channel 24

সর্বশেষ

  • মধ্যরাত থেকে যেসব এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

  • যশোরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের হামলায় নৌকার ২০ কর্মী আহত

  • পান্থপথে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু : ডিএনসিসির সেই চালক গ্রেপ্তার

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা সীমান্তের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে: প্রধানমন্ত্রী

  • আমতলীতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান রাফেজা বেগম

  • ২২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আখ মাড়াই শুরু

  • শেরপুরে আ.লীগ নেতাকে বহিষ্কারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

  • করোনার নতুন ধরন ‘ভয়ংকর’, দেশে দেশে সতর্কতা

  • আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি দিচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

  • নতুন সময়ে মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় দিনের খেলা

  • সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই: ভারতের হাইকমিশনার

  • চরের অবশিষ্ট মানুষকে দ্রুত বিদ্যুৎ দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  • যাদের কারণে হুমকির মুখে শোয়েবের ১৮ বছরের রাজত্ব

  • পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে ভয়ে কাঁপছিলেন কোহলিরা: ইনজামাম

  • মারা গেলেন পৃথিবীর প্রবীণতম নারী

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

করোনা আতংক ছেয়ে আছে পুরো দেশ। আর তা প্রতিরোধে বারবার ঘরবন্দি থাকবার কথা বলছে সরকার। এই যেমন পপি ইসলাম ও ফিরোজ এমদাদ। গৃহবন্দী হাজারো গল্পের ভীড়ে আছে এই দম্পতিও। কেমন কাটছে তাদের দিনলিপি ? অদৃশ্য শত্রুর দৃশ্যমান আতংকে তাদের মনের অজানা ভাবনাগুলোইবা কেমন?

ভাবতাম বাসায় থাকাটা খুব সহজ। এখন গৃহবন্দী অবস্থায় বুঝি তা কতোটা কঠিন। ১ দিন ২ দিন হয়তো কোনো ব্যাপার না। কিন্তু দিনের পর দিন যখন ঘরটাই হয়ে ওঠে সমস্ত পৃথিবী, ভালো লাগে না কিছুই। মাঝে মাঝে খুব হাঁপিয়ে উঠি; ভাবি আর কতোদিন থাকতে হবে এমন করে?

এখন আকাশ বলতে বারান্দা কিংবা জানালা দিয়ে যতোটুকু দেখা যায়। কতোদিন যে বিশাল আকাশ দেখি না। শুনেছি শহরটা নাকি এখন গাঢ় সবুজে মাখামাখি; তবে আমার সবুজ এখন বারান্দার ছোট্ট টবেই; চারদেয়ালে আটকে থাকবার দমবন্ধ অনুভূতি থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস অতোটুকুই।

মাঝে মাঝে চেনা রাস্তায় চোখ যায়। নেই কোলাহল, হৈচৈ, ফেরিওয়ালার হাঁকডাক, রিক্সাওয়ালার ক্রিং ক্রিং; চারপাশ জুড়ে শুধুই শূণ্যতা আর হাহাকার। এতো নিস্তব্ধতায় সারাটাদিন কিছুতেই কাটতে চায় না।

যদিও পারিবারিক বন্ডিং তৈরি হচ্ছে নিজেকে চিনতে পারছি, অন্যকে জানতে পারছি। সম্পর্কগুলো নতুন করে ঝালাই হচ্ছে। সবাই সবার খোঁজ নিচ্ছি। রান্না, মুভি, বই; খুব একটা খারাপ কাটছে না সময়। তবে এভাবে চললে তো একঘেয়েমিটা ঘেষে বসবে গায়ের সাথে।

থেকে থেকেই উৎকণ্টা বাড়ছে, জেঁকে বসছে বিষন্নতা। পাশে হয়তো সবাই আছে, তবুও কোথায় যেন একটা একাকিত্বের সুর বেজে ওঠে। বাড়ছে অপেক্ষা প্রতীক্ষা, কবে শেষ হবে এই অস্থিরতা? আবার কবে শান্ত হবে পৃথিবী?

আমরা যারা ঘরে আছি, আমাদেরওতো খোলা আকাশ দেখতে ইচ্ছে করে, আমাদেরওতো ইচ্ছে করে আবার হেঁটে বেড়াতে, ডানা মেলতে। চাই খুব দ্রুত শেষ হোক সবকিছু। আর তাই যারা অসচেতন, তাদেরকে বলতে চাই- প্লিজ সচেতন হন, প্লিজ প্লিজ...।

আসুননা সংকটকালীন এমন আকুতিতে ঘরে থাকি আমরা সবাই নিজের জন্য, মানুষের জন্য, দেশের জন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর