channel 24

সর্বশেষ

  • প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের স্পিনে ধরাশায়ী জিম্বাবুয়ে

  • ক্যাম্পাসেই করলেন গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান

  • দেশের অর্থনীতি সিঙ্গাপুরের চেয়ে শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণের পর শিশু হত্যা, সিরাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

  • ঢাকায় মেট্রোরেলের মকআপ ট্রেন, মতিঝিল-দিয়াবাড়ি রুট চালু আগামী বছর

  • ইতিহাস বিভাগের দাবিতে আজও উত্তাল গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়

  • চীনকে ১৮ লাখ মেডিকেল সামগ্রী দিলো বাংলাদেশ

  • করোনাভাইরাস: চীনে আটকা পড়া ১৯৮ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দেশে ফেরার আকুতি

  • বেত্রাঘাতের প্রতিশোধ নিতে শিক্ষককে খুন, একজনের মৃত্যুদণ্ড

  • ‘কচুরিপানা খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

  • রাজধানীর আরামবাগে ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

  • স্মার্ট এগ্রোরোবট উদ্ভাবন করেছেন ২ শিক্ষার্থী

  • টানা পাঁচদিন পর ফের পতন পুঁজিবাজারে

  • ফজলে কবিরকে গভর্নর পদে চুক্তিতে নিয়োগ

  • ময়মনসিংহে যুব বিশ্বকাপজয়ী রাকিবুলকে সংবর্ধনা

চ্যানেল 24 সংবাদ প্রচার না করলে জাহালম হতো আরেক জজ মিয়া: হাইকোর্ট

চ্যানেল 24 সংবাদ প্রচার না করলে জাহালম হতো আরেক জজ মিয়া: হাইকোর্ট

চ্যানেল 24 এ সংবাদ প্রচার না হলে, জাহালম হয়তো আরেক জজ মিয়া হতো বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। দুপুরে জাহালমের ঘটনায় দুদকের করা তদন্ত রিপোর্টের উপর শুনানিতে আদালত এ কথা বলেন।

আদালত বলেন, দুদকের রিপোর্টে তারা সন্তুষ্ট, তবে এ ঘটনায় আরও অনেকেই জড়িত রয়েছে বলে তারা মনে করেন। একই সাথে জাহালমের ঘটনায় যারা এখনো চাকরিতে বহাল আছেন, কেউ যেন টাকা পয়সা নিয়ে পালাতে না পারেন সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেয়া হয়।

সেই সাথে জড়িত দুদকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তাও জানতে চান হাইকোর্ট। পরে আদালত আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত এ মামলার শুনানি মুলতুবি করেন। 

ঘটনার শুরু ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। সোনালী ব্যাংকের মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখা থেকে সাড়ে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন আবু সালেক নামে এক লোক। এরপর দুদকের মামলা। কিন্তু আবু সালেক নয় কারাগারে ঠাঁই হয় জাহালমের। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান সার্চলাইটে প্রায় ১ ছর আগেই তুলে ধরা হয় এর আদ্যোপান্ত।

মূল আসামি আবু সালেক। বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে। কিন্তু নাম ঠিকানা বদলে ফেলায় জাহালম হন বলির পাঁঠা।

ছবির সাথে মিল থাকায় পাটকল শ্রমিক জাহালম জেল খাটলেও দুদদকের ৩২ মামলার একটিতেও তার সম্পৃক্ততার কথা কেউ স্বীকার করেননি।

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নানা তথ্য। জাহালম যেখানে বাংলায় স্বাক্ষর করতে পারেন না সেখানে চেকে স্বাক্ষর ইংরেজিতে। এ নিয়ে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামির সাথে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কথা হয়, যিনি সালেকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন এবং আদালতেও জবানবন্দি দেন।

ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের সাথে জড়িত এই নজরুলের স্বীকারোক্তি ধরে এগোলে সালেককে খুঁজে বের করা সম্ভব ছিলো। কিন্তু দুদক বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যায়। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর জাহালমের দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র খুঁজে বের করে। এর একটিতে ঠাকুরগাঁওয়ের ভোল্লা এবং অপরটিতে গ্রামের ঠিকানা দেখানো হয়েছে জামালপুরের পিংনা।

দুটি আইডি কার্ডে সব মিল থাকলেও অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে ভেতরের দুটি ডিজিট পরিবর্তন করা হয়েছে। এর বাইরে জন্ম তারিখ ঠিক থাকলেও পিতার নাম এবং ঠিকানা বদলে ফেলা হয়েছে।

পুরো ঘটনার খলনায়ক আবু সালেক মূলত কাজ করতেন, নির্বাচন কমিশনের ভোটার আইডি কার্ড প্রস্তুত প্রকল্পে। সেই সুযোগ নিয়েই একজন নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে দেন। আড়াল করেন নিজের অপকর্ম।

ভুল আসামি জাহালমকে নিয়ে রিপোর্ট প্রচারের পর নড়েচড়ে বসে দুদক। সাথে যোগ দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও। তবে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে রিপোর্ট প্রচারের পর থেকেই আবু সালেক আত্মগোপনে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর