channel 24

সর্বশেষ

  • নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্পূর্ণরূপে লকডাউন

  • বিশ্বে প্রাণহানি ৭৮ হাজার ছাড়ালো, জাপানে জরুরি অবস্থা জারি

  • অভিনব কায়দায় মাস্ক চুরি করলো যুক্তরাষ্ট্র!

  • করোনা আতঙ্কের মাঝে সুখবর দিলেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ

  • ২২০টি করোনা শনাক্তের কিট দিলেন সাবেক এমপি রুহী

  • করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

  • জামালপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুটি বিশেষ বাজার চালু

  • ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জবাসী, টাঙ্গাইল লকডাউন

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪ জনের মৃত্যু

  • চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়ায় রাস্তায় নবজাতক প্রসব

  • কর্মহীন হয়ে পড়া খেটে খাওয়া মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই

  • বান্দরবানে নিজস্ব উদ্যোগে সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ম্রো জনগোষ্ঠি

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেপ্তারের পর কারাগারে

  • লকডাউনের মাঝেই জার্মানিতে বায়ার্ন মিউনিখের অনুশীলন শুরু

  • মারা গেলেন ফুটবল কোচ রাদোমির অ্যান্টিচ

ভ্রাম্যমাণ আদালত সাজা দিয়েছেন কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফের মৃত বাবাকে?

ভ্রাম্যমাণ আদালত সাজা দিয়েছেন কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফের মৃত বাবাকে?

মধ্যরাতে বাড়িতে হানা দিয়ে মারধর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে। এরপর তার বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে বলে তাকে সাজা দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। কিন্তু সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে দোষ স্বীকারোক্তি পত্রে আসামীর নাম দেখানো মো. রফিকুল ইসলাম। আবার আসামীর বাবার নাম উল্লেখ করা হয়েছে মৃতঃ মো. রফিকুল ইসলাম। অথচ ভ্রাম্যমান আদালত আরিফুল ইসলামকে সাজা দেওয়ার যে দাবি জানিয়েছে সেখানে আরিফুল ইসলামের মৃত বাবাকে সাজা দেওয়ার বিষয়ে হাইকোর্টে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা দেওয়ার বৈধতা প্রশ্নে দায়ের করা রিটের শুনানিতে সোমবার (২৩ মার্চ) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব বিষয়ে তুলে ধরা হয়।

আদালতে সাংবাদিক আরিফের পক্ষে শুনানিতে আছেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

শুনানির শুরুতে আইনজীবী ইশরাত হাসান সাংবাদিক আরিফকে সাজা প্রদান সংক্রান্ত নথিপত্রের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরেন এবং এভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ নথি দিয়ে হাইকোর্টে উপস্থাপন কতটুকু আইনসম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক আরিফকে সাজা দেওয়া হয়েছে ১৩ মার্চ, অথচ সাজার কপিতে স্বাক্ষর করা হয়েছে ১৪ মার্চ। আবার সাজা দেওয়ার আগেই তাকে জেলে পাঠানো হলো, এটা কিভাবে সম্ভব? ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিতে আসামীর নাম এবং পিতার নাম একই লেখা হয় কিভাবে?

জবাবে আদালত বলেন, আমি নিজেও এসব নথি পড়েছি। প্রতিটা শব্দ পড়েছি। অনেক কিছু এখানে অসঙ্গতি পেয়েছি। যখন কেউ কোনো কাজ করে তখন তার পদচিহ্ন (ফুট প্রিন্ট) রেখে যায়।

ইশরাত হাসান বলেন, স্বীকারোক্তিতে আসামী আর বাবার নাম একই। সেখানে আসামীর নাম নেই। তাহলে কেন তাকে সাজা দেয়া হবে? তাহলে আরিফ তো সেই ব্যাক্তি না। এমনকি স্বীকারোক্তিতে আরিফের কি অপরাধ তারও কোন বর্ণনা নেই। এরপরও এ মামলায় আর কি থাকতে পারে? এ মামলায় এখন যদি নতুন করে আর কোন নথি আসে তাহলে তার দ্বারা আদালত মিস লিড হতে পারে। অ্যাটর্নি জেনারেল এই বিষয়ে তার বক্তব্যে বলেছেন, বাড়ি থেকে ধরে তুলে নিয়ে সাজা দেওয়া আইনসম্মত নয়। এছাড়াও দুজন সাক্ষ্যি তাদের সাক্ষ্যে একই বক্তব্য দিয়েছেন। আবার মদ ও গাজা একসাথে খাওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু একসাথে মদ ও গাজা কিভাবে খাওয়া যেতে পারে? এমনকি ঠিকানাও টেম্পারিং করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত মদ খাওয়ার অপরাধে সাজা দিয়েছে। কিন্তু গাজার অপরাধে সাজা দেয়নি। তাহলে গাজা কোথায় গেলো? এ মামলায় প্রতিটি বিষয় সাজানো হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের সাজায় এমন কোন জায়গা নেই যেখানে আরিফের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘণ হয়নি।

আইনজীবীর শুনানি শেষ হলে আদালত বলেন, যেহেতু তিনি (সাংবাদিক আরিফ) হাইকোর্টে এসেছেন। সেহেতু তিনি পিটিশনার হলে ভালো হবে। আপনারা তাকে পিটিশনার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করুণ। আমরা আদেশ দিতে চাই, নইলে অনেক কিছু মিস হয়ে যাবে।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ওনার (সাংবাদিক আরিফ) হাত ভাঙ্গা। তখন আদালত বলেন, প্রয়োজনে উনি টিপসই দিয়ে মামলার পিটিশনে স্বাক্ষর করুক। আমরা বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে দিচ্ছি। এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আমরা মামলাটি শুনতে চাই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর