channel 24

সর্বশেষ

  • চীনের তৈরি ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিলে বাংলাদেশ লাভবান হতো: ডা. জাফরুল্লাহ

  • সারা দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস

  • হাসপাতালে আইজি, ডিআইজির পরিচয়ে অভিনব প্রতারণা

  • খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতির স্ত্রী নিহত

  • করোনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যু

  • সাগরের ইলিশে ভরপুর মোকামগুলো, রপ্তানীর অনুমোদন চান বিক্রেতারা

  • যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকসহ গ্রেফতার ৫

  • রাজবাড়ি জেলা রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগ

  • অবিশ্বাস্য হারে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় বার্সেলোনার

  • শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • বঙ্গবন্ধুর পলাতক ৫ খুনির ফাঁসি এখনও কার্যকর হয়নি

  • বাঙালীর কলঙ্কময় দিন আজ

  • চট্টগ্রামের পাহাড়তলি বস্তিতে আগুন, শিশুসহ নিহত ২

  • গোপালগঞ্জে বিয়ের আসরে গুলি!

  • বেরিয়ে আসছে যুবলীগ নেতা ডিজে শাকিলের নানা অপকর্ম

১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে: হাইকোর্ট

১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে: হাইকোর্ট

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

নিয়োগ প্রার্থীদের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর ও রহিম ও বিচারপতি মো.মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো.কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।   

পরে কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা  ২০১৩ এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলির ষাট শতাংশ মহিলা প্রার্থীদের দ্বারা, বিশ শতাংশ পৌষ্য প্রার্থীদের দ্বারা এবং বাকী বিশ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হইবে।

কিন্তু ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফলে সেটা অনুসরণ করা হয়নি। তাই ১৬জন নিয়োগপ্রার্থী ওই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে রিট করেছেন। আজ আদালত রুল জারি করেছেন। রুলে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা  ২০১৩ লঙ্ঘন করে ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফল কেন আইনগত কর্তৃত্ব বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না এবং একইসঙ্গে ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা  ২০১৩ অনুসরণ করে নতুন ফলাফল কেন ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব,প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

কামাল হোসেন আরও বলেন, এর মধ্যে ওই ফলাফল অনুসারে যদি তারা নিয়োগের উদ্যোগ নেয় তাহলে তা স্থগিতে আমরা ফের আদালতের দ্বারস্থ হবে। আর আদালতের জারি করা রুল বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ ডিসেম্বর  রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়  মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর