channel 24

সর্বশেষ

  • পাবনায় বিদ্যুতের খুঁটি থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

  • একই দিনে পালিত হল তিন ধর্মের ধর্মীয় উৎসব

  • সহিংসতার আশঙ্কায় ভারতে স্থগিত ‘বাংলাদেশ ফিল্ম ফেস্টিভেল’

  • বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলন বয়কট করলেন সাংবাদিকরা

  • বাড়িতে মাদকের আসর, স্ত্রীর অভিযোগে স্বামীসহ আটক ২

  • আসামিকে ফেসবুক লাইভে জিজ্ঞাসাবাদ, ওসি প্রত্যাহার

  • মালদ্বীপ দূতাবাসে শেখ রাসেল দিবস উদযাপিত

  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১২ জন হাসপাতালে

  • সরকার অরাজকতা সৃষ্টি করে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিচ্ছে: ফখরুল

  • তিস্তা ব্যারেজে রেকর্ড পরিমাণ পানি ছাড়লো ভারত

  • কেরানীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার ম র দে হ উদ্ধার

  • কুমিল্লা ঘটনার মূল অভিযুক্ত সীমান্তে ঘোরাঘুরি করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • বাংলাদেশকে হারাতে পাপুয়া নিউগিনির অনুপ্রেরণা স্কটল্যান্ড

  • ট্রাকের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নি হ ত ২

  • থানায় ছাত্রলীগ নেতার আ ত্ম হ ত্যা র চেষ্টা!

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন-ভারতের সক্রিয় ভূমিকার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন-ভারতের সক্রিয় ভূমিকার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে

রোহিঙ্গারা সংকট সমাধানে চীন আর ভারত যাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে, সেজন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) সংসদে প্রশ্নোত্তরে এ কথা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তারা (রোহিঙ্গা) দেশে ফিরে নিরাপদে থাকবে, এই বিশ্বাস তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের। রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহারের ষড়যন্ত্র বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশের বিদ্রোহী বা সন্ত্রাসীদের বাংলার মাটিতে ঠাঁই নেই।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ওপর। শুধু বাংলাদেশ নয়, অঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই যে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া দরকার, তা বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আমার উত্থাপিত নতুন চার দফা প্রস্তাব মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।'

সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সরকার প্রধান বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীন ও ভারতের সক্রিয় ভূমিকার আশায় যোগাযোগ অব্যাহত আছে। তবে রোহিঙ্গাদের মনে বিশ্বাস তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের।

তিনি বলেন, চীন ও ভারতে সাথে ইতিমধ্যে আমরা আলোচনা করেছি এবং এই বিষয়ে তাদের সক্রিয় ভুমিকা আমরা আশা করছি। রোহিঙ্গারা ফিরে গেলে নিরাপদে থাকবে, এই বিশ্বাস তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের।

রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করছে একটি মহল- এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশের সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পিছনে জিয়াউর রহমানের যে হাত রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নাই। ১৯৭৮-৭৯ সালে রোহিঙ্গা সমস্যাটা শুরু হয়। এটা একটা বাস্তবতা। আমরা সবসময় একটা শান্তিপুর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি।'

শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হবে। এতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন সব আমি করব। প্রয়োজনে আমার জীবনও যদি দিতে হয়, বাবার মতো তাও দিয়ে যাবো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর