channel 24

সর্বশেষ

  • স্বাবলম্বী দেশ গড়া ছিল বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য

  • জনগণের অর্থ ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান পরিকল্পনামন্ত্রীর

  • করোনাকালীন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা দিচ্ছেন ডা. হরিশংকর দাশ

  • সিনহা হত্যা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির গণশুনানি কাল

  • জাতীয় শোক দিবসে ইতিহাসের মহানায়ককে স্মরণ

  • বঙ্গবন্ধু কোনো দলের নয়, বরং দেশের সম্পদ: জিএম কাদের

  • আ. লীগের নেতাকর্মীরাই স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতিবাজ: রিজভী

  • গাইবান্ধায় হাটে পশু জবাইয়ের বর্জ্যে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

  • চীনের তৈরি ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিলে বাংলাদেশ লাভবান হতো: ডা. জাফরুল্লাহ

  • সারা দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস

  • হাসপাতালে আইজি, ডিআইজির পরিচয়ে অভিনব প্রতারণা

  • খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতির স্ত্রী নিহত

  • করোনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যু

  • সাগরের ইলিশে ভরপুর মোকামগুলো, রপ্তানীর অনুমোদন চান বিক্রেতারা

  • যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকসহ গ্রেফতার ৫

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

করোনা আতংক ছেয়ে আছে পুরো দেশ। আর তা প্রতিরোধে বারবার ঘরবন্দি থাকবার কথা বলছে সরকার। এই যেমন পপি ইসলাম ও ফিরোজ এমদাদ। গৃহবন্দী হাজারো গল্পের ভীড়ে আছে এই দম্পতিও। কেমন কাটছে তাদের দিনলিপি ? অদৃশ্য শত্রুর দৃশ্যমান আতংকে তাদের মনের অজানা ভাবনাগুলোইবা কেমন?

ভাবতাম বাসায় থাকাটা খুব সহজ। এখন গৃহবন্দী অবস্থায় বুঝি তা কতোটা কঠিন। ১ দিন ২ দিন হয়তো কোনো ব্যাপার না। কিন্তু দিনের পর দিন যখন ঘরটাই হয়ে ওঠে সমস্ত পৃথিবী, ভালো লাগে না কিছুই। মাঝে মাঝে খুব হাঁপিয়ে উঠি; ভাবি আর কতোদিন থাকতে হবে এমন করে?

এখন আকাশ বলতে বারান্দা কিংবা জানালা দিয়ে যতোটুকু দেখা যায়। কতোদিন যে বিশাল আকাশ দেখি না। শুনেছি শহরটা নাকি এখন গাঢ় সবুজে মাখামাখি; তবে আমার সবুজ এখন বারান্দার ছোট্ট টবেই; চারদেয়ালে আটকে থাকবার দমবন্ধ অনুভূতি থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস অতোটুকুই।

মাঝে মাঝে চেনা রাস্তায় চোখ যায়। নেই কোলাহল, হৈচৈ, ফেরিওয়ালার হাঁকডাক, রিক্সাওয়ালার ক্রিং ক্রিং; চারপাশ জুড়ে শুধুই শূণ্যতা আর হাহাকার। এতো নিস্তব্ধতায় সারাটাদিন কিছুতেই কাটতে চায় না।

যদিও পারিবারিক বন্ডিং তৈরি হচ্ছে নিজেকে চিনতে পারছি, অন্যকে জানতে পারছি। সম্পর্কগুলো নতুন করে ঝালাই হচ্ছে। সবাই সবার খোঁজ নিচ্ছি। রান্না, মুভি, বই; খুব একটা খারাপ কাটছে না সময়। তবে এভাবে চললে তো একঘেয়েমিটা ঘেষে বসবে গায়ের সাথে।

থেকে থেকেই উৎকণ্টা বাড়ছে, জেঁকে বসছে বিষন্নতা। পাশে হয়তো সবাই আছে, তবুও কোথায় যেন একটা একাকিত্বের সুর বেজে ওঠে। বাড়ছে অপেক্ষা প্রতীক্ষা, কবে শেষ হবে এই অস্থিরতা? আবার কবে শান্ত হবে পৃথিবী?

আমরা যারা ঘরে আছি, আমাদেরওতো খোলা আকাশ দেখতে ইচ্ছে করে, আমাদেরওতো ইচ্ছে করে আবার হেঁটে বেড়াতে, ডানা মেলতে। চাই খুব দ্রুত শেষ হোক সবকিছু। আর তাই যারা অসচেতন, তাদেরকে বলতে চাই- প্লিজ সচেতন হন, প্লিজ প্লিজ...।

আসুননা সংকটকালীন এমন আকুতিতে ঘরে থাকি আমরা সবাই নিজের জন্য, মানুষের জন্য, দেশের জন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর