channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি এম এ সালাম...

  • সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান

  • এসএ গেমস: ভারোত্তোলনে মাবিয়া আক্তার, জিয়ারুল ইসলাম...

  • ফেন্সিংয়ে ফাতেমা মুজিব স্বর্ণ জিতেছেন; বাংলাদেশের স্বর্ণ ৭

  • কারো নির্দেশে নয়, হস্তক্ষেপমুক্ত বিচার বিভাগ চাই: বিচারপতি নুরুজ্জামান

  • রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন...

  • একের কাজে অন্যের হস্তক্ষেপ ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করে: প্রধানমন্ত্রী

  • খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে নাটক করছে সরকার: ফখরুল...

  • মুক্তি দাবিতে রাজধানীসহ দেশের সব জেলায় বিক্ষোভ কাল

  • স্টামফোর্ডের শিক্ষার্থী রুম্পাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে...

  • ধানমন্ডি ও সিদ্ধেশ্বরীতে সহপাঠীদের মানববন্ধন

  • অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি ও ছাঁটাইয়ের অভিযোগে...

  • এসএ টিভির কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত সাংবাদিকরা

  • এসএ গেমস: ভারোত্তোলন: ৭৬ কেজিতে স্বর্ণ জিতেছেন মাবিয়া আক্তার...

  • আসরে এটি বাংলাদেশের পঞ্চম স্বর্ণ...

  • ৮১ কেজি ওজন শ্রেণিতে রৌপ্য জিতেছেন জোহরা খাতুন...

  • ক্রিকেট: নেপালকে ৪৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ...

  • স্কোর: বাংলাদেশ ১৫৫/৬ (নাজমুল হোসেন ৭৫*) নেপাল ১১১/৯

যে কারণে খালাস পেলেন বড় মিজান

যে কারণে খালাস পেলেন বড় মিজান

হলি আটির্জানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান ছিলো এই মামলার অন্যতম আসামি। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬(২)(অ)সহ বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগপত্র দেয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। বিচার শেষে বুধবার এই মামলায় ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলেও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বড় মিজানকে খালাস দেন ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছেন, আসামী মো. মিজানুর রহমান তার দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করে "আমি ১৬ বৎসর যাবত মাছের ব্যবসা করি। ২০১২ইং সালে আমি ও হারিছ করিম নাচোল থানার কসবায় ০৬টা পুকুর লিজ গ্রহণ করি। আমি সেখানে ছোট ঘর বানিয়ে মাসের ১৫ দিন থাকি। ০৫ বৎসরের জন্য লিজ নিয়েছিলাম। ২০১৬ সালের মার্চ মাসের শেষের দিকে হারিছ  করিম একদিন বলে জামাল নামে একটি ছেলে আমার সাথে দেখা করবে। বিকাল বেলা ছেলেটা আমার কাছে বড় একটা ব্যাগ নিয়ে আসে। আমি জিজ্ঞাসা করি ব্যাগে কি? জামাল বলে কলা। আমি টিপে দেখি হালুয়ার মত নরম। হারিছকে জিজ্ঞাস করি কলার ব্যাগ নিয়ে জামাল এসেছে, তো কলা হালুয়ার মত নরম কেন? সে বলে ও রাতে থাকবে সকালে চলে যাবে। ৬/৭টা বান্ডিল ছিল। প্রত্যেক বান্ডিলে ১০/১২টি পাইপের মত ছিল। ০৩টা বান্ডিল আলাদা করে আমার মাটির ঘরে চৌকির নিচে রাখে এবং বাকীগুলো জামাল নিয়ে চলে যায়। এটি জেলবোমা বলে পরে শুনেছি এবং গুলশানে বড় ধরনের হামলায় ব্যবহৃত হবে মর্মে জামাল বলেছিল। পরে পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ পেয়ে।"

সাক্ষ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে কোন সাক্ষী এই হারিছ বা জামালের নাম কোথাও উল্লেখ করেনি। আসামী জাহাংগীর হোসেন তার দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করে যে, প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ, বোমা বানানোর সরঞ্জাম ছোট মিজান ভারতে অবস্থানরত আমাদের অপর বড় ভাই বড় মিজানের মাধ্যমে সংগ্রহ করে মারজানকে দেয়। আসামী জাহাংগীর হোসেনের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখিত বড় মিজানই এই মামলার আসামী মো. মিজানুর রহমান তা কোন সাক্ষ্য হতে দেখা যায়নি। সহআসামীগণ তাদের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেনি যে, আসামী মো. মিজানুর রহমান হলি আর্টিজান বেকারীতে হামলার বিষয়ে আসামী মো. মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে কোন সাক্ষ্য প্রদান করেনি। আসামী মিজানুর রহমান এর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এবং অন্যান্য সাক্ষ্য হতে দেখা যায় না যে, আসামী মো. মিজানুর রহমান হলি আর্টিজান হামলার সংগে জড়িত কিংবা হলি আর্টিজান হামলা সম্পর্কে অবগত ছিল। কাজেই আসামী মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬(২)(অ) ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

এছাড়া অন্যান্য ধারার অভিযোগও প্রমাণিত না হওয়ায় মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান আদালত থেকে বেকসুর খালাস পান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর