channel 24

সর্বশেষ

  • সংঘাত নয়, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আলোচনা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

  • মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন আধুনিক সময়ের গণহত্যা...

  • নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার শুনানিতে গাম্বিয়া...

  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে মিয়ানমারের বক্তব্য মিথ্যা...

  • মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যা এখনও চলছে, রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে

  • প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুলসহ...

  • বিএনপির ১২ নেতার বিরুদ্ধে ফের মামলা

রাবি ভিসির পদে থাকার বৈধতা নিয়ে রুল

রাবি ভিসির পদে থাকার বৈধতা নিয়ে রুল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান কোন কর্তৃত্ববলে ভিসি পদে বহাল আছেন তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো: ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান।

আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রাবি ভিসিসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে রাবি ভিসির পদে থাকার বৈধতা নিয়ে রিট করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক ছাত্র সালমান ফিরোজ ফয়সাল।

গত ১৫ ম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

 অসত্য তথ্য দিয়ে পুনরায় ভিসি পদে নিয়োগ ও স্বপদে থাকার অভিযোগ এনে এ নোটিশ পাঠানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক এক শিক্ষার্থী সালমান ফিরোজ ফয়সালের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে অধ্যাপক ড. এম. আব্দুস সোবহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ৭ মে চার বছরের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পান। ওইদিনই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর একই বছরের ২১ জুন তিনি উপাচার্যের পদে থেকে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। আবার ওইদিনই তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। ফলে উপাচার্যের পদে সাময়িক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। উপাচার্য পদে সাময়িক শূন্যতা পূরণকল্পে রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়াই একদিনের জন্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আখতার ফারুককে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেন। যা ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিপন্থী।নোটিশের জবাব না পাওয়া হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর