channel 24

সর্বশেষ

  • করোনা আক্রান্ত দম্পতির স্থান হয়েছে পরিত্যক্ত মুরগীর খামারে

  • করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দেশে অর্ধলাখ ছাড়িয়েছে

  • চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ৩ হাজার ছাড়ালো

  • গণপরিবহন বেড়েছে চট্টগ্রামের রাস্তায়

  • সিলেটে বাস শ্রমিকদের দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত কয়েকজন

  • তামাক খাতে দুই স্তরের কর কাঠোমো হলে রাজস্ব বাড়বে দ্বিগুণের বেশি

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম বেচা-কেনার উদ্বোধন

  • আসন্ন বাজেট ঘিরে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রস্তবনা

  • নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

  • একাডেমি কোচদের পাশে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা

  • কুড়িগ্রামে বাসের ধাক্কায় এক পথচারি নিহত

  • মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা হাজী কামাল কারাগারে

  • ভাড়া বেশি নেয়ায় শ্যামলী পরিবহনকে ১০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড

  • ওয়াদা পূরণের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছি: তাপস

  • ইতালিয়ান লিগের সূচি চূড়ান্ত

যে কারণে খালাস পেলেন বড় মিজান

যে কারণে খালাস পেলেন বড় মিজান

হলি আটির্জানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান ছিলো এই মামলার অন্যতম আসামি। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬(২)(অ)সহ বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগপত্র দেয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। বিচার শেষে বুধবার এই মামলায় ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলেও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বড় মিজানকে খালাস দেন ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছেন, আসামী মো. মিজানুর রহমান তার দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করে "আমি ১৬ বৎসর যাবত মাছের ব্যবসা করি। ২০১২ইং সালে আমি ও হারিছ করিম নাচোল থানার কসবায় ০৬টা পুকুর লিজ গ্রহণ করি। আমি সেখানে ছোট ঘর বানিয়ে মাসের ১৫ দিন থাকি। ০৫ বৎসরের জন্য লিজ নিয়েছিলাম। ২০১৬ সালের মার্চ মাসের শেষের দিকে হারিছ  করিম একদিন বলে জামাল নামে একটি ছেলে আমার সাথে দেখা করবে। বিকাল বেলা ছেলেটা আমার কাছে বড় একটা ব্যাগ নিয়ে আসে। আমি জিজ্ঞাসা করি ব্যাগে কি? জামাল বলে কলা। আমি টিপে দেখি হালুয়ার মত নরম। হারিছকে জিজ্ঞাস করি কলার ব্যাগ নিয়ে জামাল এসেছে, তো কলা হালুয়ার মত নরম কেন? সে বলে ও রাতে থাকবে সকালে চলে যাবে। ৬/৭টা বান্ডিল ছিল। প্রত্যেক বান্ডিলে ১০/১২টি পাইপের মত ছিল। ০৩টা বান্ডিল আলাদা করে আমার মাটির ঘরে চৌকির নিচে রাখে এবং বাকীগুলো জামাল নিয়ে চলে যায়। এটি জেলবোমা বলে পরে শুনেছি এবং গুলশানে বড় ধরনের হামলায় ব্যবহৃত হবে মর্মে জামাল বলেছিল। পরে পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ পেয়ে।"

সাক্ষ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে কোন সাক্ষী এই হারিছ বা জামালের নাম কোথাও উল্লেখ করেনি। আসামী জাহাংগীর হোসেন তার দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করে যে, প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ, বোমা বানানোর সরঞ্জাম ছোট মিজান ভারতে অবস্থানরত আমাদের অপর বড় ভাই বড় মিজানের মাধ্যমে সংগ্রহ করে মারজানকে দেয়। আসামী জাহাংগীর হোসেনের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখিত বড় মিজানই এই মামলার আসামী মো. মিজানুর রহমান তা কোন সাক্ষ্য হতে দেখা যায়নি। সহআসামীগণ তাদের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেনি যে, আসামী মো. মিজানুর রহমান হলি আর্টিজান বেকারীতে হামলার বিষয়ে আসামী মো. মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে কোন সাক্ষ্য প্রদান করেনি। আসামী মিজানুর রহমান এর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এবং অন্যান্য সাক্ষ্য হতে দেখা যায় না যে, আসামী মো. মিজানুর রহমান হলি আর্টিজান হামলার সংগে জড়িত কিংবা হলি আর্টিজান হামলা সম্পর্কে অবগত ছিল। কাজেই আসামী মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬(২)(অ) ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

এছাড়া অন্যান্য ধারার অভিযোগও প্রমাণিত না হওয়ায় মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান আদালত থেকে বেকসুর খালাস পান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর