channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রামে বিরামহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা

  • ব্রিসবেন টেস্টের তৃতীয় দিনে ৫৪ রানে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া

  • পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অযৌক্তিক ও অনৈতিক: সচিব

  • বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ ঘিরে সিএমপি'র বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা

  • করোনায় দেশে আরও ২১ জনের মৃত্যু

  • ইভিএমে কারসাজিতে ভোট চুরি করেছে আওয়ামী লীগ: ফখরুল

  • টেকনাফে বিজিবির অভিযান; ৫ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

  • বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশেষ জার্সি পরে খেলবেন ক্রিকেটাররা

  • মানবিক পুলিশ মেহেদী, বেতনের টাকায় সহায়তা করছেন অর্ধশত পরিবারকে

  • বইমেলা ফেব্রুয়ারি বা মার্চে আয়োজনের চিন্তাভাবনা

  • ১৯ জানুয়ারি মিয়ানমার-বাংলাদেশ-চীন ত্রিপক্ষীয় ভার্চুয়াল বৈঠক

  • এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার বিচার শুরু

  • মানবদেহে করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্সের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে আবেদন

  • সিরাজগঞ্জে বিজয়ী কাউন্সিলর হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

  • চলচ্চিত্রের উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

'আদালতের এই আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে'

'আদালতের এই আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে'

মিয়ানমার এতদিন রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধের কথা অস্বীকার করলেও আন্তর্জাতিক আদালতের এই আদেশের মধ্য দিয়ে তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হয়েছে। এমনটাই মনে করেন কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা।

আর বিশেষজ্ঞ এবং রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে  কাজ করা সংগঠনের নেতারা বলছেন, এই আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে। সেইসাথে সহজ হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন।

আন্তর্জাতিক আদালতের এই আদেশে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী তানজীব উল আলম ও খুরশীদ আলম খান মনে করেন, এটি মানবতার জন্য বড় জয়।

রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এ আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়বে।

আইনজীবী, বিশেষজ্ঞ ও এনজিওকর্মীদের মতে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের এই আদেশ প্রমাণ করে, কোনো রাষ্ট্রই বিচারের ঊর্ধ্বে নয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ধোপে টিকলো না মিয়ানমারের দাবি। রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে দেশটির বিরুদ্ধে সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তী আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাম্বিয়ার মামলায় আজ এ আদেশ দেয়া হয়। আদালত জানান, রাখাইনে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে সু চি প্রশাসন। মিয়ানমারকে তাগিদ দেন জেনোসাইড কনভেনশন মেনে চলার।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আদেশ ঘোষণার শুরুতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত-আইসিজের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ।

আইসিজে জানান, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টি আদালতের নজরে এসেছে। বলেন, নিপীড়নে জড়িত সেনাদের বিচার করতে হবে। পরে, মিয়ানমারে থাকা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন আদালত। ৪ মাসের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে হবে মিয়ানমারকে।

৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ-

১. রোহিঙ্গাদের হত্যা, মানসিক-শারীরিক নিপীড়ন ও ইচ্ছাকৃত আঘাত করা যাবে না। জন্ম নিয়ন্ত্রণে বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না।

২. গণহত্যা, গণহত্যার প্রচেষ্টা বা ষড়যন্ত্র না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ।

৩. গণহত্যার যেসব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তা ধ্বংস করা যাবে না।

৪. মিয়ানমার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে তা অবশ্যই ৪ মাসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। চূড়ান্ত সিদ্বান্তর আগ পর্যস্ত ৬ মাস পরপর প্রতিবেদন দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর