channel 24

সর্বশেষ

  • করোনার সম্মুখ যোদ্ধা গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশের ঈদ

  • বিষাদের ঈদ: নিম্নআয়ের অনেকের ঘরেই জ্বলেনি চুলা

  • একটু স্বস্তির খোঁজে শেষ বিকেলে রাজধানীর হাতিরঝিলে মানুষের ভিড়

  • করোনায় চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যসেবীদের ঈদ কাটছে পরিবার ছাড়াই

  • হাঁটুপানিতে ঈদের নামাজ আদায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের

  • বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক অশোক চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত

  • করোনা ভয় উপেক্ষা করেই সাবেক সংসদ সদস্য মকবুলের জানাজায় হাজারো মানুষ

  • খবর পেলেই করোনায় মৃতদের দাফন বা সৎকারে ছুটে যান কাউন্সিলর খোরশেদ

  • পবিত্র ঈদুল ফিতরে দুঃসময় কাটিয়ে সুদিন ফেরার প্রার্থনা

  • দেশে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯৭৫

  • কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মবার্ষিকী আজ

  • ঈদ আনন্দে বেদনার ছাপ; জামাতে মানা হয়নি শারীরিক দূরত্ব

  • ঈদেও কর্মব্যস্ত করোনার সম্মুখ যোদ্ধারা; স্বজনহারাদের হৃদয়ে বিষাদের সুর

  • ঈদের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

  • বিশ্বজুড়ে অব্যাহত করোনায় মৃত্যুর মিছিল

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর