channel 24

সর্বশেষ

  • বিড়াল উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস!

  • মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্টে ক্ষণ গণনার ঘড়ি উদ্বোধন

  • করোনা ভাইরাস: শাহজালাল বিমানবন্দরে বসানো হয়েছে স্ক্যানিং মেশিন

  • শেষ হল নারী ফুটবল লিগের দলবদল

  • নড়াইলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

  • মৌলভীবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে তিনদিন ধরে সার্ভারে সমস্যা

  • এক নারীকে নির্যাতনের পর পিকআপ থেকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ

  • মিথ্যা ঘোষণায় আনা ১ কন্টেইনার সিগারেট জব্দ

  • বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোতে এনেছে আ.লীগ: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • কলেজছাত্রী হত্যা মামলায় প্রভাষকের মৃত্যুদণ্ড, এডভোকেটের যাবজ্জীবন

  • তেঁতুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক

  • হামলা-মামলার বিষয়ে কূটনীতিকদের অবহিত করলো বিএনপি

  • নিখুঁতভাবে কৃষিকাজ করছে রোবট

  • ইলিশের পুষ্টিগুণ, ডিমছাড়া নাকি ডিমওয়ালা ইলিশটি বেশি স্বাদের?

  • মাছকে খাবার দিবে যন্ত্র! দেশেও শুরু হয়েছে এই প্রযুক্তি

নেইপিদোতে মিয়ানমার সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের বৈঠক

নেইপিদোতে মিয়ানমার সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের বৈঠক

মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে দেশটির সেনাপ্রধানের সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। গতকাল (৯ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুপক্ষের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যাতে ফেরত যেতে চায়, সেজন্য মিয়ানমার কি ধরণের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা দেখতে সেটেলমেন্ট এলাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসিয়ান হিউমেনিটেরিয়ান ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

আলোচনার মূল বিষয়গুলি হচ্ছে:

(১) যে কারণে রোহিংগারা মায়ামনমারে ফেরত যেতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে তা তুলে ধরা হয়। এই লক্ষ্যে মায়ানমার কর্তৃক বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী, আসিয়ানের ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট টিমের (আসিয়ান-ইএআরটি) এবং রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধি কে খুব শীঘ্রই পুণর্বাসন এলাকা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানাবে বলে জানায়।

(২) বাংলাদেশ কর্তৃক বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পরিকল্পিত বর্ডার রোড নির্মাণে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিজিপি কর্তৃক সর্বাত্বক সহযোগিতার নিশ্চয়তা দেয়।

(৩) বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্থল মাইন এবং আইইডি-এর উপস্হিতিতে বাংলাদেশের উদ্বেগ এর বিষয়টি জানানো হয়।

(৪) মিয়ানমার সামরিক হেলিকপ্টার এবং ড্রোন কর্তৃক বাংলাদেশের আকাশ সীমা লঙ্ঘনের বিষয় তুলে ধরা হয়। সেন্টমার্টিন দ্বীপে ও তাদের ড্রোন পাঠানোর বিষয় তলে ধরে বাংলাদেশের উদ্বেগ এর কথা জানানো হলে এবিষয়ে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিবে বলে জানায়।

(৫) সীমান্ত এলাকার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মাদক কারখানার উপস্থিতি এবং সেই মাদক বাংলাদেশে প্রবেশে বাংলাদেশের উদ্বেগ এর বিষয়টি জানানো হয়। মাদক পাচারের বিরুদ্ধে মায়ানমার সেনাবাহিনী সহযোগিতার আশ্বাস দেয়।

(৬) বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় যেকোনো উদ্ভূদ পরিস্থিতিতে একে অপরের সাথে যোগাযোগ এর মাধ্যমে ভুল বুঝাবুঝি নিরসনে কাজ করতে সম্মত হয়। মিয়ানমার সেনাবাহিনী কেবল মাত্র কাউন্টার ইনসার্জেন্সি অপারেশন এর জন্য সীমান্ত এলাকায় তাদের সৈন্য সমাবেশ ঘটায় বলে জানায়। তারা কখনও দুই দেশের সীমানা অতিক্রম না করার বিষয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে।

(৭) বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় যেহেতু মিয়ানমার সেনাবাহিনী কাউন্টার ইনসার্জেন্সি অপারেশন পরিচালনা করছে, তাই তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছে যে, যখন মিয়ানমার সেনাবাহিনী বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় কাউন্টার ইনসার্জেন্সি অপারেশন পরিচালনা করবে তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেন বাংলাদেশ ভূখণ্ডে থেকে সীমান্ত এলাকায় তাদের কে সহায়তা করে যাতে তাদের বিদ্রোহীরা তাড়া খেয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এসে আশ্রয় নিতে না পারে।

(৮) দুইদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সৌজন্যমূলক ভিজিট বৃদ্ধি ইত্যাদি আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর