channel 24

সর্বশেষ

  • নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্পূর্ণরূপে লকডাউন

  • বিশ্বে প্রাণহানি ৭৮ হাজার ছাড়ালো, জাপানে জরুরি অবস্থা জারি

  • অভিনব কায়দায় মাস্ক চুরি করলো যুক্তরাষ্ট্র!

  • করোনা আতঙ্কের মাঝে সুখবর দিলেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ

  • ২২০টি করোনা শনাক্তের কিট দিলেন সাবেক এমপি রুহী

  • করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

  • জামালপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুটি বিশেষ বাজার চালু

  • ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জবাসী, টাঙ্গাইল লকডাউন

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪ জনের মৃত্যু

  • চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়ায় রাস্তায় নবজাতক প্রসব

  • কর্মহীন হয়ে পড়া খেটে খাওয়া মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই

  • বান্দরবানে নিজস্ব উদ্যোগে সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ম্রো জনগোষ্ঠি

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেপ্তারের পর কারাগারে

  • লকডাউনের মাঝেই জার্মানিতে বায়ার্ন মিউনিখের অনুশীলন শুরু

  • মারা গেলেন ফুটবল কোচ রাদোমির অ্যান্টিচ

এ বছর রোহিঙ্গাদের জন্য ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

এ বছর রোহিঙ্গাদের জন্য ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং সহযোগী এনজিও সমূহ রোহিঙ্গা মানবিক সঙ্কট মোকাবেলায় ২০২০ সালের যৌথ কর্ম পরিকল্পনা বা জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান (জেআরপি) ঘোষনা করেছে আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ)।

বিগত বছরগুলোর প্রচেষ্টা এবং সফলতার ভিত্তিতে এ বছর ৮৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে  মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় ৮,৫৫,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং রোহিঙ্গাদের উদারভাবে আশ্রয়প্রদানকারী প্রায় ৪,৪৪,০০০-এরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাংলাদেশী জনগনের চাহিদা পূরণ করা হবে।

সামগ্রিকভাবে মোট আপিলের প্রায় ৫৫ শতাংশই প্রয়োজন হবে খাদ্য, আশ্রয়ণ, নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশনসহ প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা প্রদানের জন্য। আর শুধু খাদ্যনিরাপত্তার জন্য মোট তহবিলের প্রায় ২৯ শতাংশ ব্যয় হবে।

এছাড়াও স্থানীয় বাংলাদেশীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, শিক্ষা, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, জ্বালানী এবং পরিবেশ সংক্রান্ত কার্যক্রমগুলো অব্যহত রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী আগমনের প্রথম দিন থেকেই মানবিক কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অর্জনসমূহ লক্ষণীয়। তবে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যতদিন না স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদা সহকারে তাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে পারছেন, ততদিন পর্যন্ত এই সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার এবং মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাসমূহের জন্য সুদৃঢ় বৈশ্বিক সংহতি এবং তহবিল অপরিহার্য। যাতে শরণার্থী এবং বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যহত রাখা যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর