channel 24

সর্বশেষ

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

  • এবার মার্কিন পুলিশের গু লিতে প্রাণ হারালেন হুইলচেয়ারে বসা বৃদ্ধ

  • বাবরের একাদশে পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের ক্রিকেটার বেশি

  • চাকরি দিচ্ছে বিকেএসপি

  • দাউদাউ করে জ্বলছে বিয়েবাড়ি, খেয়েই চলেছেন নিমন্ত্রিতরা (ভিডিও)

  • ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

  • অভিবাসী প্রেরণে বিশ্বে ষষ্ঠ, রেমিটেন্স গ্রহণে অষ্টম বাংলাদেশ

কোলেস্টেরল কমাতে ওষুধ খাওয়া কতটা সঠিক?

কোলেস্টেরল কমাতে ওষুধ খাওয়া কতটা সঠিক?

কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি জাতীয় পদার্থ, যা প্রাণী দেহের কোষের দেয়ালে থাকে। কোলেস্টেরল কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। সব ধরনের কোলেস্টেরলই কিন্তু খারাপ নয়। তবে কোলেস্টেরল মানেই যে খারাপ তা কিন্তু নয়। বরং সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ কোলেস্টেরলের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা হৃদ্‌রোগজনিত অসুস্থতার কারণ হয়ে ওঠে। দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা জানা যায় রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই। এই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে চিকিৎসকরা কোলেস্টেরল কমানোর জন্য ওষুধ দিয়ে থাকেন।

চিকিৎসকদের মতে, কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে প্রথমেই ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। এটি কমানোর জন্য প্রথমেই পরিবর্তন আনতে হয় রোজকার ডায়েটে। এর সঙ্গে নজর দিতে হবে নিয়মিত শরীরচর্চারও প্রতিও। কিন্তু তারপরও যদি কোনোরকম উন্নতি না হয়, তখনই ওষুধের কথা ভাবেন চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুন: জ্বরঠোসা হওয়ার কারণ ও মুক্তির উপায়

তবে নিজে ওষুধের দোকান থেকে কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ কিনতে যাবেন না। কারণ ওষুধটির পরিমাপ ও প্রয়োজনীয়তা সবটাই প্রতিটি রোগীর ক্ষেত্রে আলাদা। রোগীর কোলেস্টেরলের মাত্রা ও তার অন্যান্য শারীরিক সমস্যার বিষয়ে বিস্তারিত জেনে তবেই ওষুধ দেন চিকিৎসক। তার আগে চিকিৎসকরা জেনে নেন রোগীর কো-মর্বিডিটি রয়েছে কিনা। 

অনেক সময় রোগীর একাধিক জটিলতা থাকলে চিকিৎসকেরা ‘কম্বিনেশন মেডিসিন’-ও দিয়ে থাকেন।

সাধারণত এই ধরনের ওষুধে বড়সড় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবে দেহে হালকা ব্যথা, পেশি ও পিঠে ব্যথা হতে পারে। খুব কম লোকের ক্ষেত্রেই বমিভাব, মাথাব্যথা, লিভারের সমস্যা দেখা দিয়েছে। ওষুধ খাওয়ার পর যদি মনে হয় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে, তা হলে ২ সপ্তাহের মধ্যেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এসিএন/এইউ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর