channel 24

সর্বশেষ

  • অবিবাহিত পোশাকশ্রমিকদের বাসা ভাড়া পেতে বিড়ম্বনা, বাড়ছে অপরাধ

  • শাহজাহান খানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ

  • ডাকঘর সঞ্চয়ে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তে হতাশ আমানতকারীরা

  • কাপ্তাইয়ে নৌকা ডুবি: মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

  • আওয়ামী লীগের স্বার্থেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া উচিত: ফখরুল

  • বাংলা ভাষার বন্ধনকে ছিন্ন করতে পারেনি কাঁটাতারের বেড়া

  • করোনাভাইরাসের কারণে আইফোনের বিক্রিতে ধস

  • ড. শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • দিনাজপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের গোলাগুলিতে নিহত ১

  • শ্রীপুরে ফ্ল্যাট থেকে যুবকের গলাকাটা ও ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার

  • আতঙ্কে রয়েছে চীনে অবস্থানরত গাজীপুরের শতাধিক শিক্ষার্থী

  • প্রমোদতরীটির আরও ৯৯ জন করোনায় আক্রান্ত

  • করোনাভাইরাস: মারা গেলেন উহান হাসপাতালের পরিচালকও

  • চসিক নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে ভাবনায় ইসি

  • করোনাভাইরাস: আরও ৯৮ জনের মৃত্যু

রায়ের পর মাথায় আইএস'র টুপি, আল্লাহু আকবর ধ্বনি

রায়ের পর মাথায় আইএস'র টুপি, আল্লাহু আকবর ধ্বনি

হলি আর্টিজান হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল হাসান রিগ্যান রায়ের পরে আইএস’র টুপি পরে আদালত থেকে বের হন। পুলিশি হেফাজতে থাকার পরও তিনি কীভাবে এ টুপি পেলেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা সমালোচনা। পুলিশ এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান হামলা মামলার রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

রায় ঘোষণার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামিরা 'আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর' বলে ওঠেন। এরপর আসামিরা আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশে বলে, 'আমাদের বিজয় খুব শিগগিরই'।

পরে সাড়ে ১২টার দিকে এজলাসকক্ষ থেকে আসামিদের একে একে আদালত চত্বরে প্রিজনভ্যানে নিয়ে আসেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় প্রত্যেকে ছিলেন স্বাভাবিক, হাস্যোজ্জ্বল। তবে চোখে-মুখে ছিল আস্ফালন।

প্রিজনভ্যানে ওঠার পরেও আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে এ রায় না মানার কথা বলতে থাকেন তারা। এদের একজন আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ মাথায় আইএস'র কালো পতাকা বেঁধে আল্লাহু আকবর বলে চিৎকার করতে দেখা যায়। তিনি লিফটে ওঠার সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সামনেই আইএসের প্রতীক চিহ্নিত কালো টুপি পরেন। এজলাসেও তার মাথায় ছিল এ টুপি।

আসামি হাদিসুর রহমান সাগর প্রিজনভ্যান থেকে বলতে থাকেন, আমরা কিছু করিনি। আমাদের কেন ফাঁসি দেওয়া হলো?

রাশেদ বলেন, আমরা ফাঁসি ভয় পাই না। আমরা খেলাফত যোদ্ধা।

তারা উত্তেজিত হয়ে নানা ধরনের বক্তব্য দিতে থাকেন। সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অকথ্য কথা বলতে থাকেন। সবাই ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল। ফাঁসির আদেশ শোনার পরও কারও মধ্যে কোনোরকম ভীতি লক্ষ্য করা যায়নি।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের এমন আস্ফালনে আদালত প্রাঙ্গণে অনেকেই বেশ অবাক হন। তাদের এই চিৎকার চেঁচামেচির মধ্যেই আসামিদের বহনকারী প্রিজনভ্যান আদালত চত্বর ছেড়ে যায়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো - হামলার মূল সমন্বয়ক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‍্যাশ, ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর