channel 24

সর্বশেষ

  • প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ ২৪ দিন বাড়িয়েছে সৌদি সরকার

  • চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির দুর্নীতি বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, জানতে চান হাইকোর্ট

  • পুঁজিবাজারে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও'র অনুমোদন

  • কক্সবাজারে হাত ও পায়ের রগ কেটে মাকে হত্যা

  • কক্সবাজারে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া, ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

  • ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর অনিশ্চিত: বিসিবি

  • স্পেনেই থাকছেন লুইস সুয়ারেজ

  • আদার যত গুণ

  • করোনায় দেশে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬৬৬

  • শাপলা শুধু সৌন্দর্যই নয়, এখন রুটি-রুজির অংশ

  • ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কাছে এক স্বপ্নের নাম সুচরিতা চাকমা

  • সূচকের ইতিবাচক ধারায় শেষ হল চতুর্থ কার্যদিবসের লেনদেন

  • ক্রিকেটার আবু জায়েদ রাহী করোনায় আক্রান্ত

  • কক্সবাজার পৌর মেয়রের শ্যালকের ৪ কোটি টাকা জব্দ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর