channel 24

সর্বশেষ

  • কুমিল্লা মেডিকেলে করোনা চিকিৎসা নিয়ে নানা প্রশ্ন

  • সাহারা খাতুনের দাফন সম্পন্ন

  • চলতি বছরেই শুরু দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দরের কার্যক্রম

  • এখনও স্থবিরতা কাটেনি রাজধানীর শপিং মলগুলোতে কেনাকাটায়

  • গত অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়; একমাত্র বেড়েছে পাট পণ্যের চাহিদা

  • করোনা পরীক্ষায় র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি টেস্ট পদ্ধতি চালু করতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট হাসপাতালে বিল নিয়ে বাহাস ছিল নিত্যদিনের ঘটনা

  • সাহেদের প্রতারণায় নিঃস্ব চট্টগ্রামের অনেক ব্যবসায়ী

  • সাহারা খাতুনের মরদেহ ঢাকায়, জানাজা শেষে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে

  • তিস্তার পানি ফের বিপৎসীমার উপরে

  • 'সাহারা খাতুন ছিলেন রাজপথে আন্দোলনের বলিষ্ঠ কণ্ঠ'

  • মিরপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর ৮ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • রাজস্ব আদায়ে অশনিসংকেত; সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা

  • রাস্তায় নারীর মরদেহ; সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মিললো খুনির হদিস

'আদালতের এই আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে'

'আদালতের এই আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে'

মিয়ানমার এতদিন রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধের কথা অস্বীকার করলেও আন্তর্জাতিক আদালতের এই আদেশের মধ্য দিয়ে তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হয়েছে। এমনটাই মনে করেন কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা।

আর বিশেষজ্ঞ এবং রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে  কাজ করা সংগঠনের নেতারা বলছেন, এই আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে। সেইসাথে সহজ হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন।

আন্তর্জাতিক আদালতের এই আদেশে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী তানজীব উল আলম ও খুরশীদ আলম খান মনে করেন, এটি মানবতার জন্য বড় জয়।

রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এ আদেশের ফলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়বে।

আইনজীবী, বিশেষজ্ঞ ও এনজিওকর্মীদের মতে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের এই আদেশ প্রমাণ করে, কোনো রাষ্ট্রই বিচারের ঊর্ধ্বে নয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ধোপে টিকলো না মিয়ানমারের দাবি। রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে দেশটির বিরুদ্ধে সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তী আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাম্বিয়ার মামলায় আজ এ আদেশ দেয়া হয়। আদালত জানান, রাখাইনে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে সু চি প্রশাসন। মিয়ানমারকে তাগিদ দেন জেনোসাইড কনভেনশন মেনে চলার।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আদেশ ঘোষণার শুরুতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত-আইসিজের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ।

আইসিজে জানান, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টি আদালতের নজরে এসেছে। বলেন, নিপীড়নে জড়িত সেনাদের বিচার করতে হবে। পরে, মিয়ানমারে থাকা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সর্বসম্মতিক্রমে ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন আদালত। ৪ মাসের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে হবে মিয়ানমারকে।

৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ-

১. রোহিঙ্গাদের হত্যা, মানসিক-শারীরিক নিপীড়ন ও ইচ্ছাকৃত আঘাত করা যাবে না। জন্ম নিয়ন্ত্রণে বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না।

২. গণহত্যা, গণহত্যার প্রচেষ্টা বা ষড়যন্ত্র না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ।

৩. গণহত্যার যেসব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তা ধ্বংস করা যাবে না।

৪. মিয়ানমার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে তা অবশ্যই ৪ মাসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। চূড়ান্ত সিদ্বান্তর আগ পর্যস্ত ৬ মাস পরপর প্রতিবেদন দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর