channel 24

সর্বশেষ

  • লন্ডনে মসজিদে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে মুয়াজ্জিন আহত

  • ডাকঘরে সঞ্চয় স্কিমে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

  • গানে গানে বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন দুই জাপানিজ

  • করোনা আতঙ্কে ভুতুড়ে নগরী দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু

  • দৌলতদিয়াতে আরেক যৌনকর্মীর জানাজা অনু‌ষ্ঠিত

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত

  • কল্পনার রং আর নকশার কারুকাজে শহীদ মিনারের প্রতিটি সড়ক একেকটি ক্যানভাস

  • মাগুরায় ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

  • একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • নারীর গৃহস্থালী কাজকে সরাসরি জাতীয় আয়ে যুক্ত করার সুযোগ এখনো নেই: অর্থমন্ত্রী

  • শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্ট টিকিট

  • ফরিদপুরে ওবায়দুর রহমানের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

  • ফের ঢাকার বাতাস বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত

  • একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত গোটা দেশ

  • বাংলা ওয়েবসাইট চালু করলো মার্কিন দূতাবাস

ঢাকা সিটি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের শুনানি রোববার

ঢাকা সিটি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের শুনানি রোববার

ঢাকা সিটি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের শুনানি আগামী রোববার। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নুর উস সাদিক। এ সময় প্রধান অ্যার্টনি জেনারেল অসুস্থ থাকায় সময় আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে ২২ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এতে আরও বলা হয়, ঢাকা সিটির নির্বাচনের জন্য প্রথমে আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়।

২০১০ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের আগে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয় রিটে। বলা হয়, বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় গত ২০ জানুয়ারি। ভোটার তালিকা হালনাগাদে এখনও ৩১ জানুযারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকায় অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন।

বিধি মোতাবেক সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে প্রথম সভা থেকে পাঁচ বছর। বর্তমান মেয়রদের প্রথম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ৬ মাস আগে নির্বাচনের তফসিল দেয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী বলেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরে যেমন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যায় না, তেমনি নির্বাচনের তারিখও পেছানো যায় না। বিধিমতে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ১০(১) বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করেছে, আবার একই বিধি ১০(১) অনুযায়ী তফসিল সংশোধিত করেছে, যা বৈধ নয়। নির্বাচনের তারিখ সংশোধনের কোনো বিধান আইনে নেই। এ অবস্থায় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বরের তফসিল এবং গত ১৮ জানুয়ারির সংশোধিত তফসিল অবৈধ হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর