channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

  • দিনাজপুরে গোলাগুলিতে ২ ডাকাত নিহত, আহত ৪ পুলিশ

  • টটেনহ্যামের মাঠে জয় লাইপজিগের

  • ভ্যালেন্সিয়াকে বিধ্বস্ত করলো আটালান্টা

  • কাল শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

  • ফের স্বর্ণের দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতা-বিক্রেতারা

  • চট্টগ্রাম সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আ.লীগ

  • অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

  • করোনা ভাইরাসে প্রাণহানি কিছুটা বেড়েছে, তবে কমেছে আক্রান্তের হার

  • 'বর্ণবাদের' অভিযোগ তিন সাংবাদিককে বহিষ্কার করলো চীন

  • ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনঃমূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • ঢাকার চারপাশে নদীপাড়ে ধর্মীয় স্থাপনা না ভেঙে সংস্কার করবে সরকার

  • ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়: ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

  • চুড়িহাট্টায় আগুনে মারা যাওয়া ৩ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি

  • পরীক্ষা হলে সাহায্য না করায় সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত, আটক ১

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হলো স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হলো স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো এবছরের স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন। এবার দেশের ২২ হাজার ৯২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৯১৬ জন শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। আর প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছে আড়াই লাখের বেশি শিক্ষার্থী। স্কুল জীবনেই ভোট দিতে পেরে উচ্ছসিত ভোটাররা।

সারিবদ্ধ লাইনে মত প্রকাশের প্রতীক্ষায় খুদে শিক্ষার্থীরা। স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচনে ভোটার হতে এই শিক্ষার্থীদের, এখনও অপেক্ষা করতে হবে, আরো অন্তত ৫-৭ বছর। তাই, স্কুল জীবনেই ভোটের অভিজ্ঞতা মেলায় উল্লসিত তারা।

শিশুকাল থেকে গণতন্ত্রের চর্চা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করতে সরকারে এই উদ্যোগের শুরু ২০১৫ সালে। এ বছর সব মিলিয়ে ২২ হাজার ৯২৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসায় হচ্ছে নির্বাচন। ভোট দেবে ১১ কোটি ৫৫ লাখ ৩ হাজার ৯১৬ জন। প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন, আড়াই লাখের বেশি। একজন দিতে পারবেন ৮ টি ভোট।

এক বছর মেয়াদী এই সংসদের নির্বাচিত হলে, নিজ স্কুলে আরো সুন্দর পরিবেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রতিদ্বন্দ্বীদের।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি স্কুলের নির্বাচন পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নেতা নির্বাচন করছে। সেই নেতার নির্দেশনা মেনে চলছে। পড়ালেখার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের নানা ধরনের কর্মকাণ্ড যুক্ত হচ্ছে। এতে করে ওই ছাত্র-ছাত্রীর নিজের দায়িত্ব সর্ম্পকে সচেতন, নিজের মূল্যবোধ তৈরিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও উন্নয়ন হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সকল স্থানে একজন দলনেতা মানতে হয়, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে সেই জ্ঞানার্জন করতে পারছে। শিশুকাল থেকে গণতন্ত্রের চর্চা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারছে। অন্যের মতের প্রতি সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন, শিখন শেখানোর কার্যক্রমে শিক্ষকদের সহায়তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ভর্তি ও ঝরে পড়া রোধে সহায়তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ও ক্রীড়া, সাংস্কৃতিকসহ সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শিখছে।

তিনি আরও বলেন, এ নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবে তারা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে, আর যারা নির্বাচিত হবে না তারা মন খারাপ না করে বিজয়ীদের সঙ্গে থেকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে।

এই নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাঁদের নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে অল্প বয়স থেকেই সচেতন হবে এমনটাই দাবী করছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে স্কুলের পর যদি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এই ধরণের নির্বাচনের আয়োজন না করা হয় তাহলে এই প্রচেষ্টা যে আসলে সফল কতটা হবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন থকেই যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর