channel 24

সর্বশেষ

  • ইভ্যালির গ্রেপ্তার কর্ণধারের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৩০

  • যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ চায় কাবুল হা ম লায় নি হ তদের পরিবার

  • আফগানিস্তানের মেয়েরা প্রাথমিকের অনুমতি পেলেও পায়নি মাধ্যমিকের

  • প্রথমবার মহাকাশ ঘুরে এলেন চার সাধারণ নভোচারী

  • স্বামীর চাপাতির কোপে গুরুতর আহত স্ত্রী

  • বিচ্ছেদ চেয়ে শ্রাবন্তীর মামলা

  • দেশীয় গাছের ক্ষতি করে পরিবেশ নষ্ট করছে বিদেশি প্রজাতি

  • ব্যাংক কর্মীদের ছাঁটাই বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

  • নিজের কিডনি দিয়ে বড় ভাইকে নতুন জীবন দিলেন ছোট ভাই

  • ডিআইজি পার্থ গোপালকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

  • অনিশ্চয়তায় অস্ট্রেলিয়ার পাকিস্তান সফরও

  • নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রুডো

  • আবারও ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের বি ক্ষো ভ

  • অতিরিক্ত কাজে বছরে প্রায় ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়: গবেষণা

গ্রাম্যবধূ থেকে রাজরানি

গ্রাম্যবধূ থেকে রাজরানি

এ যেন কুঁড়েঘর থেকে রাজপ্রাসাদে ওঠার গল্প। পেরুর দরিদ্রতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন পেদ্রো ক্যাস্তিলো। তার সাথে গ্রামের শ্রীহীন দোতলা বাড়ি ছেড়ে রাষ্ট্রপতির প্রাসাদে উঠতে যাচ্ছেন ফার্স্ট লেডি লিলিয়া প্যারদেস। তাদের সাদাসিধে জীবনের গল্প গুরুত্ব পাচ্ছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।

লিলিয়া প্যারদেস। গ্রাম্যবধু থেকে এখন রাজরানি। বলছি, লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুর নতুন ফাস্টলেডির কথা। দেশটির দরিদ্রতম জেলা আঙ্গুয়ায় বসবাস লিলিয়ার। জনাজীর্ণ বাড়িতেই কেটেছে তার ২০ বছর। গবাদি পশুপালন, মাটির তৈরি চুলোয় রান্না করেন তিনি এখনও।

আরও পড়ুন: ফাইজারের ৩টি ডোজ ৯৭ শতাংশ কার্যকর

পেরুর ৪০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের নেই দামি গাড়ি। নেই ব্যাংক ব্যালেন্স; এমনকি খোদ রাজধানী লিমাতে থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাড়িও নেই নতুন প্রেসিডেন্টের। লিলিয়া বলেন, অট্টালিকা বড় কথা নয়, কেননা রাজত্ব উপভোগ করতে যাচ্ছি না। রাজভবনে শানশওকাত নয়, বরং জনগনের সেবার দিকেই মনোযোগ থাকবে আমাদের।

২৮ জুলাই শপথ নিয়েছেন পেরুর নতুন প্রেনিডেন্ট পেদ্রো ক্যাস্তিলো। শপথ শেষে ফার্স্ট লেডি লিলিয়া প্যারদেস বলেন, সবার জন্য কাজ করবো, বিশেষ করে গরিবদের জন্য। মানুষের জন্য এমন কিছু করতে চাই, যা এর আগে কোন প্রেসিডেন্ট করেননি।

রাষ্ট্রপতির বাসভবনে যাওয়ার আগমূহুর্তে গ্রামের প্রতিবেশীদের সঙ্গে শামিল হন প্রার্থনায়। লোকজ পোশাকও পরেন। ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে একই ছায়াতলে অনন্য নজির গড়লেন এ দম্পতি। লিলিয়া বলেন, আমরা নিরহঙ্কারী মানুষ। কখনও ভুলবো না কোত্থেকে উঠে এসেছি আর কোথায় ফিরে আসতে হবে। কেননা সরকারী অফিস চিরস্থায়ী না।

২ সন্তান নিয়ে ৪ সদস্যের ছোট্ট পরিবার এ দম্পতির। বড়বোনের সাথে যৌথ পরিবারে বাস। গত ১ দশকেও সরকারী স্কুলে পড়েননি পেরুর কোনো প্রেসিডেন্টের সন্তান। তবে ফাস্টলেডির ঘোষণা, দামি স্কুল নয়, সরকারী স্কুলেই পড়বে তার সন্তানেরা।  

 

এফএইচ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর