channel 24

সর্বশেষ

  • ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: অপমৃত্যু মামলা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

  • করোনার পর বিএনপি রাজনীতিতে নতুন চিন্তা-ভাবনা

  • বাড়ছে না ছুটি, তাই ঈদ শেষে ঢাকামুখি মানুষের ঢল

  • নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক স্কুল ছাত্র নিহত

  • বৌভাত শেষে ফেরার পথে নৌকা ডুবি, কনের বাবাসহ নিখোঁজ ৪

  • রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, ৫ রোগীর মৃত্যু

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও শূন্যতা নগরীতে

  • রাজধানীতে ফিরছে মানুষ, ৩০ মে'র পর বাড়ছে না ছুটি

  • দুর্যোগে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান করাই বিএনপির রাজনীতি: কাদের

  • নিজের করোনা রিপোর্টে স্বাক্ষর করলেন নিজেই!

  • ৩০ মে'র পর বাড়ছে না সাধারণ ছুটি

  • এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে হত্যাচেষ্টা, জানেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • ঈদে থানায় প্রীতি ভোজ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

  • ডলফিনের সবচেয়ে বড় বিচরণক্ষেত্র হালদা নদীই যেন এখন মৃত্যুকুপ

  • করোনায় দেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪১

কিডনি প্রতিস্থাপন নিয়ে হাইকোর্টে দ্বিমত

কিডনি প্রতিস্থাপন নিয়ে হাইকোর্টে দ্বিমত

নিকট আত্মীয় ব্যতিত মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করার সুযোগ না রাখা সংকীর্ণ আইনের প্রসার বাড়াতে হাইকোর্টে অভিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এ সংক্রান্ত রিটের ওপর জারি করা রুলের শুনানিতে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার অভিমত ব্যক্ত করেন। পরে আদালত আগামী ২১ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে তাদের বক্তব্য দাখিলের নির্দেশ দিয়ে মুলতবি শুনানি মুলতবি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম।

আদালতের পূর্ব নির্দেশনা অনুসারে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন প্রসঙ্গে অভিজ্ঞ মতামত দিতে এসে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী  আদালতকে বলেন, এটি একটি সংকীর্ণ আইন। নিকট আত্মীয় ছাড়া আর কারো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করার সুযোগ বর্তমান আইনে নেই। নিকট আত্মীয় যে সবসময় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই আইনটি সংশোধন করতে হবে যেন, একজন সুস্থ্-সবল মানুষ চাইলেই তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করতে পারেন, এটিই হবে প্রতিকার। এজন্য দেশে ১০ হাজার মেডিকেল এক্সপার্টিস দরকার, কিন্তু সেখানে আছে মাত্র ২০০ জন। টাকা বা সম্পত্তি দান করার মতই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করতে চাওয়াটা মানুষের মৌলিক অধিকার।

তাই শুধু নিকট আত্মীয়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের প্রক্রিয়াটি সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। তবে এর কারণে সমাজের দরিদ্র মানুষেরা যেন ক্ষতির স্বীকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আইনে বিশেষ বিধান রাখারও প্রয়োজন রয়েছে বলেও আদালতকে জানান তিনি।

তবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের বিষয়টি সবার জন্য উন্মুক্ত না করার পক্ষে অভিমত দিয়েছেন আইন ও শালিস কেন্দ্রের (আসক) আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন। তিনি আদালতকে বলেন, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের সুযোগ আইনের মাধ্যমে প্রসারিত হলে দেশে এর অপব্যবহার বাড়ে যাবে। সমাজের নিম্ন শ্রেণীর মানুষেরা অভাবের তাড়নায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেনাবেচায় মেতে উঠবে। এরপর আসকের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেনাবেচা নিয়ে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।
   
একই বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ, প্রফেসর আছিয়া খানমসহ মোট ৫ জন ব্যক্তি আদালতে তাদের অভিজ্ঞ মতামত তুলে ধরেন।

পরে রিটকারী আইনজীবী রাশনা ইমাম বলেন, শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের বিষয়টি মানবিক ও দাতব্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ চেয়ে আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছি। আদালতের পূর্বের রায় অনুসারে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ (শরীরে অপরিহার্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ) দানে ধর্মীয় বিষয়টি বাধা হবে না বলে রায় আছে। সুতরাং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের ক্ষেত্রে ধর্ম কোনো বাধা হবে না। এদিকে আইনটির পরিসর বৃদ্ধি করলে এর অপব্যবহার হতে পারে বলে দাবি তোলা হয়েছে। সেজন্য আমরা সংশোধিত আইনে একটি সেফ গার্ড রাখার আবেদনও জানিয়েছি। আদালত এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর