channel 24

সর্বশেষ

  • চালু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

  • মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

  • ফেভারিট শ্রীলঙ্কার সামনে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশও

  • কচুরিপানায় ভাগ্য বদলেছে দুই শতাধিক নারীর

  • মামুনুলের নজর ছিলো ধর্মকে পুঁজি করে ক্ষমতা দখলে: পুলিশ

  • ফোর্বসের 'থার্টি আন্ডার থার্টি এশিয়া' তালিকায় ৯ বাংলাদেশি

  • তিনে ওঠার হাতছানি নিয়ে রাতে মাঠে নামছে চেলসি

  • সুপার লিগের বিপক্ষে জোট বেঁধেছে পুরো বিশ্ব

  • করোনায় মারা গেলেন কর কমিশনার আলী আজগর

  • চট্টগ্রামে সাতটি এলাকাকে উচ্চ সংক্রমিত ঘোষণা করলেও নেই তৎপরতা

  • চট্টগ্রামে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে করোনা, বাড়ছে প্রাণহানি

  • করোনার ভ্যাকসিনে মিলছে সুফল, সিভাসুর গবেষণা

  • ধান সংকটে স্থবির কুষ্টিয়ার বৃহত্তম চালের মোকাম

  • কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান-লরি সংঘর্ষে ৩ জনের প্রাণহানি

  • লঙ্কা টেস্টে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন ফাহিম

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন-ভারতের সক্রিয় ভূমিকার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন-ভারতের সক্রিয় ভূমিকার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে

রোহিঙ্গারা সংকট সমাধানে চীন আর ভারত যাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে, সেজন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) সংসদে প্রশ্নোত্তরে এ কথা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তারা (রোহিঙ্গা) দেশে ফিরে নিরাপদে থাকবে, এই বিশ্বাস তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের। রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহারের ষড়যন্ত্র বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশের বিদ্রোহী বা সন্ত্রাসীদের বাংলার মাটিতে ঠাঁই নেই।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ওপর। শুধু বাংলাদেশ নয়, অঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই যে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া দরকার, তা বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আমার উত্থাপিত নতুন চার দফা প্রস্তাব মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।'

সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সরকার প্রধান বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীন ও ভারতের সক্রিয় ভূমিকার আশায় যোগাযোগ অব্যাহত আছে। তবে রোহিঙ্গাদের মনে বিশ্বাস তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের।

তিনি বলেন, চীন ও ভারতে সাথে ইতিমধ্যে আমরা আলোচনা করেছি এবং এই বিষয়ে তাদের সক্রিয় ভুমিকা আমরা আশা করছি। রোহিঙ্গারা ফিরে গেলে নিরাপদে থাকবে, এই বিশ্বাস তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের।

রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করছে একটি মহল- এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশের সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পিছনে জিয়াউর রহমানের যে হাত রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নাই। ১৯৭৮-৭৯ সালে রোহিঙ্গা সমস্যাটা শুরু হয়। এটা একটা বাস্তবতা। আমরা সবসময় একটা শান্তিপুর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি।'

শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হবে। এতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন সব আমি করব। প্রয়োজনে আমার জীবনও যদি দিতে হয়, বাবার মতো তাও দিয়ে যাবো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর