channel 24

সর্বশেষ

  • আজ থেকে খোলাবাজারে চলছে টিসিবির পণ্য বিক্রি

  • স্বর্ণ আমদানি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • ৮৭ দিন পরে সীমিত পরিসরে চালু রাইড শেয়ারিং সার্ভিস

  • করোনায় অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীরা

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে লাখো শিক্ষার্থী

  • ফেসবুক কথোপকথনে ভরসা করে প্রায় আট লাখ টাকা খোয়ালেন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত এক কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি

  • শেষ পর্যন্ত জনসম্মুখে মাস্ক পরলেন ট্রাম্প

  • উত্তরাঞ্চলে পানিবন্দি লাখো মানুষ

  • পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জ

  • করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন

  • পাপুলকাণ্ডে গ্রেপ্তার কুয়েতের সেনা কর্মকর্তা

  • রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি সম্পর্কে জানা ছিল না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ

  • লাভের আশায় গরু পালন করে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

২১ বছর পর!

২১ বছর পর!

২১ বছর পর অব. ডিআইজি (পুলিশ) মো. কুতুব রহমানের আক্রোশের মিথ্যা মামলা থেকে উত্তরার প্লট প্রাপ্ত সাধারণ নাগরিক আতাউর রহমানকে অব্যাহতি দিলেন হাহকোর্ট। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ মামলা বাতিল আবেদনের রুল শুনানি শেষে রুল সঠিক মর্মে এই রায় দেন।

আতাউর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ।

ঘটনার বিবরণে দেখা যায়, বাদী মো. কুতুবুর রহমান রাজউকে আবেদন করে উত্তরা আবাসিক এলাকায় ১২ নং সেক্টরে সড়ক নং ১৩, প্লট নং ২৭ এর ৩ কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দ পান। পরবর্তীতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে উক্ত প্লটের পরিবর্তে ৯ নং সেক্টরে ৭/ডি সড়কের প্লট নং ২০ বরাদ্দ দেওয়া হয়। রাজউক সরেজমিনে পরিমাপ করে উক্ত প্লটের ৩৬০০ বর্গফুট বা ৫ কাঠা জমি তাকে বুঝিয়ে দেয়। উক্ত ২০ নং প্লটের পাশে ২২ নং প্লটটি মো. আতাউর রহমানের নামে রাজউক বরাদ্দ দেয়। বাদীর অভিযোগ ছিল আতাউর রহমান ২২ নং প্লটের জমির অতিরিক্ত বাদীর  ২০ নং প্লটের ১.৭০ কাঠা ও রাস্তার আংশিক জমি দখল করে নিয়েছেন। এই কারণে তিনি প্রতারণা ও অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ তুলে উত্তরা মডেল থানার মামলা নং ৪৪ তারিখ ২০.০৯.১৯৯৮ দায়ের করেন।

মামলাটি পুলিশ তদন্ত করে আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র নং ৩৪৬ তারিখ ২৫.১০.১৯৯৯ দাখিল করেন। কিন্তু বাদী অভিযোগ পত্র দাখিলের পরও আদালতে না- পিটিশন দাখিল করেন। আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। এবার সিআইডি তদন্ত শুরু করেন। অধিকতর তদন্তের পর আতাউর রহমানকে অভিযুক্ত করে সিআইডি উত্তরা ইউনিট (ঢাকা মেট্রো)  পুলিশ পরিদর্শক শ্যামল চৌধুরী সম্পূরক অভিযোগ পত্র নং ২২৪, তারিখ ০৯.০৬.২০০৮ ধারা ৪২০/৪৪৭ দঃ বিঃ আদালতে দাখিল করেন। বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৪২০ দুদকের আওতায় এলে দুদক আবার তদন্ত শুরু করে। দুদক তদন্ত করে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় গত ০১.০৮.২০১২ এ চূড়ান্ত রিপোর্ট নং ১৭৪ আদালতে দাখিল করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান আতাউর রহমানের প্লটটি সঠিক ছিল, এই কারণে  হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্তৃপক্ষ তার ঋণ মঞ্জুর করেন, অপর দিকে বাদী মো. কুতুবুর রহমান তার ২০ প্লটে বাড়ি করার সময় পিছনের প্লটের ৮ ফুট জায়গা দখল করে নেন। এই কারণে ডিআইজি কুতুবুর রহমান ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউর রহমানের উক্ত মিথ্যা মামলা করেন। বাদীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা কিন্তু বিচারিক আদালত দুদকের প্রাপ্ত চূড়ান্ত রিপোর্ট আমলে না নিয়ে মামলাটি পুনরায় দুদককে তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পর থেকে মামলাটি তদন্তাধীন আছে। এই মামলায় মোট ১২ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়।

আতাউর রহমান এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলাটি বাতিলের আবেদন করলে মামলাটি প্রথমে ৬ মাসের জন্য রুল ও মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

আজ মামলাটি চূড়ান্ত শুনানি শেষে মামলাটি বাতিল করা হলো। মামলার দায় থেকে মুক্ত হলেন আতাউর রহমান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর