channel 24

সর্বশেষ

  • কচুরিপানায় ভাগ্য বদলেছে দুই শতাধিক নারীর

  • মামুনুলের নজর ছিলো ধর্মকে পুঁজি করে ক্ষমতা দখলে: পুলিশ

  • ফোর্বসের 'থার্টি আন্ডার থার্টি এশিয়া' তালিকায় ৯ বাংলাদেশি

  • সুপার লিগের বিপক্ষে জোট বেঁধেছে পুরো বিশ্ব

  • করোনায় মারা গেলেন কর কমিশনার আলী আজগর

  • চট্টগ্রামে সাতটি এলাকাকে উচ্চ সংক্রমিত ঘোষণা করলেও নেই তৎপরতা

  • চট্টগ্রামে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে করোনা, বাড়ছে প্রাণহানি

  • করোনার ভ্যাকসিনে মিলছে সুফল, সিভাসুর গবেষণা

  • ধান সংকটে স্থবির কুষ্টিয়ার বৃহত্তম চালের মোকাম

  • কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান-লরি সংঘর্ষে ৩ জনের প্রাণহানি

  • লঙ্কা টেস্টে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন ফাহিম

  • দেশে করোনায় মৃত্যু সর্বোচ্চ পর্যায়ে, কমতে পারে মে'র প্রথম সপ্তাহে

  • লকডাউনের প্রভাবে কমতে শুরু করেছে নিত্য পণ্যের দাম

  • উয়েফার হুঙ্কার আমলেই নিলেন না পেরেজ

  • দেশে করোনায় আরও ৯১ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ৪৫৫৯

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর