channel 24

সর্বশেষ

  • স্ত্রীর ইচ্ছাপূরণে ১৯ লাখ টাকার গহনা দান করে দিলেন স্বামী

  • পাটুরিয়ায় কাত হয়ে যাওয়া ফেরির উদ্ধারকাজ ফের শুরু

  • দৌলতখানে নৌকা সমর্থিত প্রার্থীর অফিসে ভাঙচুর

  • একই রাতে হোঁচট খেল বার্সা-রিয়াল

  • কলকাতায় ‘বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্র’ উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী

  • সাম্প্রদায়িক হামলায় অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসীদের মানববন্ধন

  • রামেকে ক রো না য় ৫ জনের প্রাণহানি

  • বাংলাদেশকে আরও ৩৫ লাখ ফাইজারের টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

  • বিশিষ্ট সমাজসেবী আনোয়ারা বেগমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • কোম্যানকে বরখাস্ত করল বার্সেলোনা

  • স্ত্রীর মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে

  • মাংস নিয়ে মারামারি; বিয়ের আসরে তালাক, পালিয়ে বিয়ে সেই বর-কনের

  • বাস্তবতা তুলে ধরতে শুরু হচ্ছে ‘জামদানি পল্লী’র শুটিং

  • স্কটল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারাল নামিবিয়া

  • প্রকৌশলীকে জরিমানা, ট্রাফিক অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

গ্রামে নেই একজনও মুসলিম, মসজিদে আজানের ব্যবস্থা করেছে হিন্দুরাই

গ্রামে নেই একজনও মুসলিম, মসজিদে আজানের ব্যবস্থা করেছে হিন্দুরাই

৪০ বছর ধরে গ্রামে একটি মুসলিম পরিবারও নেই। কিন্তু গ্রামের মসজিদে ঠিকই পাঁচ ওয়াক্ত আজান হয়। শুনতে অবাক লাগলেও বিহারের নালন্দা জেলার বেন ব্লকের মাদি গ্রামে এমন ঘটনাই ঘটে চলেছে দীর্ঘ চার দশক ধরে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

১৯৮১ সালে দাঙ্গার পর গ্রামের শেষ মুসলিম পরিবার ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায়। এরপর থেকেই গ্রামের মসজিদের দেখভাল করে আসছে হিন্দু বাসিন্দারা। শুধু দেখভালই নয়, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পাঁচ ওয়াক্ত আজানের ব্যবস্থাও করেছে তারা।

স্থানীয় একজন বাসিন্দা উদয় কুমার বলেন, তাদের কাছে মসজিদ খুবই সম্মানীয়। কারণ মসজিদের কারণে ভয়াবহ বন্যা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বেঁচে গেছি আমরা। তিনি বলেন, যখন সবশেষ মুসলিম পরিবার গ্রাম ছেড়ে চলে যায়, তখন গ্রামের হিন্দুরা মসজিদের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেয়।

উদয় বলেন, স্থানীয়রা চাঁদা তুলে মসজিদের ব্যয় নির্বাহ করে। গ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করার আগে আমরা মসজিদে গিয়ে প্রার্থনা করি। এমনকি নবদম্পতি মন্দিরে গিয়ে আর্শিবাদ নেয়ার আগে মসজিদে যায়। যারা গ্রাম ছেড়ে যায় বা পরিদর্শনে আসে তারাও মসজিদে গিয়ে প্রার্থনা করে।

এক সময় মাদি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ বশির এখন বিহারশরিফে থাকেন। তিনি বলেন, ১৯৪৫ সালে এই গ্রামে ৪৫টি মুসলিম পরিবার, ৪৫টি কুরমি এবং ১০টি অন্য পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর ১২টি ছাড়া বাকি সব পরিবার গ্রাম ছেড়ে চলে যায়। তবে ১৯৮১ সালের দাঙ্গার পর গ্রাম ছাড়ে সবশেষ মুসলিম পরিবারও।

এইউ/ এমকে 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর