channel 24

সর্বশেষ

  • সিলেটে বেশিরভাগ হাসপাতালে মিলছে না কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা

  • করোনায় মধ্যবিত্তদের সহায়তায় সিএমপির 'চলছে গাড়ি, মধ্যবিত্তের বাড়ি' কর্মসূচী

  • করোনায় মৃতদেহ সৎকারে বিপাকে বিশ্বের সব দেশ

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি প্রায় ৫৯ হাজার; আক্রান্ত ১০ লাখের বেশি

  • ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মানুষের ঢল

  • পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা নেই রাজধানীর কাঁচাবাজারে

  • ব্রিটেনে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৬৮৪ জনের প্রাণহানি

  • চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত প্রথম একজন শনাক্ত, বাড়ি লকডাউন

  • সাধারণ ছুটিতে বিপাকে ছিন্নমূল ও খেটেখাওয়া মানুষেরা

  • করোনার থাবায় নাস্তানাবুদ গোটা বিশ্ব, আক্রান্ত ছাড়ালো ১০ লাখ

  • খুলনায় বেশিরভাগ হাসপাতালে মিলছে না চিকিৎসা, ভোগান্তিতে রোগীরা

  • কিশোরগঞ্জে অটোরিকশার সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত ১

  • যে ছবি ভাইরাল হয়েছে

  • অনেক পণ্যের দাম কমলেও চট্টগ্রামে বেড়েছে চাল, ডালের মূল্য

  • একমাস লকডাউনের ঘোষণা সিঙ্গাপুরের

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‍্যাবের সর্বশেষ প্রতিবেদনে যা আছে

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‍্যাবের সর্বশেষ প্রতিবেদনে যা আছে

সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্তের আগ্রগতি প্রতিবেদন ও মামলার সন্দেহভাজন আসামি তানভীরের সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা।

আজ সোমবার দুপুরে এটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এতে সন্দেহভাজন আসামি তানভীর রহমান সম্পর্কে বলা হয়, ফেসবুকের মাধ্যমে রুনির সঙ্গে আসামি তানভীর রহমানের প্রথম পরিচয় হয় ২০১০ সালে। দেশে ফেরার পর ২০১১ সালে সামনাসামনি দেখা হয়। তাদের সঙ্গে প্রতিদিন বেশ কয়েকবার ফোনে আলাপ হতো এবং তারা দেখা সাক্ষাৎ করতেন। নানাবিধ তথ্য-উপাত্ত ফেসবুকের ছবি ও মেসেজ ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা হয়। হত্যাকাণ্ডের আগের দিন অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ও রুনি ও তানভীরের মধ্যে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ ও মেসেজ বিনিময় হয়। ঐদিন তারা বিকেল পাঁচটায় ধানমন্ডি লেকে দেখা করেন এবং সাতটা পর্যন্ত ছিলেন। ঘটনার রাতে আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে রুনির সাথে তানভীরের শেষ যোগাযোগ হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সকাল আটটায় তানভীর স্কুলের পিকনিকে অংশ নিতে পুবাইলে যান। রাতে ফিরে এসে টেলিভিশনে রুনির হত্যার ঘটনা জানতে পারে। মোবাইল কল লিস্ট সকাল ৭টা ২১ মিনিটে রুনির ফোন থেকে তানভীরের ফোনে কল যায়। প্রতিদিন তাদের মধ্যে একাধিকবার কথা হলেও হত্যার দিন তানভীর একবারও ফোন করেননি। এমনকি রাতে হত্যার খবর জানার পরও এ বিষয়ে কোনো খোঁজখবর নেয়নি বা তাদের জানাজাসহ কোনো ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেননি।

আসামি তানভীর রহমানের ঘটনার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী আচরণ খুবই রহস্যজনক। তাহাকে এই মামলার ঘটনায় জড়িত নয় একথা এ পর্যায়ে বলা যুক্তিযুক্ত হবে না  বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সেই সাথে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয় ঘটনাস্থলেই দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া গেছে।

তদন্তকালে দুইজন অজ্ঞাত পুরুষ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে ব্যাপক তদন্ত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী সাগরকে বাঁধার জন্য ব্যবহৃত চাদর এবং টি-শার্ট হতে প্রাপ্ত নমুনায় প্রতীয়মান হয় উক্ত হত্যাকাণ্ডে কমপক্ষে দুজন অপরিচিত পুরুষ জড়িত ছিল।

হাইকোর্টের নির্দেশে আগামী ৪ মার্চ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর