channel 24

সর্বশেষ

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

  • এবার মার্কিন পুলিশের গু লিতে প্রাণ হারালেন হুইলচেয়ারে বসা বৃদ্ধ

  • বাবরের একাদশে পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের ক্রিকেটার বেশি

  • চাকরি দিচ্ছে বিকেএসপি

  • দাউদাউ করে জ্বলছে বিয়েবাড়ি, খেয়েই চলেছেন নিমন্ত্রিতরা (ভিডিও)

  • ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

  • অভিবাসী প্রেরণে বিশ্বে ষষ্ঠ, রেমিটেন্স গ্রহণে অষ্টম বাংলাদেশ

অলিম্পিকের স্বপ্ন দেখা মারজিয়া এখন তা লে বা নের ভয়ে পলাতক

অলিম্পিকের স্বপ্ন দেখা মারজিয়া এখন তা লে বা নের ভয়ে পলাতক

আফগানিস্তানের মারজিয়া হামিদি; ১৯ বছর বয়সী এক নারী তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড়। তায়কোয়ান্দো নিয়ে অনেক বড় পরিকল্পনা ছিল তার।

মারজিয়া স্বপ্ন দেখতো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান দখলের। কিন্তু গত আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন এখন চির প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। তালেবান সদস্যরা তাকে খুঁজছে এমন খবর পেয়ে গত সেপ্টেম্বর থেকেই সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। 

আলজাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মারজিয়া বলেন, যখন তালেবান ক্ষমতায় আসলো তখন আমি আমার মেডেলগুলো ধ্বংস করার চিন্তা করছিলাম। নিজেকে প্রশ্ন করছিলাম, এগুলো কী রাখব, নাকি পুড়িয়ে ফেলব?

এমনকি মারজিয়ার ২০ হাজার ফলোয়ার সমৃদ্ধ ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টটিও এখন একপ্রকার নিষ্ক্রিয়ই বলা চলে। আফগানিস্তানের নতুন নিয়মানুযায়ী তিনি এখন, কালো আবায়া এবং তার সঙ্গে মিলিয়ে হিজাব পরে চলাফেরা করেন। 

মারজিয়ার মতো অনেক আফগান নারীই ভয়ে আছে কখন আবার তালেবানের পুরনো রূপ ফিরে আসে। সেই ১৯৯৬-২০০১ সাল এই পাঁচ বছরে আফগান নারীরা তালেবানের কঠোর পর্দানীতির কারণে একরকম অদৃশ্য হয়েই থাকতেন।

যদিও এবার ক্ষমতা দখলের পর তালেবান নারীদেরকে সম্মান দেয়া এবং ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এখনও বালিকা উচ্চবিদ্যালয়গুলো বন্ধই রাখা হয়েছে। অনেক নারীই তাদের কর্মক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে স্বাস্থ্যখাতসহ বেশকিছু খাতে নারীদেরকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে তালেবান। 

যদিও গত মাসে বেশ কয়েকটি শহর জুড়ে অধিকার আদায়ের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে নারীরা। কিন্তু তাদের কঠোরভাবে দমন করা হয়।

এর আগে প্রথম তালেবান শাসনামলে, নারীরা কার্যত জনসাধারণের দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। কারণ তাদের কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছিল এবং পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণের অনুমতিই ছিল না।

মারজিয়ার ভয় হলো সে এবং অন্যান্য নারীরা শিগগিরই সেই সময়কার মতো নিপীড়নের শিকার হবে।

মারজিয়া ইরানে আফগান শরণার্থীদের একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানে তাদের প্রায়ই বৈষম্যমূলক আচরণ এবং বর্ণবাদী হামলার শিকার হতে হতো।

মারজিয়ার যখন ১৫ বছর বয়স তখন সে প্রথম তায়কোয়ান্দো ক্লাসে যান এবং এর প্রেমে পড়ে যান। এরপর তিনি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এবং ৫৭ কেজি বিভাগে ইরানের জাতীয় প্রতিযোগিতায় বেশ কয়েকটি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

কিন্তু মারজিয়ার বাবা আর পরদেশে শরণার্থী হয়ে থাকতে পারছিলেন না। তাই তিন বছর আগে মারজিয়ার পরিবার আফগানিস্তানে ফিরে আসে। তবে নিজদেশেও আর নিজেকে মেলে ধরার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে পড়ে গেছেন এই ক্রীড়াবিদ।

টি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর