channel 24

সর্বশেষ

  • জেকেজির আরিফ চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে

  • সফেদার পুষ্টিগুণ

  • বাংলাদেশের প্রথম হেলিপোর্ট নির্মাণে কাজ চলছে

  • মরিচের টেপা পচা বা অ্যানথ্রাকনোজ রোগ

  • ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিলেটের টিভি সাংবাদিকরা

  • চীনাবাদামের ছত্রাকজনিত টিক্কা রোগ

  • ক্যাসিনোকাণ্ড: ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয় গোপাল কারাগারে

  • রিকশা ব্যবসাও ছাড়েননি সাহেদ, এখানেও আশ্রয় নেন জালিয়াতির

  • চট্টগ্রামে ঘরে ঘরে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পৌঁছে দেবে বিএনপি

  • কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্য অপসারন শুরু

  • চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভারতের পণ্য পরিবহন পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে

  • শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে বয়কটের ঘোষণা

  • সাহেদকে প্রশ্রয়দাতা কারা, খতিয়ে দেখা হবে: র‍্যাব ডিজি

  • মোবাইল অপারেটরদের তিন মাসে গ্রাহক কমেছে প্রায় ৪৬ লাখ

  • আরও ১৩ কোটি মানুষ খাদ্যাভাবে পড়তে পারে: জাতিসংঘ

দেশে ১ কোটি টাকার ওপর ঋণখেলাপির পরিমাণ ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা

দেশে ১ কোটি টাকার ওপর ঋণখেলাপির পরিমাণ ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা

দেশে ১ কোটি টাকার ওপরে ১০ হাজার ৪৭৬টি অ্যাকাউন্টের বিপরীতে ঋণখেলাপির পরিমাণ ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা উল্লেখ করে হাইকোর্টে একটি তালিকা জমা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবার (২৪ জুন) এ তালিকা দাখিল করা হয়। আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ তালিকা দখিল করেন।

এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. মুনিরুজ্জামান। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

শুনানি শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, 'পূর্বের আদেশ অনুসারে আজ ঋণখেলাপিদের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী ওই তালিকা গোপনীয় হওয়ায় তা সিল করা প্যাকেটে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। কেননা, আইন অনুযায়ী ওই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক বা আমরা কেউই প্রকাশ করতে পারিনা। ওই তালিকায় ১ কোটি টাকার ওপরে ঋণখেলাপি ১০ হাজার ৪৭৬ টি অ্যাকাউন্টের নাম দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১০৬ টি অ্যাকাউন্ট কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এবং ৯ হাজার ৩৭০টি অ্যাকাউন্ট ব্যাংকের ঋণখেলাপি। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল স্যার মোট ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি আছে বলে তথ্য দিয়েছেন।'

তিনি আরও বলেন, '৮০ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে নন পারফর্মিং লোন (এলপিএল) হিসেবে পড়ে আছে। পাশাপাশি আরও ৩০ হাজার কোটি টাকা রয়েছে, যেগুলো অবলোপিত। অর্থাৎ এই ৩০ হাজার কোটি টাকা পাওয়া যাবেনা আবার পাওয়া যেতেও পারে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। তাই সব মিলিয়ে আপাদত ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা এই তিনভাগে এলপিএল হিসেবে পড়ে আছে।

এদিকে শুনানি শেষে ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে গত ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার আরও ২ মাস স্থগিত রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে 'ঋণ পুনঃতফসিল ও এককালীন এক্সিট সংক্রান্ত বিশেষ নীতিমালা' জারি করে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের অনারোপিত সুদ মওকুফ সুবিধার পাশাপাশি খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যাংকের দায়ের করা মামলাও স্থগিত রাখার কথা বলা হয়। এছাড়াও  আরেকটি সার্কুলারে যারা নিয়মিত ঋণ শোধ করেন, তাদের সুদে দশ শতাংশ রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার কথা বলে বাংলাদেশ ব্যাংক।  

পরে কমিশন গঠন করে ওই সার্কুলার স্থগিত এবং ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারিদের তালিকা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। সে রিটের শুনানি নিয়ে ১ কোটি টাকার ওপর ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারিদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলো হাইকোর্ট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর