channel 24

সর্বশেষ

  • ইংলিশ লিগে আজ মুখোমুখি এভারটন ও টটেনহ্যাম

  • সূচক কিছুটা গতিশীল হলেও বড় পরিবর্তন নেই লেনদেনে

  • রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদে রেকর্ড

  • ইংল্যান্ডে দু'দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

  • ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল

  • রিজার্ভ থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কাজে লাগানো যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ

  • আর্থিক সংকটে পাইওনিয়ার লিগ খেলা ফুটবলাররা

  • খুলনার সেই সালামকে মুক্তির নির্দেশ আদালতের

  • উপনির্বাচন ইসির এখতিয়ার, এতে সরকারের হাত নেই: কাদের

  • সাঈদ হোসেন চৌধুরীকে ওয়ান ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ

  • মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ক্লাব সভাপতি

  • দিনাজপুরে বিআরটিসির বাসচাপায় নিহত ৫

  • লাপাত্তা হওয়া ক্রেস্ট সিকিউরিটিজর মালিক স্ত্রীসহ আটক

  • চট্টগ্রামে অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন একদল যুবক

  • মাদক নিয়ন্ত্রণে কাওরান বাজারে রেল লাইনের পাশের বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

করোনা আতংক ছেয়ে আছে পুরো দেশ। আর তা প্রতিরোধে বারবার ঘরবন্দি থাকবার কথা বলছে সরকার। এই যেমন পপি ইসলাম ও ফিরোজ এমদাদ। গৃহবন্দী হাজারো গল্পের ভীড়ে আছে এই দম্পতিও। কেমন কাটছে তাদের দিনলিপি ? অদৃশ্য শত্রুর দৃশ্যমান আতংকে তাদের মনের অজানা ভাবনাগুলোইবা কেমন?

ভাবতাম বাসায় থাকাটা খুব সহজ। এখন গৃহবন্দী অবস্থায় বুঝি তা কতোটা কঠিন। ১ দিন ২ দিন হয়তো কোনো ব্যাপার না। কিন্তু দিনের পর দিন যখন ঘরটাই হয়ে ওঠে সমস্ত পৃথিবী, ভালো লাগে না কিছুই। মাঝে মাঝে খুব হাঁপিয়ে উঠি; ভাবি আর কতোদিন থাকতে হবে এমন করে?

এখন আকাশ বলতে বারান্দা কিংবা জানালা দিয়ে যতোটুকু দেখা যায়। কতোদিন যে বিশাল আকাশ দেখি না। শুনেছি শহরটা নাকি এখন গাঢ় সবুজে মাখামাখি; তবে আমার সবুজ এখন বারান্দার ছোট্ট টবেই; চারদেয়ালে আটকে থাকবার দমবন্ধ অনুভূতি থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস অতোটুকুই।

মাঝে মাঝে চেনা রাস্তায় চোখ যায়। নেই কোলাহল, হৈচৈ, ফেরিওয়ালার হাঁকডাক, রিক্সাওয়ালার ক্রিং ক্রিং; চারপাশ জুড়ে শুধুই শূণ্যতা আর হাহাকার। এতো নিস্তব্ধতায় সারাটাদিন কিছুতেই কাটতে চায় না।

যদিও পারিবারিক বন্ডিং তৈরি হচ্ছে নিজেকে চিনতে পারছি, অন্যকে জানতে পারছি। সম্পর্কগুলো নতুন করে ঝালাই হচ্ছে। সবাই সবার খোঁজ নিচ্ছি। রান্না, মুভি, বই; খুব একটা খারাপ কাটছে না সময়। তবে এভাবে চললে তো একঘেয়েমিটা ঘেষে বসবে গায়ের সাথে।

থেকে থেকেই উৎকণ্টা বাড়ছে, জেঁকে বসছে বিষন্নতা। পাশে হয়তো সবাই আছে, তবুও কোথায় যেন একটা একাকিত্বের সুর বেজে ওঠে। বাড়ছে অপেক্ষা প্রতীক্ষা, কবে শেষ হবে এই অস্থিরতা? আবার কবে শান্ত হবে পৃথিবী?

আমরা যারা ঘরে আছি, আমাদেরওতো খোলা আকাশ দেখতে ইচ্ছে করে, আমাদেরওতো ইচ্ছে করে আবার হেঁটে বেড়াতে, ডানা মেলতে। চাই খুব দ্রুত শেষ হোক সবকিছু। আর তাই যারা অসচেতন, তাদেরকে বলতে চাই- প্লিজ সচেতন হন, প্লিজ প্লিজ...।

আসুননা সংকটকালীন এমন আকুতিতে ঘরে থাকি আমরা সবাই নিজের জন্য, মানুষের জন্য, দেশের জন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর