channel 24

সর্বশেষ

  • ঠাকুরগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদকের মৃত্যু

  • বিশ্বে করোনায় প্রাণহানি চার লাখ ছুঁই ছুঁই

  • ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস আজ

  • রাজধানীতে জোনভিত্তিক লকডাউন শুরু আজ

  • অ্যালকোহল কারখানার বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি; হুমকিতে মাছসহ জলজ প্রাণী

  • অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রধান পিআরও কর্মকর্তার ইন্তেকাল

  • জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে আজও প্রাণ গেলো ৯ জনের

  • যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের মনোনয়ন নিশ্চিত

  • 'পোশাক কারখানার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কথা বলেননি বিজিএমইএ সভাপতি'

  • সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসকসহ ২৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন পান না দু'মাস

  • ঢাকাতে করোনা নিয়ে 'দ্য ইকোনমিস্টের' তথ্য সঠিক নয়: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

  • শ'খানেক কর্মহীন পরিবার রাঁধেন এক হাঁড়িতে, পতিত জমিতে ফলান সবজি

  • ডিপ কোমায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

  • পাবনায় ২ জনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

  • গণপরিবহন চালুর ষষ্ঠ দিনেও তুলনামূলক যাত্রী কম রাজধানীতে

বুয়েটে সিট ফাঁকা করে দিলো নিহত আবরারের পরিবার

বুয়েটে সিট ফাঁকা করে দিলো নিহত আবরারের পরিবার

উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় এসে লাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে, কুষ্টিয়ার ছেলে আবরার ফাহাদকে। এবার বুয়েটে হলের সিটও ফাঁকা করে দিয়েছে তার পরিবার। গুটিয়ে নিয়েছে ব্যবহার্য জিনিসপত্র। দ্রুত বিচারকাজ শুরুর তাগিদ দিয়েছেন আবরারের বাবা। এভাবে যাতে আর কাউকে স্বজন হারাতে না হয়, সেই আকুতি আবরার ফাহাদের ভাইয়ের।

আরও আগেই স্মৃতির আঁখরের বাহ্যিকতা মুছে ফেলেছে আবরার ফাহাদ। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর জীবন প্রদীপ নিভে গেছে ২৪ দিন হয়ে গেছে। এখনো শুনশান পড়ে আছে শেরেবাংলা হলে ১০১১ নম্বর কক্ষটি। নিজের রুমের ঠিক ওপরে থাকা দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েই ৬ অক্টোবর মারা যান আববার।

কুষ্টিয়ার বাড়িতে আবরার ফাহাদের নিথর দেহ ফিরেছে আগেই। এবারে ফিরছে তার ব্যবহৃত বিছানাপত্র ও পড়ার উপকরণ। যা নিতে এসেছিলেন তার বাবা, ভাই ও স্বজনরা। এসময় শোক ছাপিয়ে বিচারের দাবিই হয়ে ওঠে মুখ্য।

আবরারের বাবা বলেন, মামলা যেভাবে আগাচ্ছে তাতে আমরা খুশি কিন্তু এভাবেই দ্রুত গতিতে যেন মামলা আগায় এবং এর বিচার প্রক্রিয়াও যেন দ্রুত হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই দাবিই করছি।

নিহত আবরারের কাছে রুমমেটদের কোন দাবি-দাওয়া থাকলে তা জানাতে বলেন তার ভাই। আবেগঘন পরিবেশে বড় ভাইয়ের হয়ে বিদায় নেন। বলেন, এমন দুঃখ যেন আর কারো জীবনে না আসে।

এই হলের বেশিরভাগই ছিলেন বন্ধু-সহপাঠী, কেউ রুমমেট, এক অর্থে ছিলেন আবরারের স্বজন। তাদের কণ্ঠেও ঝরেছে নিরাপদ হলের দাবি।

সহপাঠিরা বলছেন, এখানে সবাই সমান, ক্ষমতার চর্চা বন্ধ করতে হবে। আমরা সবার মিলে চেষ্টা করবো নতুন যারা আসবে তারা যেন একটা সুস্থ, স্বাভাবিক পরিবেশ পায়।

সন্তানকে বড়ো প্রকৌশলি বানাতে পড়োতে পাঠিয়েছিলেন আবরারের বাবা-মা। কিন্তু পড়াশোনা শেষ হবার আগেই ফিরে গেল সেই সন্তানের নিথর দেহ, ফিরিয়ে নিতে হল তার ব্যবহৃত আসবাবপত্রগুলোও। কিন্তু এমনটি যেন আর কোন পিতা-মাতার ভাগ্যে না ঘটে তাই চান আবরারের পরিবার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর