channel 24

সর্বশেষ

  • 'সাহারা খাতুন ছিলেন রাজপথে আন্দোলনের বলিষ্ঠ কণ্ঠ'

  • মিরপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর ৮ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • রাজস্ব আদায়ে অশনিসংকেত; সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা

  • রাস্তায় নারীর মরদেহ; সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মিললো খুনির হদিস

  • মৌলভীবাজারে চুরির অপবাদে দুই শিশুকে নির্যাতন

  • হাটহাজারীতে করোনা আক্রান্তদের পাশে তরুণরা

  • সুনামগঞ্জে নদীর পানি বাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলী ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ঝিনাইদহে ঐতিহ্যবাহী তেঁতুল গাছ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

  • 'সাহেদের অপকর্ম সম্পর্কে জানতে সময় লাগলেও ছাড় নয়'

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইএক্সপি যাচ্ছে অনলাইনে; চট্টগ্রাম কাস্টমসে শুল্কায়ন শুরু

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ছুটছে ম্যান ইউ'র জয়রথ

  • করোনার ভুয়া সনদকাণ্ডে ইতালিতে বিপাকে বাংলাদেশিরা

  • দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯৪৯

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‍্যাবের সর্বশেষ প্রতিবেদনে যা আছে

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় র‍্যাবের সর্বশেষ প্রতিবেদনে যা আছে

সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্তের আগ্রগতি প্রতিবেদন ও মামলার সন্দেহভাজন আসামি তানভীরের সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা।

আজ সোমবার দুপুরে এটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এতে সন্দেহভাজন আসামি তানভীর রহমান সম্পর্কে বলা হয়, ফেসবুকের মাধ্যমে রুনির সঙ্গে আসামি তানভীর রহমানের প্রথম পরিচয় হয় ২০১০ সালে। দেশে ফেরার পর ২০১১ সালে সামনাসামনি দেখা হয়। তাদের সঙ্গে প্রতিদিন বেশ কয়েকবার ফোনে আলাপ হতো এবং তারা দেখা সাক্ষাৎ করতেন। নানাবিধ তথ্য-উপাত্ত ফেসবুকের ছবি ও মেসেজ ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা হয়। হত্যাকাণ্ডের আগের দিন অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ও রুনি ও তানভীরের মধ্যে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ ও মেসেজ বিনিময় হয়। ঐদিন তারা বিকেল পাঁচটায় ধানমন্ডি লেকে দেখা করেন এবং সাতটা পর্যন্ত ছিলেন। ঘটনার রাতে আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে রুনির সাথে তানভীরের শেষ যোগাযোগ হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সকাল আটটায় তানভীর স্কুলের পিকনিকে অংশ নিতে পুবাইলে যান। রাতে ফিরে এসে টেলিভিশনে রুনির হত্যার ঘটনা জানতে পারে। মোবাইল কল লিস্ট সকাল ৭টা ২১ মিনিটে রুনির ফোন থেকে তানভীরের ফোনে কল যায়। প্রতিদিন তাদের মধ্যে একাধিকবার কথা হলেও হত্যার দিন তানভীর একবারও ফোন করেননি। এমনকি রাতে হত্যার খবর জানার পরও এ বিষয়ে কোনো খোঁজখবর নেয়নি বা তাদের জানাজাসহ কোনো ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেননি।

আসামি তানভীর রহমানের ঘটনার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী আচরণ খুবই রহস্যজনক। তাহাকে এই মামলার ঘটনায় জড়িত নয় একথা এ পর্যায়ে বলা যুক্তিযুক্ত হবে না  বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সেই সাথে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয় ঘটনাস্থলেই দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া গেছে।

তদন্তকালে দুইজন অজ্ঞাত পুরুষ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে ব্যাপক তদন্ত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী সাগরকে বাঁধার জন্য ব্যবহৃত চাদর এবং টি-শার্ট হতে প্রাপ্ত নমুনায় প্রতীয়মান হয় উক্ত হত্যাকাণ্ডে কমপক্ষে দুজন অপরিচিত পুরুষ জড়িত ছিল।

হাইকোর্টের নির্দেশে আগামী ৪ মার্চ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর