channel 24

সর্বশেষ

  • সিরাজগঞ্জে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ির আঙ্গিনায় গাঁজা চাষ, ১ নারী আটক

  • মর্নিং বার্ড লঞ্চ শত্রুতামূলকভাবে ডোবানো হয়েছে: নৌ পুলিশ

  • ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট করোনায় আক্রান্ত

  • ১৮২০ তৃণমূল ফুটবলার আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে

  • খুলনায় আটক পাটকলের ২ শ্রমিক নেতা কারাগারে

  • এশিয়া কাপ স্থগিতের শঙ্কায় আকরাম খান

  • করোনায় ফেনীর সিভিল সার্জনের মৃত্যু

  • ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

  • নানা পরিচয়ে একের পর এক ব্যবসা বাগিয়েছেন রিজেন্টের মালিক

  • বাংলাদেশ থেকে এক সপ্তাহের জন্য ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা দিলো ইতালি

  • মৃতের হাত বেঁধে টাকা আদায়: প্রশান্তি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

  • প্যাপিনোমেলনের পুষ্টিগুণ

  • মরিচ গাছের পাতা কুকড়ানো বা লিফ কার্ল রোগ

  • আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ঘেরে চিংড়ির রোগ নির্ণয় ভ্রাম্যমাণ মৎস্য ক্লিনিক

ভ্রাম্যমাণ আদালত সাজা দিয়েছেন কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফের মৃত বাবাকে?

ভ্রাম্যমাণ আদালত সাজা দিয়েছেন কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফের মৃত বাবাকে?

মধ্যরাতে বাড়িতে হানা দিয়ে মারধর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে। এরপর তার বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে বলে তাকে সাজা দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। কিন্তু সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে দোষ স্বীকারোক্তি পত্রে আসামীর নাম দেখানো মো. রফিকুল ইসলাম। আবার আসামীর বাবার নাম উল্লেখ করা হয়েছে মৃতঃ মো. রফিকুল ইসলাম। অথচ ভ্রাম্যমান আদালত আরিফুল ইসলামকে সাজা দেওয়ার যে দাবি জানিয়েছে সেখানে আরিফুল ইসলামের মৃত বাবাকে সাজা দেওয়ার বিষয়ে হাইকোর্টে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা দেওয়ার বৈধতা প্রশ্নে দায়ের করা রিটের শুনানিতে সোমবার (২৩ মার্চ) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব বিষয়ে তুলে ধরা হয়।

আদালতে সাংবাদিক আরিফের পক্ষে শুনানিতে আছেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

শুনানির শুরুতে আইনজীবী ইশরাত হাসান সাংবাদিক আরিফকে সাজা প্রদান সংক্রান্ত নথিপত্রের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরেন এবং এভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ নথি দিয়ে হাইকোর্টে উপস্থাপন কতটুকু আইনসম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক আরিফকে সাজা দেওয়া হয়েছে ১৩ মার্চ, অথচ সাজার কপিতে স্বাক্ষর করা হয়েছে ১৪ মার্চ। আবার সাজা দেওয়ার আগেই তাকে জেলে পাঠানো হলো, এটা কিভাবে সম্ভব? ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিতে আসামীর নাম এবং পিতার নাম একই লেখা হয় কিভাবে?

জবাবে আদালত বলেন, আমি নিজেও এসব নথি পড়েছি। প্রতিটা শব্দ পড়েছি। অনেক কিছু এখানে অসঙ্গতি পেয়েছি। যখন কেউ কোনো কাজ করে তখন তার পদচিহ্ন (ফুট প্রিন্ট) রেখে যায়।

ইশরাত হাসান বলেন, স্বীকারোক্তিতে আসামী আর বাবার নাম একই। সেখানে আসামীর নাম নেই। তাহলে কেন তাকে সাজা দেয়া হবে? তাহলে আরিফ তো সেই ব্যাক্তি না। এমনকি স্বীকারোক্তিতে আরিফের কি অপরাধ তারও কোন বর্ণনা নেই। এরপরও এ মামলায় আর কি থাকতে পারে? এ মামলায় এখন যদি নতুন করে আর কোন নথি আসে তাহলে তার দ্বারা আদালত মিস লিড হতে পারে। অ্যাটর্নি জেনারেল এই বিষয়ে তার বক্তব্যে বলেছেন, বাড়ি থেকে ধরে তুলে নিয়ে সাজা দেওয়া আইনসম্মত নয়। এছাড়াও দুজন সাক্ষ্যি তাদের সাক্ষ্যে একই বক্তব্য দিয়েছেন। আবার মদ ও গাজা একসাথে খাওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু একসাথে মদ ও গাজা কিভাবে খাওয়া যেতে পারে? এমনকি ঠিকানাও টেম্পারিং করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত মদ খাওয়ার অপরাধে সাজা দিয়েছে। কিন্তু গাজার অপরাধে সাজা দেয়নি। তাহলে গাজা কোথায় গেলো? এ মামলায় প্রতিটি বিষয় সাজানো হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের সাজায় এমন কোন জায়গা নেই যেখানে আরিফের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘণ হয়নি।

আইনজীবীর শুনানি শেষ হলে আদালত বলেন, যেহেতু তিনি (সাংবাদিক আরিফ) হাইকোর্টে এসেছেন। সেহেতু তিনি পিটিশনার হলে ভালো হবে। আপনারা তাকে পিটিশনার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করুণ। আমরা আদেশ দিতে চাই, নইলে অনেক কিছু মিস হয়ে যাবে।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ওনার (সাংবাদিক আরিফ) হাত ভাঙ্গা। তখন আদালত বলেন, প্রয়োজনে উনি টিপসই দিয়ে মামলার পিটিশনে স্বাক্ষর করুক। আমরা বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে দিচ্ছি। এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আমরা মামলাটি শুনতে চাই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর