channel 24

সর্বশেষ

  • চালু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

  • মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

  • ফেভারিট শ্রীলঙ্কার সামনে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশও

  • কচুরিপানায় ভাগ্য বদলেছে দুই শতাধিক নারীর

  • মামুনুলের নজর ছিলো ধর্মকে পুঁজি করে ক্ষমতা দখলে: পুলিশ

  • ফোর্বসের 'থার্টি আন্ডার থার্টি এশিয়া' তালিকায় ৯ বাংলাদেশি

  • তিনে ওঠার হাতছানি নিয়ে রাতে মাঠে নামছে চেলসি

  • সুপার লিগের বিপক্ষে জোট বেঁধেছে পুরো বিশ্ব

  • করোনায় মারা গেলেন কর কমিশনার আলী আজগর

  • চট্টগ্রামে সাতটি এলাকাকে উচ্চ সংক্রমিত ঘোষণা করলেও নেই তৎপরতা

  • চট্টগ্রামে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে করোনা, বাড়ছে প্রাণহানি

  • করোনার ভ্যাকসিনে মিলছে সুফল, সিভাসুর গবেষণা

  • ধান সংকটে স্থবির কুষ্টিয়ার বৃহত্তম চালের মোকাম

  • কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান-লরি সংঘর্ষে ৩ জনের প্রাণহানি

  • লঙ্কা টেস্টে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন ফাহিম

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

আর কতোদিন গৃহবন্দী থাকতে হবে এমন করে?

করোনা আতংক ছেয়ে আছে পুরো দেশ। আর তা প্রতিরোধে বারবার ঘরবন্দি থাকবার কথা বলছে সরকার। এই যেমন পপি ইসলাম ও ফিরোজ এমদাদ। গৃহবন্দী হাজারো গল্পের ভীড়ে আছে এই দম্পতিও। কেমন কাটছে তাদের দিনলিপি ? অদৃশ্য শত্রুর দৃশ্যমান আতংকে তাদের মনের অজানা ভাবনাগুলোইবা কেমন?

ভাবতাম বাসায় থাকাটা খুব সহজ। এখন গৃহবন্দী অবস্থায় বুঝি তা কতোটা কঠিন। ১ দিন ২ দিন হয়তো কোনো ব্যাপার না। কিন্তু দিনের পর দিন যখন ঘরটাই হয়ে ওঠে সমস্ত পৃথিবী, ভালো লাগে না কিছুই। মাঝে মাঝে খুব হাঁপিয়ে উঠি; ভাবি আর কতোদিন থাকতে হবে এমন করে?

এখন আকাশ বলতে বারান্দা কিংবা জানালা দিয়ে যতোটুকু দেখা যায়। কতোদিন যে বিশাল আকাশ দেখি না। শুনেছি শহরটা নাকি এখন গাঢ় সবুজে মাখামাখি; তবে আমার সবুজ এখন বারান্দার ছোট্ট টবেই; চারদেয়ালে আটকে থাকবার দমবন্ধ অনুভূতি থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস অতোটুকুই।

মাঝে মাঝে চেনা রাস্তায় চোখ যায়। নেই কোলাহল, হৈচৈ, ফেরিওয়ালার হাঁকডাক, রিক্সাওয়ালার ক্রিং ক্রিং; চারপাশ জুড়ে শুধুই শূণ্যতা আর হাহাকার। এতো নিস্তব্ধতায় সারাটাদিন কিছুতেই কাটতে চায় না।

যদিও পারিবারিক বন্ডিং তৈরি হচ্ছে নিজেকে চিনতে পারছি, অন্যকে জানতে পারছি। সম্পর্কগুলো নতুন করে ঝালাই হচ্ছে। সবাই সবার খোঁজ নিচ্ছি। রান্না, মুভি, বই; খুব একটা খারাপ কাটছে না সময়। তবে এভাবে চললে তো একঘেয়েমিটা ঘেষে বসবে গায়ের সাথে।

থেকে থেকেই উৎকণ্টা বাড়ছে, জেঁকে বসছে বিষন্নতা। পাশে হয়তো সবাই আছে, তবুও কোথায় যেন একটা একাকিত্বের সুর বেজে ওঠে। বাড়ছে অপেক্ষা প্রতীক্ষা, কবে শেষ হবে এই অস্থিরতা? আবার কবে শান্ত হবে পৃথিবী?

আমরা যারা ঘরে আছি, আমাদেরওতো খোলা আকাশ দেখতে ইচ্ছে করে, আমাদেরওতো ইচ্ছে করে আবার হেঁটে বেড়াতে, ডানা মেলতে। চাই খুব দ্রুত শেষ হোক সবকিছু। আর তাই যারা অসচেতন, তাদেরকে বলতে চাই- প্লিজ সচেতন হন, প্লিজ প্লিজ...।

আসুননা সংকটকালীন এমন আকুতিতে ঘরে থাকি আমরা সবাই নিজের জন্য, মানুষের জন্য, দেশের জন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর