channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ: আটক অর্ধশতাধিক, ওয়াশিংটনে সেনা মোতায়েন

  • করোনায় ব্রাজিলে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৬২ জনের মৃত্যু

  • করোনার উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকিতে দেশের সব বিমানবন্দর

  • রাজধানীতে জেকেজি হেলথ কেয়ার কর্মীদের বিক্ষোভ

  • বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিএফের চাল চুরিসহ নানা অভিযোগ

  • যমুনা ও তিস্তার ভাঙনে নির্ঘুম রাত কাটাছে নদীপাড়ের বাসিন্দারা

  • ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ

  • বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের কাছে জিম্মি চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে আরও ১৫ জনের মৃত্যু

  • নেগেটিভ রোগিকে রাখা হয়েছে করোনা ইউনিটে, আগুনে মৃত্যুর পর দেড় লাখ টাকা বিল দাবি!

  • ৮ জুলাই টেস্ট ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরছে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • লালমনিরহাটে বাস শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ

  • করোনায় মারা গেলেন আরও এক পুলিশ সদস্য

  • ঢাকা দ. সিটির দুর্নীতি উৎপাটনের হুঁশিয়ারি তাপসের

  • অবৈধপথে বিদেশ পাড়ি; দালালচক্রের কাছে বন্দি জীবন

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

করোনা আতংক ছেয়ে আছে পুরো দেশ। আর তা প্রতিরোধে বারবার ঘরবন্দি থাকবার কথা বলছে সরকার। এই যেমন পপি ইসলাম ও ফিরোজ এমদাদ। গৃহবন্দী হাজারো গল্পের ভীড়ে আছে এই দম্পতিও। কেমন কাটছে তাদের দিনলিপি ? অদৃশ্য শত্রুর দৃশ্যমান আতংকে তাদের মনের অজানা ভাবনাগুলোইবা কেমন?

ভাবতাম বাসায় থাকাটা খুব সহজ। এখন গৃহবন্দী অবস্থায় বুঝি তা কতোটা কঠিন। ১ দিন ২ দিন হয়তো কোনো ব্যাপার না। কিন্তু দিনের পর দিন যখন ঘরটাই হয়ে ওঠে সমস্ত পৃথিবী, ভালো লাগে না কিছুই। মাঝে মাঝে খুব হাঁপিয়ে উঠি; ভাবি আর কতোদিন থাকতে হবে এমন করে?

এখন আকাশ বলতে বারান্দা কিংবা জানালা দিয়ে যতোটুকু দেখা যায়। কতোদিন যে বিশাল আকাশ দেখি না। শুনেছি শহরটা নাকি এখন গাঢ় সবুজে মাখামাখি; তবে আমার সবুজ এখন বারান্দার ছোট্ট টবেই; চারদেয়ালে আটকে থাকবার দমবন্ধ অনুভূতি থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস অতোটুকুই।

মাঝে মাঝে চেনা রাস্তায় চোখ যায়। নেই কোলাহল, হৈচৈ, ফেরিওয়ালার হাঁকডাক, রিক্সাওয়ালার ক্রিং ক্রিং; চারপাশ জুড়ে শুধুই শূণ্যতা আর হাহাকার। এতো নিস্তব্ধতায় সারাটাদিন কিছুতেই কাটতে চায় না।

যদিও পারিবারিক বন্ডিং তৈরি হচ্ছে নিজেকে চিনতে পারছি, অন্যকে জানতে পারছি। সম্পর্কগুলো নতুন করে ঝালাই হচ্ছে। সবাই সবার খোঁজ নিচ্ছি। রান্না, মুভি, বই; খুব একটা খারাপ কাটছে না সময়। তবে এভাবে চললে তো একঘেয়েমিটা ঘেষে বসবে গায়ের সাথে।

থেকে থেকেই উৎকণ্টা বাড়ছে, জেঁকে বসছে বিষন্নতা। পাশে হয়তো সবাই আছে, তবুও কোথায় যেন একটা একাকিত্বের সুর বেজে ওঠে। বাড়ছে অপেক্ষা প্রতীক্ষা, কবে শেষ হবে এই অস্থিরতা? আবার কবে শান্ত হবে পৃথিবী?

আমরা যারা ঘরে আছি, আমাদেরওতো খোলা আকাশ দেখতে ইচ্ছে করে, আমাদেরওতো ইচ্ছে করে আবার হেঁটে বেড়াতে, ডানা মেলতে। চাই খুব দ্রুত শেষ হোক সবকিছু। আর তাই যারা অসচেতন, তাদেরকে বলতে চাই- প্লিজ সচেতন হন, প্লিজ প্লিজ...।

আসুননা সংকটকালীন এমন আকুতিতে ঘরে থাকি আমরা সবাই নিজের জন্য, মানুষের জন্য, দেশের জন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর