channel 24

সর্বশেষ

  • ঢাবি অধ্যাপক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

  • ড্রাম সিডার পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট দূরত্বে ও সঠিক হারে বীজ বপন

  • খুনিদের গ্রেপ্তার দাবিতে রায়হানের মায়ের অনশন

  • নাটোরে একই জমিতে বিভিন্ন ফসলের মিশ্র চাষ

  • বিগ ম্যাচে রাতে লেস্টার সিটিকে আতিথ্য দেবে আর্সেনাল

  • দুগ্ধ ও মাংস শিল্প রক্ষার্থে ডেইরি ফার্মারস এসোসিয়েশনের ১০ দফা দাবি

  • ফের শুরু ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, আশুলিয়ায় মাদকসহ আটক ২১

  • শেরপুরে দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের জীবন বদলে দিচ্ছেন শাহীন মিয়া

  • দেশে করোনা আক্রান্ত চার লাখ ছুঁইছুঁই

  • বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় কাজু বাদাম চাষের উদ্যোগ

  • মাস্ক ছাড়া সরকারি-বেসরকারি কোনো সেবা নয়

  • প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মাহমুদউল্লাহ-নাজমুল একাদশ

  • বিস্ফোরণের দু:সহ অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরেছে যুদ্ধজাহাজ 'বিজয়'

  • জনগণকে বোকা বানাচ্ছে সরকার: ফখরুল

  • ধর্ষকদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা বন্ধ: কাদের

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর