channel 24

সর্বশেষ

  • এসএ গেমস: ভারোত্তোলনে মাবিয়া আক্তার, জিয়ারুল ইসলাম...

  • ফেন্সিংয়ে ফাতেমা মুজিব স্বর্ণ জিতেছেন; বাংলাদেশের স্বর্ণ ৭

  • কারো নির্দেশে নয়, হস্তক্ষেপমুক্ত বিচার বিভাগ চাই: বিচারপতি নুরুজ্জামান

  • রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন...

  • একের কাজে অন্যের হস্তক্ষেপ ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করে: প্রধানমন্ত্রী

  • খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে নাটক করছে সরকার: ফখরুল...

  • মুক্তি দাবিতে রাজধানীসহ দেশের সব জেলায় বিক্ষোভ কাল

  • স্টামফোর্ডের শিক্ষার্থী রুম্পাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে...

  • ধানমন্ডি ও সিদ্ধেশ্বরীতে সহপাঠীদের মানববন্ধন

  • অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি ও ছাঁটাইয়ের অভিযোগে...

  • এসএ টিভির কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত সাংবাদিকরা

  • এসএ গেমস: ভারোত্তোলন: ৭৬ কেজিতে স্বর্ণ জিতেছেন মাবিয়া আক্তার...

  • আসরে এটি বাংলাদেশের পঞ্চম স্বর্ণ...

  • ৮১ কেজি ওজন শ্রেণিতে রৌপ্য জিতেছেন জোহরা খাতুন...

  • ক্রিকেট: নেপালকে ৪৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ...

  • স্কোর: বাংলাদেশ ১৫৫/৬ (নাজমুল হোসেন ৭৫*) নেপাল ১১১/৯

হলি আর্টিজান মামলাটির পথপরিক্রমা

হলি আর্টিজান মামলাটির পথপরিক্রমা

গুলশানের হলি আর্টিজানে দেশের ইতিহাসে নৃশংসতম জঙ্গি হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর নিম্ন আদালতের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চলে বিচার।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায়, ওই দিনই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।

২৩ জুলাই ২০১৮, হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত ৮ জনকে অভিযুক্ত করা করা হয়। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের জিআর শাখায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির। আসামিদের সবাই এখন কারাগারে। চিহ্নিত ২১ জনের মধ্যে বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায়, তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এর মধ্যে ৮ জন বিভিন্ন অভিযান এবং ৫ জন হলি আর্টিজানেই নিহত হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, হলি আর্টিজানে হামলা করেছে জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি। ছয় মাস ধরে পরিকল্পনা করে এই হামলা চালায় তারা।

২৬ জুলাই ২০১৮ , সিএমএম আদালত মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেয়।

৩০ জুলাই ২০১৮ মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণ ও আসামীদের উপস্থিতির জন্য আদালত এ দিন ধার্য করে।

৮ আগস্ট ২০১৮ আসামীদের বিরদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়।

২৬ নভেম্বর ২০১৮ আট আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই হামলার বিচার শুরু হয়।

৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ,মামলার বাদী এসআই রিপন কুমার দাসের জবানবন্দি নেয়ার মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার শুরু হয়।

মামলায় মোট ২১১ জনকে সাক্ষী করা হয়। তাদের মধ্যে ১১৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আট আসামীর মধ্যে চারজন আসামী পক্ষে আইনজীবীও ছিলেন।
 
গত ১৭ নভেম্বর আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। ওইদিন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবর রহমান ২৭ নভেম্বর রায়ের দিন ঠিক করেন।

২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, হত্যার অপরাধ প্রমাণ হলে, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদন্ড হবে আসামিদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর