channel 24

সর্বশেষ

  • ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসি দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান’

  • ‘দেশ-বিদেশে যে অপপ্রচার হয়েছিল তার জবাব দেয়ার প্রয়োজন নেই’

  • বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ সাব্বিরের বিরুদ্ধে

  • সুপার লিগ নিশ্চিত করেছে চার দল

  • 'বাংলাদেশ টাইগার্স' নামে আসছে নতুন ক্রিকেট দল

  • ব্যাংকিং খাতে খেলাপির হার বেড়েছে কয়েক গুণ

  • স্বামীর খোঁজে সংবাদ সম্মেলনে ধর্মীয় বক্তা ত্ব-হার স্ত্রী

  • অজিদের নানান জটিল শর্তে চিন্তায় বিসিবি

  • পরীমণি-কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া তিন নারী কারা?

  • ‘ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই’ সংসদে শাহজাদা

  • বোটক্লাবের আগের রাতে গুলশানের অভিজাত ক্লাবে পরীমণির তুলকালাম কাণ্ড

  • কুষ্টিয়ায় নৃশংসতার পর এবার সিলেটেও তিন খুন

  • অবশেষে মুক্তি পেলেন অন্যের সাজা ভোগ করা মিনু

  • চলমান বিধিনিষেধ বাড়লো ১৫ জুলাই পর্যন্ত

  • খুলনা জেনারেল হাসপাতালে চালু হচ্ছে ৭০ শয্যার করোনা ইউনিট

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর