি ১, নতুন করে শনাক্ত ১১২: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে করোনা আক্রান্তের হার প্রায় ৫ শতাংশ

দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে করোনা আক্রান্তের হার প্রায় ৫ শতাংশ

দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার প্রায় ৫ শতাংশ। আর এখন বিদেশ ফেরত নয় এমন মানুষদের মাঝেও মিলছে কোডিভ-19। ফলে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে ভাইরাসটি বিস্তার। তাই আর বিলম্ব না করে দেশজুড়ে ব্যাপক চিকিৎসা প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

বলছেন, আলাদা হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি, সামরিক বাহিনীর পরিচালনায় স্থাপন করতে হবে ফিল্ড হসপিটাল। আর জেলা পর্যায়ে প্রস্তুত রাখতে হবে প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল টিম ও করোনা ইউনিট।

করোনা ভাইরাস। যার বিস্তৃতি ঘটে জ্যামিতিক হারে। পরিসংখ্যান বলছে, ইতালিতে ১ ফেব্রুয়ারিতে যখন আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো মাত্র ২ জন, তখন ৫০ দিনের ব্যবধানে তা ছাড়িয়ে যায় ৫৩ হাজারে।

বাংলাদেশেও কম নয়। ২৬ মার্চ পর্যন্ত ৯২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাস মিলেছে ৪৪ জনের শরীরে। এই হিসেবে সন্দেহভাজনদের মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশই কোভিড-১৯ আক্রান্ত। আর এখন এলাকা ভিত্তিক নমুনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইইডিসিআর।

এই যখন পরিস্থিতি, তখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন আর দেরি নয়, এখনই নিতে হবে ব্যাপক চিকিৎসা প্রস্তুতি।

আইইডিসিআর-এর তথ্য মতে ঢাকায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬টি হাসপাতাল। সংযুক্ত হয়েছে নতুন ২ হাজার বেড। তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সেনাবাহিনীর পরিচালনায় তাবু খাটিয়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিধি বাড়াতে হবে। আর প্রতিটি জেলায় স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আলাদা করোনা ইউনিট খুলতে হবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ালেও সেবা নিশ্চিত করতে হলে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর