channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় বিবর্ণ বৈশাখের রং, ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

  • গ্রেপ্তার এড়াতে নিজেকে করোনায় আক্রান্ত বললো আসামি!

  • করোনায় ঘরবন্দি কোটি কোটি মানুষ, বাড়ছে পারিবারিক সহিংসতা

  • শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতে বিকল্প পথ খোঁজার পরামর্শ

  • চট্টগ্রামে সরকারি চালের বস্তা পরিবর্তন করে কারসাজি

  • লিগ পূর্ণাঙ্গ না হলে ইপিএলে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির শঙ্কা

  • করোনা সংক্রমণ রোধে মাঠে নেমেছে রংপুরের তরুণ সমাজ

  • পর্যটন নগরী কক্সবাজার লকডাউন

  • রাষ্ট্রপতির কাছে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন

  • ফুটবলারদের চুক্তি বৃদ্ধি ও গ্রীষ্মকালীন দলবদল স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব ফিফার

  • দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের গ্রেপ্তারে গোটা জাতি উল্লসিত: তোফায়েল

  • করোনায় বিপাকে পাবনার দুগ্ধ খামারীরা, নামমাত্র মূল্যে বিক্রি

  • করোনায় বদলে গেছে বাজার চিত্র, রমজান উপলক্ষ্যে চাপ নেই কেনাকাটায়

  • করোনায় অদ্ভুত আঁধারে বিশ্ব

ফের বাড়লো বিদ্যুতের দাম

ফের বাড়লো বিদ্যুতের দাম

দুই বছর পর আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম। মার্চ থেকে গ্রাহককে ইউনিট প্রতি দাম বেশি দিতে হবে ৩৬ পয়সা। বৃহস্পতিবার বিকালে এই আদেশ ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। মাত্রাতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা কমাতে তেলভিত্তিক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেয়াদ না বাড়ানোরও আদেশ দিয়েছে বিইআরসি। অন্যদিকে দাম কমাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভোক্তারা। আর দাম বাড়ানোকে অন্যায় বলেছেন একজন বিশেষজ্ঞ।

গত ডিসেম্বরের গনশুনানিতে ভোক্তা প্রতিনিধিদের করা আশংকাই শেষ পর্যন্ত সত্য হলো। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিট প্রতি ৩৬ পয়সা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আদেশ ঘোষণা করেছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

মূলত পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিরই প্রভাব পড়েছে খুচরা পর্যায়ে। যদিও বিতরনকারি প্রতিষ্ঠানগুলির প্রস্তাবনার চেয়েও কম হারে দর বাড়িয়েছে কমিশন। এজন্য সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে।

সংবাদ সম্মেলনে, মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের কারণে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে কিনা এ প্রশ্নে কমিশন বলছেন, রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের মেয়াদ না বাড়ানোর আদেশ দিয়েছেন তারা।

কমিশনের যে সদস্যরা গণশুনানিতে ছিলেন সবারই মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে কয়েক দিন আগে। নতুন নিয়োগ পাওয়ারাই দাম বাড়ানোর আদেশ ঘোষণা করেন। এতে আইনের কোন ব্যত্যয় হয়নি বলে দাবি তাদের।

এদিকে দাম বৃদ্ধির পরপরই ভোক্তারা এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গরমে খুব বেশি হলে, সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু এই মুহুর্তে উৎপাদন ক্ষমতা চাহিদার চেয়ে দ্বিগুন। এই ক্ষমতা অর্জনের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র অলস বসে থাকলেও ২ বছরে সরকারের খরচ প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা।

সবশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বরে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করে আদেশ দিয়েছিল এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

মার্চ থেকে কার্যকর হবে নতুন এই বিদ্যুতের দাম। ইউইট প্রতি বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৩৬ পয়সা। অর্থাৎ খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা করা হয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বরে পাইকারি বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ায় সরকার, যা ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

তাতে আবাসিকে মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়ে ১৫ টাকা, ১৫০ ইউনিটে ৪৮ টাকা, ২৫০ ইউনিট পর্যন্ত ৯০ টাকা, ৪৫০ ইউনিট পর্যন্ত ১৯৬ টাকা এবং ১০০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের খরচ বাড়ে ৬০৪ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর