channel 24

সর্বশেষ

  • রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা

  • মালদ্বীপে বকেয়া বেতনের দাবিতে পুলিশের সাথে শ্রমিকদের সংঘর্ষ, ৩৯ বাংলাদেশি আটক

  • পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বিধায়কের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • থমকে যাওয়া সেই নৌপথে আবারও দুরন্ত গতিতে ছুটবে জলযান

  • সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

  • দু'বছর ধরে লাইসেন্স ছাড়াই লাজ ফার্মার ব্যবসা

  • জাভি হার্নান্দেজই হচ্ছেন বার্সেলোনার কোচ: ক্লাব প্রেসিডেন্ট

  • আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে বাধা নেই ম্যান ইউ'র

  • টাকা চাইলেই পাওনাদারদের ওপর নামতো জেকেজির নির্যাতনের খড়গ

  • বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ১০টি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে

  • হজ্জ্ব ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিন শেষে বাড়ি ফিরলো ৯৬ কুয়েত প্রবাসী

  • সর্দিজ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ৬ জনের মৃত্যু

  • ৭ মার্চকে 'জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস' ঘোষণার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় সম্মতি

  • লাজ ফার্মায় র‌্যাবের অভিযান

  • সাবরিনার কাছে রিমান্ডে মিলতে পারে ভুয়া করোনা সনদ বাণিজ্যের তথ্য

এ বছর রোহিঙ্গাদের জন্য ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

এ বছর রোহিঙ্গাদের জন্য ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং সহযোগী এনজিও সমূহ রোহিঙ্গা মানবিক সঙ্কট মোকাবেলায় ২০২০ সালের যৌথ কর্ম পরিকল্পনা বা জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান (জেআরপি) ঘোষনা করেছে আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ)।

বিগত বছরগুলোর প্রচেষ্টা এবং সফলতার ভিত্তিতে এ বছর ৮৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে  মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় ৮,৫৫,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং রোহিঙ্গাদের উদারভাবে আশ্রয়প্রদানকারী প্রায় ৪,৪৪,০০০-এরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাংলাদেশী জনগনের চাহিদা পূরণ করা হবে।

সামগ্রিকভাবে মোট আপিলের প্রায় ৫৫ শতাংশই প্রয়োজন হবে খাদ্য, আশ্রয়ণ, নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশনসহ প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা প্রদানের জন্য। আর শুধু খাদ্যনিরাপত্তার জন্য মোট তহবিলের প্রায় ২৯ শতাংশ ব্যয় হবে।

এছাড়াও স্থানীয় বাংলাদেশীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, শিক্ষা, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, জ্বালানী এবং পরিবেশ সংক্রান্ত কার্যক্রমগুলো অব্যহত রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী আগমনের প্রথম দিন থেকেই মানবিক কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অর্জনসমূহ লক্ষণীয়। তবে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যতদিন না স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদা সহকারে তাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে পারছেন, ততদিন পর্যন্ত এই সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার এবং মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাসমূহের জন্য সুদৃঢ় বৈশ্বিক সংহতি এবং তহবিল অপরিহার্য। যাতে শরণার্থী এবং বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যহত রাখা যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর