channel 24

সর্বশেষ

  • জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কক্সবাজারকে ব্যয়বহুল শহর ঘোষণা

  • আর কত সিরিজ হারলে টি-টোয়েন্টি শিখবে টিম বাংলাদেশ?

  • দুই সপ্তাহ পেছালো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল

  • চট্টগ্রামে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা: নেই কাঙ্ক্ষিত সেবা, বিদেশেমুখি হচ্ছে মানুষ

  • বাজারে নতুন চারটি ল্যাপটপ আনলো ডেল

  • জুয়া-জমির অর্থের যোগান ব্যাংকের ভল্ট থেকে! হদিস নেই সাড়ে ৩ কোটি টাকার

  • দেশে ডিজেলের কোনো সংকট নেই: বিপিসি চেয়ারম্যান

  • বান্দরবানে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত ১

  • অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত

  • খুলনার আলমগীরের ব্যতিক্রমী ৫ উদ্যোগ সাড়া ফেলেছে ব্যাপক

  • বাণিজ্য মেলাকে আন্তর্জাতিক অবয়ব দেয়া কিছু প্রতিষ্ঠান

  • চাঁদপুরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে লবণের মিল, বেকার কয়েক হাজার শ্রমিক

  • ব্যাংক থেকে পৌনে দুই লাখ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন পরিচালকরাই

  • ভারতের নাগরিকত্ব আইনকে 'বৈষম্যমূলক ও বিপজ্জনক' আখ্যা দিলেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট

  • শীত-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় প্রার্থীরা

কিডনি দান করার বিধান রেখে আইন সংশোধনে হাইকোর্টের নির্দেশ

কিডনি দান করার বিধান রেখে আইন সংশোধনে হাইকোর্টের নির্দেশ

কিডনি দান করার বিধান রেখে আইন সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

এছাড়া অবৈধ কিডনি ব্যবসা বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গত ৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) নিকট আত্মীয় ব্যতিত মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করার সুযোগ না রাখা সংকীর্ণ আইনের প্রসার বাড়াতে হাইকোর্টে অভিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। পরে আদালত আগামী ২১ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে তাদের বক্তব্য দাখিলের নির্দেশ দিয়ে মুলতবি শুনানি মুলতবি করেন।

পরে ২১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ নামের এক ব্যক্তি আদালতে এজলাস কক্ষে দাঁড়িয়ে ডায়ালাইসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়াই যেকোনো ধরনের কিডনি রোগ ভালো করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত কিডনি প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত আইন নিয়ে জারি করার রুলের রায়ের জন্য ৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলে ওই আইনের অধীনে ১৮ বছরেও বিধি প্রণয়ন না করায় বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।

রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। আদালতে রিট করেন ফাতেমা জোহরা নামের এক ব্যক্তি।

আইনজীবীরা জানান, ফাতেমা জোহরা ২০১৫ সালে তার মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডনি দান করেন। এরপরও মেয়ের কিডনি অকেজো হয়ে গেছে। বর্তমানে ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে, যা ব্যয়বহুল। কিন্তু আইনগত বাধার কারণে মেয়েকে দাতার কাছ থেকে কিডনি দিতে পারছেন না তিনি। এ অবস্থায় তিনি রিট আবেদন করেন।

ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-১৯৯৯-এর ২গ ধারায় দাতার সংজ্ঞা দেয়া আছে। সংজ্ঞায় দাতা হিসেবে নিকটাত্মীয়দের কথা বলা আছে। আর নিকটাত্মীয় বলতে পিতা-মাতা, ভাই-বোন, পুত্র-কন্যা, চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রীকে বলা হয়েছে। কিন্তু ভারতে এ বিষয়ক আইনে নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞায় ওই কয়েকজন ছাড়াও নানা-নানি, দাদা-দাদি, খালাতো, মামাতো, চাচাতো ভাইবোনের কথা বলা আছে। এছাড়া ভারতের আইনে বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতিতে নিকটাত্মীয় ছাড়াও অন্যরা দাতা হতে পারবে। এক্ষেত্রে ওই আইনে নির্দিষ্ট করে দেয়া আছে কারা বিশেষ পরিস্থিতিতে দাতা হতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনে দাতাকে ১৮ বছর থেকে ৬৫ বছর পর্যন্ত বয়সের ব্যক্তি হতে হবে। মেডিকেল বোর্ডের ছাড়পত্র নিতে হবে। আইনের এ বাধ্যবাধকতার কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর