channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় মৃতের সংখ্যায় তৃতীয় স্থানে ব্রাজিল; প্রতি মিনিটে এক জনের মৃত্যু

  • জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রতিবাদ চলছে পুরো বিশ্বে

  • বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভে হাঁটু গেড়ে সংহতি জানালেন ট্রুডো

  • মাস্ক ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশনা

  • করোনায় বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৪ হাজার

  • পাবনায় একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • বিশ্বের শীর্ষ চতুর্থ উপার্জনকারী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

  • কোভিড-নাইনটিন মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রি কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

  • করোনায় ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আজিজুর রহমানের মৃত্যু

  • গোপালগঞ্জে পুলিশি নির্যাতনে কৃষকের মৃত্যুর অভিযোগ

  • করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো ১০ জনের

  • অর্থের অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত দেশের দীর্ঘদেহী মানব সুবেল হোসেন

  • 'উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করতে হবে প্রকৃতি ও প্রতিবেশকে রক্ষা করেই'

  • ডিএমপি কমিশনারকে ঘুষের প্রস্তাব যুগ্ম কমিশনারের; প্রত্যাখান করে আইজিপিকে চিঠি

  • ডা. জাফরুল্লাহর কিছুটা শারীরিক অবনতি ঘটেছে

হলি আর্টিজান মামলাটির পথপরিক্রমা

হলি আর্টিজান মামলাটির পথপরিক্রমা

গুলশানের হলি আর্টিজানে দেশের ইতিহাসে নৃশংসতম জঙ্গি হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর নিম্ন আদালতের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চলে বিচার।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায়, ওই দিনই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।

২৩ জুলাই ২০১৮, হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত ৮ জনকে অভিযুক্ত করা করা হয়। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের জিআর শাখায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির। আসামিদের সবাই এখন কারাগারে। চিহ্নিত ২১ জনের মধ্যে বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায়, তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এর মধ্যে ৮ জন বিভিন্ন অভিযান এবং ৫ জন হলি আর্টিজানেই নিহত হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, হলি আর্টিজানে হামলা করেছে জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি। ছয় মাস ধরে পরিকল্পনা করে এই হামলা চালায় তারা।

২৬ জুলাই ২০১৮ , সিএমএম আদালত মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেয়।

৩০ জুলাই ২০১৮ মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণ ও আসামীদের উপস্থিতির জন্য আদালত এ দিন ধার্য করে।

৮ আগস্ট ২০১৮ আসামীদের বিরদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়।

২৬ নভেম্বর ২০১৮ আট আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই হামলার বিচার শুরু হয়।

৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ,মামলার বাদী এসআই রিপন কুমার দাসের জবানবন্দি নেয়ার মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার শুরু হয়।

মামলায় মোট ২১১ জনকে সাক্ষী করা হয়। তাদের মধ্যে ১১৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আট আসামীর মধ্যে চারজন আসামী পক্ষে আইনজীবীও ছিলেন।
 
গত ১৭ নভেম্বর আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। ওইদিন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবর রহমান ২৭ নভেম্বর রায়ের দিন ঠিক করেন।

২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, হত্যার অপরাধ প্রমাণ হলে, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদন্ড হবে আসামিদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর