channel 24

সর্বশেষ

  • নোয়াবের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় এ কে আজাদকে ফুলেল শুভেচ্ছা

  • চট্টগ্রামে রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনার জন্য বাস চালক দায়ী: তদন্ত কমিটি

  • বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

  • চাকরি দিচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ

  • অ স্ত্র প্রতিযোগিতা নয়, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে সম্পদ ব্যবহার করুন: প্রধানমন্ত্রী

  • নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা দিনের পর দিন চলতে পারে না: নির্বাচন কমিশনার

  • পেগাসাস স্পাইওয়্যারের কার্যক্রম বন্ধে হাইকোর্টের রুল

  • ভাইকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেল যুবক

  • স্বাস্থ্য সচিব-ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

  • নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় চেয়ারম্যানের ছেলের হাতবোমা বিস্ফোরণ করে উল্লাস

  • অর্থপাচারকারীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরিতে আইনের সংশোধন চায় দুদক

  • ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’: সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

  • পুলিশ হেফাজত থেকে পালাল রোহিঙ্গা কালাম

  • বিমানবন্দরে আটকে দেয়া হলো জ্যাকুলিনকে

  • দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে অবদান রাখছে নাভানা গ্রুপ

ত্রিপুরায় ১৫০ মসজিদে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা, মুসলিম অঞ্চলে উত্তেজনা

ত্রিপুরায় ১৫০ মসজিদে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা, মুসলিম অঞ্চলে উত্তেজনা

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেই নিপীড়নের মুখে নিস্তার মিলছে না পবিত্র মসজিদেরও।

মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লার ঘটনার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে রাজ্যটিতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চ মিলে সেখানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। 

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের একাধিক জায়গায় হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন। বিভিন্ন মুসলিম অঞ্চলে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন : ছয় মাসের মধ্যে আই এসের হামলার শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র

নিরাপত্তাহীনতার মুখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এবং পুলিশের কাছে নিরাপত্তার আবেদনপত্র জমা দিয়েছে জমিয়তে উলামা হিন্দ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৫০টি মসজিদে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা শান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ঘটনার জেরে গত ২১ অক্টোবর ত্রিপুরার গোমতি জেলার উদয়পুরে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। সেই মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রথম উত্তেজনা ছড়ায়।

পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করলে প্রশাসনের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় হিন্দুদের। পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে উগ্রপন্থী হিন্দুরা। পুলিশও পাল্টা লাঠিচার্জ করে।

পুলিশ জানায়, এলাকাটিতে মুসলিমদের বসবাস থাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে মিছিল আটকানো হয়। যদিও আরএসএস নেতা অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, আগেই পুলিশের কাছ থেকে মুসলিম বিরোধী মিছিলের অনুমতি নিয়ে রাখা হয়েছিল।

জমিয়তে উলামা হিন্দের ত্রিপুরা শাখার প্রধান মুফতি তৈবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ঘটনার নিন্দা করি। কিন্তু ত্রিপুরাতে যা ঘটছে, তাও মেনে নেওয়া যায় না। মসজিদ ও মুসলিমদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছি।

অনির্বাণ রায় চৌধুরী নামে এক সাংবাদিকের দাবি, গত তিনদিন ধরে ত্রিপুরায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। শাসকদল বিজেপির ইন্ধনেই এমনটা হচ্ছে।

যদিও ত্রিপুরার বিজেপি মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য গৎবাঁধা বক্তব্যে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনাকে বিজেপি সমর্থন করে না।

টি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর