channel 24

সর্বশেষ

  • কেনাকাটার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অবস্থান শক্ত করতে ব্যস্ত ব্যবসায়ীরা

  • সিলেটে বন্যপ্রাণি পিটিয়ে হত্যায় দুজনের নামে মামলা

  • বুন্দেসলিগায় বড় জয় বায়ার্ন মিউনিখের

  • করোনা সংক্রমণ রোধে বগুড়ায় ৭ দিন মার্কেট বন্ধের ঘোষণা

  • করোনা দুর্যোগে কিভাবে কাটছে নিষিদ্ধ পল্লির যৌনকর্মীদের দিন?

  • যেভাবে জানা যাবে এসএসসি ও সমমানের ফল

  • এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ; পাশের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ

  • ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্তে কয়েকগুণ বাড়বে সংক্রমণ ঝুঁকি

  • আজ খুলছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ

  • শঙ্কা নিয়েই খুললো সরকারি-বেসরকারি অফিস

  • কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার বিচার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ

  • ব্রাজিলে একদিনে করোনায় আক্রান্তের নতুন রেকর্ড

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত ৬০ লাখ ৫৯ হাজার ছাড়িয়েছে

  • দুমাস পর ট্রেন ও লঞ্চ চলাচলে কর্মস্থলমুখি জনস্রোত

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছে জাতিসংঘ

বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক চেয়ে হাইকোর্টে রিট

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সুদীপ দাস বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। রিটে তিনি তার পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক দিতে নির্দেশনা চেয়েছেন।

বুধবার (৬ নভেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুদীপ দাসের পক্ষে অ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে এ রিট দায়ের করেন।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

আগামী শুক্রবার বিচারক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গতকাল সুদীপ দাসকে নিয়ে চ্যানেল 24 এ প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অন্ধ হলে বিচারক হওয়াও যেন বন্ধ।’

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে বিচারক নিয়োগ বিধিতে রয়েছে এমনটা। যাতে নেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি কাউকে শ্রুতি লেখক দেয়ার নিয়ম। ফলে পরপর দুই বছর পরীক্ষায় বসলেও খালি খাতা ফেরত দেন হতভাগ্য সুদীপ। জীবনযুদ্ধে এতটা পথ পাড়ি দিয়েও এখন হতাশ এই যুবক। যদিও ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে দায়িত্ব পালন করছেন অন্ধ বিচারকেরা।

সুদীপ দাস একবুক স্বপ্ন নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়েছিলেন বিচারক হবেন বলে।

কিন্তু সেই আইন পড়াটাই যেন কাল হয়েছে তার জন্য। এক বন্ধুর হাত ধরে সুপ্রিম কোর্টে আসেন সুদীপ দাস। কথায় কথায় জানালেন তার আশঙ্কার কথা।

আগামী শুক্রবার হতে যাওয়া বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় কি অংশ নিতে পারবেন?  কেননা গত দু'বছর প্রবেশপত্র পেয়েও দিতে পারেননি এই পরীক্ষা। দেড় ঘন্টা হলে বসে থেকেও নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় শ্রুতি লেখক না পাওয়ায়। পরীক্ষার আগে বারবার যোগাযোগ করছিলেন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সাথে। কিন্তু আইনি মারপ্যাঁচে মেলেনি কোনো সহযোগিতা।

ভুক্তভোগী সুদীপ দাস বলেন, 'আমি শ্রুতি লেখক ছাড়াই পরীক্ষাটা দেই। দেড় ঘন্টা হলে বসে ছিলাম। কিছু লিখতে পারিনি। ওএমআর শিট পূরণ করেছি শিক্ষক ও পাশে থাকা পরীক্ষার্থীদের সহায়তায়। উত্তীর্ণ হওয়া তো দূরের কথা। আমি পরীক্ষাটা দিতে চাই। অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে, তুমি আবেদন করতেছো, তোমাকে তো অনুমোদন দিচ্ছে না।'

তিনি বলেন, ‘আমাকে হয়ত অনুমতি দিচ্ছে না। কিন্তু আমার হাত ধরে যদি আমার অনুজরা অনুমতি পায়।'

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর