channel 24

সর্বশেষ

  • ১৯৭৪ সালের এই দিনে জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু

  • বাফুফে নির্বাচন: সাবেকদের চাওয়া ফুটবলের তৃণমূলের উন্নয়ন

  • অনিশ্চিত শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ সিরিজের ভবিষ্যৎ

  • ফুটবল নির্বাচনে নিরব বিপ্লবের প্রত্যাশায় সমন্বয় পরিষদ

  • বিড়ম্বনা কাটছে না সৌদি প্রবাসীদের, টিকিট পেলেও করোনা পরীক্ষা নিয়ে সংশয়

  • সিলেটে গরম চায়ে ছাত্রের শরীর ঝলসে দিলো শিক্ষক

  • প্রকৃতি সেজেছে শুভ্রতার চাদরে

  • সাভারে নীলা খুনের বিচার না হলে আত্মহত্যার হুমকি বাবার

  • ফের বাড়ছে বিভিন্ন নদ নদীর পানি

  • 'নুর ধর্ষক নয়, ধর্ষকদের বিচার না করায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে'

  • মানিকগঞ্জে স্কুল ছাত্রী নীলা হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

  • গোপালগঞ্জে মাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ছেলে গ্রেপ্তার

  • করোনায় দেশে আরও ২১ জনের মুত্যু

  • পেঁয়াজের ভূতের আছর পড়েছে চালের বাজারে

  • দেশকে অস্থিতিশীল করতে বিএনপি গোপন বৈঠক করছে: তথ্যমন্ত্রী

সরকার চাইলে দ্রুত বিচার হয়, না চাইলে ৭০ বার চার্জশিট পেছায়: রুমিন

সরকার চাইলে দ্রুত বিচার হয়, না চাইলে ৭০ বার চার্জশিট পেছায়: রুমিন

রুমিন ফারহানা বলেছেন, 'সরকার চাইলে দেশে বিচার দ্রুত হয়, আর না চাইলে ৭০ বার মামলার চার্জশিট পেছায়।' বুধবার (১৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, 'সরকারের ইচ্ছামতো চলে বলেই খালেদা জিয়া জামিন পান না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে, বিএনপির এক লাখ কর্মীর নামে মামলা দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহারের মাধ্যমে জাতিকে বিভাজন করে, ভিন্নমত দমন করে রাষ্ট্রপতির জাতীয় ঐকমত্যের ডাক জাতির সঙ্গে প্রহসন ছাড়া কিছু নয়।'

তিনি বলেন, 'সম্ভবত আগামীবার রাষ্ট্রপতির ভাষণেও একই রকম বক্তব্য দেবেন। কারণ মানুষ নিজেদের কথা বিশ্বাস করে না, কিন্তু অন্যদেরকে বিশ্বাস করাতে চায়। এ জন্য এ কথাটি মানুষ বারবার বলে। বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটহীন সরকার। তাই নিজেদের টিকিয়ে রাখার জন্য দেশের চরম অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে বলে জোর প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি এমন এক সময় উন্নয়নের দাবি করলেন, যখন দেশের অর্থনীতি সকল সূচকে নিম্নমুখী। অর্থনীতি প্রচণ্ড বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'দেশের এসব সমস্যার সঙ্গে যোগ হয়েছে বাক স্বাধীনতার সমস্যা। হামলা, হুমকি ও বিজ্ঞাপন দাতাদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছর ১৪২ জন সাংবাদিক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিকল্প মাধ্যম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নিপীড়নমূলক নির্যাতন চলছে ডিজিটাল আইনের নামে।'

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর