channel 24

সর্বশেষ

  • রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণেই ভারত যাননি স্বরাষ্ট্র-পররাষ্ট্রমন্ত্রী: কাদের

  • খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়ার সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, সরকারের: রিজভী

  • কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • ব্রিটেনের নির্বাচনে টিউলিপসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৪ নারীর জয়

  • যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল কনজারভেটিভ পার্টি

র‍্যাগিংয়ে মৃত্যুর অভিযোগ প্রমাণ হলে বুয়েট থেকে বহিষ্কার

র‍্যাগিংয়ে মৃত্যুর অভিযোগ প্রমাণ হলে বুয়েট থেকে বহিষ্কার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) র‍্যাগিংয়ের কারণে কোনো ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ প্রমাণ হলে বুয়েটে অভিযুক্ত ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার করবে। এখানেই শেষ নয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা করবেন। কোনো শিক্ষার্থী রাজনীতিতে জড়িত হলেও তাকে বহিষ্কার করবে বুয়েট।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) রাতে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বুয়েট। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়।

এর মাধ্যমে আন্দোলনরত বুয়েট শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির সব কটি পূরণ হলো।

সোমবার জারি করা নতুন নীতিমালায় ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো শিক্ষার্থী রাজনীতিতে জড়িত থাকলে, রাজনৈতিক পদে থাকলে, রাজনীতি করতে কাউকে উদ্বুদ্ধ বা বাধ্য করলে, বা রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে গেলে (ক্যাম্পেইন, মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেয়া, গ্রাফিতি অঙ্কন, পোস্টারিং ইত্যাদি) তার শাস্তিস্বরূপ সতর্কতা, জরিমানা, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো মেয়াদে বহিষ্কার বা চিরতরে বহিষ্কার করা হবে। অর্থাৎ, বুয়েটে কেউ সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি করলে সর্বোচ্চ সাজা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার।

র‍্যাগিংয়ের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে কয়েক ধাপে। র‌্যাগিংয়ে কোনো শিক্ষার্থীর মৃত্যুর শাস্তি বুয়েট থেকে বহিষ্কার ও থানায় মামলা দায়ের। কোনো ছাত্র গুরুতর শারীরিক ক্ষতি বা মানসিক ভারসাম্যহীনতার শিকার হলে অভিযুক্তকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা হবে।

মৌখিক বা শারীরিক লাঞ্ছনা এবং সাময়িক মানসিক ক্ষতিসহ এ-সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি হচ্ছে সতর্কতা, জরিমানা, হল থেকে চিরতরে বহিষ্কার বা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরত রাখা। এ ধরনের অপরাধীকে শিক্ষাজীবনে ফিরতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিক করে দেয়া মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাউন্সেলিং করতে হবে।

এক সপ্তাহ আগে গত বুধবার বুয়েটের উপাচার্যের সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেছিলেন, তিনদফা দাবি পূরণ হলে ২৮ ডিসেম্বর থেকে টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা দিতে তারা প্রস্তত।

গত ৬ অক্টোবর বুয়েটে ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর